রংপুর    রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জুফাস নিউজ

কয়েক দোকান ঘুরেও মিলছে না সয়াবিন তেল, দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা

কয়েকদিনের মাথায় আবারও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে পরিশোধন ও সরবরাহ কোম্পানিগুলো। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির অজুহাতে এরই মধ্যে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে তারা। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, সে কারণেই বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট কাটছে না। বাড়তি দামেও তেল না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি কোনো নজরদারি না থাকারও অভিযোগ তাদের।চলতি মাসের ২ তারিখে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। এরপরও বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক করেনি বিপণন কোম্পানিগুলো। রাজধানীর বেশিরভাগ বাজারেই সয়াবিন তেলের সংকট প্রকট হয়েছে। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পরিবেশকদের কাছে বারবার তাগাদা দিয়েও প্রয়োজনীয় তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কোম্পানিগুলো বিক্রির কমিশনও কমিয়ে দিয়েছে। নতুন করে তেলের দাম বাড়াতেই এমন কারসাজি বলে অভিযোগ তাদের। অনেক দোকানি বাধ্য হয়ে খোলা সয়াবিন বিক্রি করছেন। [TECHTARANGA-POST:6751]ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলোর দাবি, কয়েক মাস ধরেই বেশি দামে আমদানি করতে হচ্ছে। কিন্তু সে তুলনায় দাম বাড়ানো হয়নি। লোকসান এড়াতে সরবরাহ কিছুটা কমানো হয়েছে। মূল্য সমন্বয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সরকারের অনুমোদন পেলেই নতুন করে দাম সমন্বয় করা হবে। টিকে গ্রুপের পরিচালক শফিউল আতহার তাসলিম বলেন, ‘বেশি দামে আমাদের আমদানি করতে হচ্ছে। তাই অনেকে আমদানি কমিয়ে দিয়েছেন।’এদিকে, বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট ও বাড়তি দামে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। অভিযোগ, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি কোনো সংস্থার নজরদারি নেই। বাজারে কার্যকর তদারকির দাবি তাদের। দেশে বছরে ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় ৩০ লাখ টন। পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করে মাত্র ৬টি কোম্পানি।

কয়েক দোকান ঘুরেও মিলছে না সয়াবিন তেল, দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা