রংপুর    সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
জুফাস নিউজ

জাতীয়

মতামতমতামত

১৮ বছরের নিচে তামাক ও নিকোতিন পণ্য বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিন্ধ। পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহন ধূমপান এবং ধোয়াাবহীন তামাক সেবন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে শাস্তি ও জরিমানার পরিমাণও বৃদ্ধি করা হয়েছে; প্রধানমন্ত্রী

তামাক ও নিকোটিনের মরণঘাতী প্রভাব থেকে শিশু-কিশোরসহ দেশের আগামী প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে সরকার সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (৩১ মে) ‘বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে তিনি এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।এবারের দিবসের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘প্রলোভনের মুখোশ উন্মোচন করি, তামাক ও নিকোটিনের আসক্তি প্রতিরোধ করি’।প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শিশু-কিশোরসহ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাংলাদেশ ২০০৩ সালে এফসিটিসিতে স্বাক্ষর, ২০০৪ সালে অনুসমর্থন এবং ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে। পরবর্তী সময়ে এই আইনকে আরো শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় সংশোধনও আনা হয়েছে।তিনি বলেন, তামাকে বিদ্যমান নিকোটিন মারাত্মক আসক্তি সৃষ্টি করে। বিড়ি, সিগারেট, ই-সিগারেট, জর্দা, গুলসহ যেকোনো তামাক ও নিকোটিনজাত পণ্যের ব্যবহার হৃদরোগ, স্ট্রোক, বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার এবং ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি রোগসহ অসংক্রামক রোগের অন্যতম প্রধান কারণ।তিনি আরো বলেন, তামাকের প্রলোভন থেকে শিশু-কিশোরদের সুরক্ষার লক্ষ্যে তামাকজাত দ্রব্যের সকল প্রকার বিজ্ঞাপন, প্রচারণা ও প্রমোশন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া, ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, অ্যাপস, ওটিটি প্ল্যাটফরম, নাটক-সিনেমাসহ সব মাধ্যমেই তামাকের প্রচারণা নিষিদ্ধ।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার (সিএসআর) আড়ালে তামাক কম্পানির প্রচার-প্রচারণাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশু পার্কের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ১৮ বছরের নিচে তামাক ও নিকোটিন পণ্য বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে ধূমপান এবং ধোঁয়াবিহীন তামাক সেবন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে শাস্তি ও জরিমানার পরিমাণও বৃদ্ধি করা হয়েছে।তারেক রহমান বলেন, নতুন বিধি-বিধানের কার্যকর বাস্তবায়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তামাকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এখন সময়ের দাবি। জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও সরকারের সমন্বিত উদ্যোগে একটি সুস্থ, কর্মক্ষম ও তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যের বরাত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশ অসংক্রামক রোগে ঘটে, যার একটি প্রধান ঝুঁকির কারণ তামাক ও নিকোটিনের ব্যবহার। টোব্যাকো এটলাস ২০২৫ অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিবছর তামাকজনিত রোগে ১ লাখ ৯৯ হাজারের বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করে।এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের গবেষণার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, তামাক ব্যবহারের ফলে স্বাস্থ্য ব্যয়, পরিবেশগত ক্ষতি ও উৎপাদনশীলতা হ্রাসসহ দেশের অর্থনীতিতে বার্ষিক ক্ষতির পরিমাণ ৮৭ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

আমার এত দল পরিবর্তন করার শখ নেই; আমার পল্টি দেওয়ার অভ্যাসও নেই

ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষে পুরোদমে রাজনীতিতে সময় দিতে চান বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন দল পরিবর্তনের কোনো ইচ্ছা তার কোনোকালেই ছিল না এবং ভবিষ্যতেও নেই। বর্তমানে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা কিংবা নিষিদ্ধ থাকলেও এই অবস্থা চিরস্থায়ী হবে না বলেই বিশ্বাস করেন সাকিব আল হাসান।বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে নিজের রাজনৈতিক দর্শন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সোজাসাপ্টা কথা বলেন তিনি।দলের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতা নিয়ে সাকিব বলেন, ‘আমার এত দল পরিবর্তন করার শখ নেই। আমি যখন ছোট কোনো দলেও খেলেছি, সেই দলের প্রতি অনুগত ছিলাম। আমার পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই।’ আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আজীবন কি কেউ কাউকে নিষিদ্ধ করে রাখতে পারে? এটা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার।জোর করে কিছুদিন দমিয়ে রাখা সম্ভব হলেও তাতে দেশের বা রাজনীতির কোনো উন্নতি হয় না।’সাবেক এই সংসদ সদস্য রাজনীতিতে প্রতিহিংসার সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া উচিত উল্লেখ করে বলেন, ‘যদি আমরা আগে ভুল করে থাকি এবং এখন সেটির পুনরাবৃত্তি হয়, তবে এই খেলা চলতেই থাকবে। কাউকে না কাউকে এই ধারা শেষ করতে হবে। যে দল এটি শেষ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে, তারাই মানুষের মনে জায়গা করে নেবে।সাকিব বলেন, ‘আমার শতভাগ বিশ্বাস আছে, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে মাগুরার মানুষ আমাকে আবারও ভোট দেবে। আমি তো এবারের (অন্তর্বর্তী সরকার পরবর্তী সম্ভাব্য) নির্বাচনেও অংশ নিতে আগ্রহী ছিলাম। ভেবেছিলাম ভোটে দাঁড়িয়েই নিজের জনপ্রিয়তা দেখিয়ে দেব। কিন্তু পারিপার্শ্বিকতা ও দলের সিদ্ধান্তের কারণে তা সম্ভব হয়নি।’পুরোপুরি আশা আছে যে আমি দ্রুতই দেশে ফিরব উল্লেখ করে সাকিব আল হাসান বলেন, ‘আমি আইনের মুখোমুখি হতে চাই, কিন্তু আমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।আমি বিশেষ কোনো প্রটোকল চাচ্ছি না, শুধু সাধারণ নাগরিক হিসেবে আইনি প্রক্রিয়া চলাকালীন হয়রানি না করার নিশ্চয়তা চাই। এই নিশ্চয়তা কাল দেওয়া হলে আমি পরশুই দেশে ফিরব।’২০২৪ সালের জানুয়ারিতে মাগুরা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া সাকিবের সংসদীয় মেয়াদ ছিল মাত্র সাত মাস। ৫ আগস্টের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা সাকিবের নামে বর্তমানে হত্যা মামলাসহ চেক জালিয়াতি ও শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারির মামলা রয়েছে। এসব মামলাকে আইনিভাবে মোকাবেলা করতে চাইলেও দেশে ফেরার ক্ষেত্রে মূল বাধা হিসেবে তিনি ‘নিরাপত্তাহীনতা’ ও ‘হয়রানি’কে দেখছেন।

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতির পুনর্মূল্যায়ন জরুরি

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নীতিমালা  : এলডিসি পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত অধ্যাপক লুৎফে সিদ্দিকী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।মূল প্রবন্ধে ড. সেলিম রায়হান বলেন, রাজস্ব খাতে সংস্কারের অভাব এবং প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে কর বৃদ্ধিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে পরোক্ষ কর ও আমদানি করের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা দেখা দিচ্ছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক হার অনেক বেশি। রপ্তানি খাতও শুধু তৈরি পোশাকে সীমাবদ্ধ। তাও আবার পোশাকের প্রবৃদ্ধি নগদ প্রণোদনা ও কর ছাড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চাপ সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন রপ্তানি পণ্য ও নতুন বাজার খোঁজা উচিত।প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যকার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তবে যে গতিতে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। সত্যিকার অর্থে শিল্প খাতসহ অন্য সেক্টরে কোনো দীর্ঘমেয়াদে রোডম্যাপ নেই, যা হতাশার বিষয়। এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যকার সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণ করতেই হবে। এখান থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের উচ্চমানের তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ওপর বেশি হারে মনোযোগী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্প-কারখানা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (কাস্টমস) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের জয়েন্ট চিফ (ইন্টারন্যাশাল কো-অপারেশন ডিভিশন) মসিউল ইসলাম, বেসিসের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাকির হোসেন এবং ফকির ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ প্রমুখ।

অনিয়মে জর্জরিত ‘ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স’, ঝুঁকিতে ব্যান্ডউইথ নিরাপত্তা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একে একে আইআইজি, আইটিসি, আইজিডব্লিউসহ ইন্টারনেট-টেলিকম খাতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স দখলে নেয় আওয়ামী সুবিধাভোগী এ প্রতিষ্ঠান। এসব লাইসেন্স অর্জনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি), দেশের অভ্যন্তরের আইটিসি প্রতিষ্ঠান এবং এয়ারটেল ও টাটার মতো শীর্ষ ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ওয়ান এশিয়ার মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকারও বেশি। বিটিআরসির কাছেই এর বকেয়া প্রায় ৪ কোটি টাকা। বিএসসিসিএল-এর কাছে রয়েছে আরও ১ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে টেলিকম জায়ান্ট এয়ারটেল তাদের ১৩ কোটি টাকার এবং টাটা ৫ কোটি টাকার বকেয়া দাবি করছে। এদিকে বকেয়া আদায়ে নানাভাবে চেষ্টা করে না পেয়ে ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স-এর বিরুদ্ধে বিএসসিপিএলসি ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘আরবিট্রেশন মামলা’ দায়ের করে। এর রায়ে তারা জয়ী হয়। সেই রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাওয়ার্ড এক্সিকিউশন মামলা’ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যেন লাইসেন্স বাতিল না হয় এবং তাদের ব্যবসা চালু রাখা যায়। ইতোমধ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তারা এনওসিও নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসির একটি সূত্র।ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স একসময় আইআইজি, আইটিসি ও আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নিয়ে টেলিকম বাজারে প্রবেশ করলেও সময়ের সঙ্গে শর্ত লঙ্ঘন করে একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মালিকানাধীন বেঙ্গল ব্রডব্যান্ড ২০১৬ সালে ডিভিশনাল আইএসপি লাইসেন্স পেলেও নবায়ন না করেই বর্তমানে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এর মালিকানাধীন প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের রয়েছে ন্যাশন ওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার মোবালইল ফোনে কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ওয়ান এশিয়া অ্যালায়ন্সের মূল প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসফারিয়া খায়েরের সঙ্গে। তবে তিনি সাড়া দেননি। পরে পুনরায় চেষ্টা করলে দেখা যায়, তিনি প্রতিবেদকের নম্বরই ব্লক করে দিয়েছেন।বিটিআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্সকে মোট বকেয়ার ৫০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ এবং বাকি অংশ কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে এনওসি প্রদান করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে তিনি জানান।ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, আইএসপি সেক্টরের সেবাদান নির্ভর করে আইআইজি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারীদের ওপর। কেউ যদি কোটি টাকা বকেয়া রেখে অনিয়ম করে, তা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের জন্য হুমকি। তবে নেপথ্যে যদি নীতিগত বা কাঠামোগত কোনো সমস্যা থাকে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা জরুরি। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া বা নীতিগত ব্যত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন তাগাদা দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পাওনা পরিশোধ করেনি, চিঠির জবাবও দেয়নি। এখন তাদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মামলা করেছি।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই, ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করুক, গ্রাহকদের সেবা দিক। কিন্তু সরকারের পাওনা পরিশোধ না করে কেউ যদি অনিয়মে জড়ায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অধ্যাদেশ বিলুপ্তির দাবিতে কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে

ন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। এনবিআরের অধীনস্থ সারা দেশের অন্য সব অফিসেও একইভাবে কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। ভ্যাট ও কর অফিসেও সেবা বন্ধ ছিল। তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা কাযক্রম চলমান ছিল। শনিবার এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপকর কমিশনার মোস্তফিজুর রহমান, সহকারী কর কমিশনার ইশতিয়াক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক, যা ইতোমধ্যেই দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও থিংকট্যাংকসহ সর্বমহলে স্বীকৃতি পেয়েছে। এনবিআর তথা রাজস্ব প্রশাসনের আমূল সংস্কার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তবে এই সংস্কার হতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত সর্বোত্তম ব্যবস্থা ও পদ্ধতির অনুরূপ। দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন দর্শন এতে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হতে হবে। এছাড়া রাজস্ব প্রশাসন অধিকতর কার্যকর, প্রগতিশীল ও দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে এবং এ সংস্কার বিশেষ কারও স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হবে না। কিন্তু রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের স্বার্থে আমাদের এমন যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকার কেন, কী কারণে এবং কাদের প্ররোচনায় বিলম্ব করছে, তা বোধগম্য নয়।    এতে আরও বলা হয়, আজ (শনিবার) সকাল থেকেই এনবিআর ভবনের অভ্যন্তরে এবং বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। এ বিষয়টি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে নানা ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে রোববারও একইভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানে হস্তক্ষেপ করবে, সেখানে তারা প্রেস ব্রিফিং করবেন।ভিন্নমত যাদের: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘দাবি আদায়ের নামে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এখন যা হচ্ছে তা রীতিমতো সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান। এটি সম্পূর্ণ শৃঙ্খলাপরিপন্থি কাজ, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি এসব কর্মকাণ্ড পারমিট করে না।’ তারা মনে করেন, এনবিআর বিলুপ্ত করে যে গেজেট করা হয়েছে সেখানে প্রত্যাশার অনেক কিছু চলে এসেছে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা পরবর্তী সংশোধনী ও বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সংযোজন করা সম্ভব। এজন্য এভাবে আন্দোলন করার প্রয়োজন ছিল না। বিষয়টিকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে গেলে ভালো হতো। 

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

৫ মে ২০২৬, ০৪:২৩ পিএম
গ্রামে কোনো লোডশেডিং নেই।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

গ্রামে কোনো লোডশেডিং নেই। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

শৈশবে একসাথে খেলাধুলা, শেষযাত্রাতেও পাশাপাশি দুই বন্ধু অহিদ ও মাসুদ

অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!

সৈয়দপুর রুটে এয়ার অ্যাস্ট্রার ভাড়া কমলো, টিকিট ৩ হাজার ৩৫০ টাকা

জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে তারাগঞ্জ উপজেলার থানাপাড়া স্থানীয় বাসিন্দারা

পার্বতীপুরে রেলগেটে ট্রেন–ট্রাক সংঘর্ষে ১১ যাত্রী আহত

ঈদের দিন সকাল থেকে আবহাওয়া যেমন থাকবে রংপুরে!

ঘরে বসেই স্টারলিংকের সংযোগ পাবেন যেভাবে

অপহরণের ১২ দিনেও উদ্ধার হয়নি স্কুলছাত্রী

১০

মহাকাশের সুপারকম্পিউটার, প্রযুক্তিতে নতুন যুগের সূচনা করল চীন

জনপ্রিয় সব খবর
সর্বশেষ সব খবর

 রাজনীতি রাজনীতি

এবার লাইভে এসে ১০ কোটি টাকার হিসাব দিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

এবার লাইভে এসে ১০ কোটি টাকার হিসাব দিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসকের বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। কুমিল্লা–৪ আসনের (দেবীদ্বার) এই সংসদ সদস্য বলেছেন, ‘রাজস্ব বরাদ্দ ও এডিপি বরাদ্দের পার্থক্য না বুঝে একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিয়েছেন। এসব অর্থ প্রকল্পে ব্যয় করা হয়েছে, ব্যক্তি হিসেবে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।’গতকাল রবিবার (৩১ মে) মধ্যরাতে রাতে ফেসবুক লাইভে আসেন এনসিপির এ নেতা। দীর্ঘ ৪৩ মিনিটের ভিডিওতে হাতেকলমে ১০ কোটি টাকার হিসাব দিয়েছেন হাসনাত আবদুল্লাহ।তিনি বলেন, ‘এটি স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেওয়া বিশেষ বরাদ্দ, যেটা জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রশাসক রাজস্ব খাত আর বিশেষ বরাদ্দ সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে এই কথা বলতেন না। আর উনি এমনভাবে বলেছেন, মনে হচ্ছে টাকা আমরা নিজেরা পকেটে নিয়ে গেছি। অথচ দেবীদ্বারের বিভিন্ন কাজে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’এনসিপির এ নেতা বলেন, ‘এখানে তো লুকানোর কিছু নেই, সব কিছু ওয়েবসাইটে আছে। এটি চাইলে যে কেউ দেখতে পারে। আমি আগেও যেসব বাজেটে এসেছে, সব হিসাব লাইভে এসে দিয়েছি।’হাসনাত বলেন, ‘১০ কোটি টাকার কথা বলা হচ্ছে। আমি যখন নির্বাচিত হইনি-অর্থাৎ ২০২৪-২৫ সালে এডিপি সাধারণ, এডিপি বিশেষ এবং রাজস্ব নিজস্বসহ সব মিলিয়ে আট কোটি ৪২ লাখ টাকার প্রজেক্ট দেবীদ্বারে দেওয়া হয়েছে। এক টাকা কম না, এক টাকা বেশি না। ১৪৮টি খাতে এসব প্রজেক্ট দেওয়া হয়েছে। একটা প্রজেক্টও পূর্ণাঙ্গ কমপ্লিট হয়নি। এগুলো আপনারা অনলাইনে গেলেই দেখতে পাবেন।’তিনি বলেন, ‘অথচ জেলা প্রশাসক বললেন আমি ১০ কোটি টাকা নিয়ে গেছি। গত দুই দিন মিডিয়া ট্রায়াল চালানো হলো আমরা টাকা নিয়ে গিয়েছি, টাকার কথা মানুষের কাছে লুকিয়েছি। এটা তো লুকানোর কিছু নেই, সব কিছু ওয়েবসাইটে। ইটস ভেরি ওপেন, ব্রড ডেলাইট ওপেন।’এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের এ মুখ্য সংগঠক বলেন, ‘যারা প্রপাগান্ডা করেছেন-আপনাদের যদি চর্মচক্ষু থাকে এবং একটু জ্ঞানবুদ্ধি থাকে শুধু ইন্টারনেটে সার্চ করলেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়। কোন খাতে কয় টাকা এবং কোন প্রক্রিয়ায় গেছে-চাইলেই সব কিছু বের করা সম্ভব।’হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমার এলাকার যতগুলা বরাদ্দ বাজেট এসেছে সম্প্রতি লাইভে সবগুলো বিস্তারিত তুলে ধরেছি। এমনটি আমার পেজ ‘জবাবদিহিতা’য় প্রতিনিয়ত আপডেট জানানো হয়। সবার বাসায় মোবাইল, ইন্টারনেট ও ফেসবুক আছে। সার্চ করলেই যে কেউ ডিটেইল দেখতে পারেন। এখন এটাকে যেভাবে ফ্রেমিং করা হলো এটা খুবই দুঃখজনক।’

ঈদুল আযহা উপলক্ষে দুওসুও ইউনিয়নে ছাত্রশিবিরের আন্তঃফুটবল টুর্নামেন্ট

ঈদুল আযহা উপলক্ষে দুওসুও ইউনিয়নে ছাত্রশিবিরের আন্তঃফুটবল টুর্নামেন্ট

বিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ৫নং দুওসুও ইউনিয়নে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক প্রাণবন্ত আন্তঃফুটবল টুর্নামেন্ট। যুবসমাজকে খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ, সচেতন ও আদর্শবান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়।টুর্নামেন্টের মূল প্রতিপাদ্য ছিল— “সুস্থ দেহ, সুন্দর মন, দ্বীন কায়েমের আন্দোলন।” দিনব্যাপী এ আয়োজনে বিভিন্ন এলাকার তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা। তিনি বলেন, খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং এটি যুবসমাজকে শৃঙ্খলাবোধ, নেতৃত্ব ও নৈতিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ করে। একটি সুস্থ জাতি গঠনে ক্রীড়াচর্চার গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক কেন্দ্রীয় পাঠাগার সম্পাদক মোঃ সোহেল রানা, জেলা সভাপতি মোঃ সাদেকুল ইসলাম মুন্না এবং বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ খলিলুর রহমান।এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুওসুও ইউনিয়নের আমির মাওলানা বশির উদ্দিন, সেক্রেটারি মাওলানা মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, যুব বিভাগের ইউনিয়ন সভাপতি প্রভাষক মোঃ রুবেল রানা, সাবেক ছাত্রনেতা রহিমুল্লাহ, জয়নুল ইসলাম, শাহাজানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।টুর্নামেন্ট শেষে বিজয়ী ও রানার-আপ দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। আয়োজকদের ভাষ্য, ভবিষ্যতেও যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখতে এ ধরনের আয়োজন চলমান থাকবে।

ভুল করলে জনগণ আমাদেরকেও ক্ষমা করবে না: মির্জা ফখরুল

ভুল করলে জনগণ আমাদেরকেও ক্ষমা করবে না: মির্জা ফখরুল

বাংলাদেশের মানুষ কাউকে ক্ষমা করে না উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা যদি ভুল করি আমাদেরকেও ক্ষমা করবে না। সেই কারণে সবাইকে অনুরোধ করব যে, এই সরকারের ওপর সমগ্র দেশের একটা প্রত্যাশা আছে, ভরসা আছে এবং আস্থা আছে- সেটাকে পালন করতে হবে।শনিবার আইইবি মিলনায়তনে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) উদ্যোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত প্রকৌশলীবৃন্দ ও স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ প্রাপ্ত প্রকৌশলীকে সংবর্ধনা এবং আইইবি'র ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর (ইঞ্জিনিয়ার্স ডে) সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আইইবি সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম (রিজু) এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।প্রকৌশলীদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনাদের প্রতি জনগণের আগ্রহ অনেক, আকাঙ্খা অনেক এবং তারা আশাও করে অনেক, প্রত্যাশা অনেক। আপনারা যে কাজগুলো করবেন- সে কাজগুলো যেন জনগণের সত্যিকার অর্থেই কাজে লাগে। আমার খুব দুঃখ হয় যখন পত্রিকায় দেখি যে, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে একটি জেলায় সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়ে গেছে, কোন কাজ হয়নি। এই বিষয়গুলোকে দয়া করে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দৃষ্টি দেবেন।এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এই দেশের মানুষ এখন আগের মত সরল নেই- তারা কিন্তু সবকিছু বোঝেন, সবকিছু জানেন এবং বুঝতে পারেন। আর দেশের মানুষ কিন্তু কাউকে ক্ষমাও করে না। আজকে আমরা যদি ভুল করি আমাদেরকেও ক্ষমা করবে না। মন্ত্রী বলেন, আইইবি বাংলাদেশে একটা অত্যন্ত প্রেস্টিজিয়াস অর্গানাইজেশন। আইইবি একটা প্রতিষ্ঠান, যারা শুধু ইঞ্জিনিয়ারদের অ্যাসোসিয়েশন নয়- এটা বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে এবং বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক অবদান রেখেছে। বিএনপি মহাসচিব বলেন, বারবার আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি। আমাদের সমস্ত অধিকারগুলো আদায় করবার জন্য লড়াই করেছি, অনেক প্রাণ গেছে, অনেক রক্ত গেছে- রাজপথ রক্তে রাঙা হয়ে গেছে। আমরা ২৪-এর জুলাই, যেটাকে আমি ২৪ জুলাই বলছি। এই গণভ্যুত্থানের পরে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিন্তু একটা বোধ সৃষ্টি হয়েছে, সে বোধটি হচ্ছে যে- আমরা একটা নতুন মুক্ত বাংলাদেশ চাই। আমরা সে পুরনো ঘুনে ধরা বাংলাদেশ আর দেখতে চাই না। সেই ক্ষেত্রে আমি মনে করি, প্রকৌশলীদের ভূমিকা সবচাইতে উল্লেখযোগ্য ও প্রয়োজনীয়।প্রকৌশলী কে. এম. আসাদু্জ্জামাননের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আইইবি সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা খান, প্রকৌশলী মো. আশরাফ উদ্দিন (বকুল), এমপি, প্রকৌশলী মঈনুল ইসলাম খান, এমপি, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী সানজিদা ইসলাম (তুলি), প্রকৌশলী মাহবুবা হাকিম ক্যামেলিয়া, এমপি, প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ, এমপি এবং গবেষণা ও প্রশিক্ষণে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬' প্রাপ্ত ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ আব্দুল বাকী।

আসাদুজ্জামান নূরের জামিন স্থগিত

আসাদুজ্জামান নূরের জামিন স্থগিত

দুই মামলায় সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন।এর আগে ১০ মে ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুর ও রমনা থানার দু’টি হত্যা মামলায় সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরকে জামিন দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই আদেশ দিয়েছিলেন।আদালতে নূরের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না। রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধিতা করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শায়লা শারমিন, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আলামিন।২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর বেইলি রোড থেকে আসাদুজ্জামান নূরকে গ্রেফদার করে পুলিশ।

প্রিয় সৈয়দপুর

সৈয়দপুর-দিনাজপুর মহাসড়কে দুর্ঘটনায় দুই তরুণ নিহত

সৈয়দপুর-দিনাজপুর মহাসড়কে দুর্ঘটনায় দুই তরুণ নিহত

শনিবার (৩০ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দশমাইল পুলিশ ফাঁড়ির সামনে (ইপিজেড, গারো ডাংগি ব্রিজ সংলগ্ন) প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে।দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন, আমেনা-বাকি রেসিডেনন্সিয়াল কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র জাবির খালেদ (১৮) ও আহনাদ তহমিদ রিয়াদ (১৮)। সম্পর্কে তারা দুজন বন্ধু।প্রত্যক্ষদর্শী ও দশমাইল হাইওয়ে থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে দুই বন্ধু মোটরসাইকেলে তাদের গন্তব্যে যাচ্ছিল। তাদের মোটরসাইকেলটি দশমাইল পুলিশ ফাঁড়ির সামনে পৌঁছালে একটি প্রাইভেটকারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই জাবির খালেদ নিহত হন। রিয়াদকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কিছুক্ষণ পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দশমাইল হাইওয়ে থানার ওসি নির্মল চন্দ্র মোহন্ত বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল থানা হেফাজতে আছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের আবেদন করলে দ্রুত মামলা রুজু করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৩১ মে ২০২৬

 বানিজ্য বানিজ্য

টানা ৭ দিন বন্ধের পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু

টানা ৭ দিন বন্ধের পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু

ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে টানা সাতদিন বন্ধ থাকার পরে দুই দেশের মাঝে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আদানি-রপ্তানি শুরু হওয়ায় বন্দরে প্রাণ চঞ্চলতা ফিরে এসেছে।সোমবার (১ জুন) সকালে ভারতীয় ট্রাক বন্দরে প্রবেশের মধ্য দিয়ে আমদানি-রপ্তানির সকল কার্যক্রম শুরু হয়েছে।এদিকে, ঈদের ছুটি কাটিয়ে বন্দর এলাকায় ব্যবসায়ীদের আনাগোনা শুরু হয়েছে, এতে বন্দরে প্রাণ চঞ্চলাত্য দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন স্থান থেকে ছেড়ে আশা পণ্যবহণকারি ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। সকাল থেকে শ্রমিকরা বন্দর এলাকায় আসতে দেখা যায় এবং তারা বন্দরে প্রবেশ করেন।আমদানি-রাপ্তনিকারক গ্রুপের সভপাতি শাখাওয়াত হোসেন শিল্পী বলেন, ‘ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে ব্যবসায়ীদের সিদ্ধান্তে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি ৭ দিন বন্ধ রাখা হয়ে ছিল। সোমবার সকাল থেকে আবার দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে।’

১০ ঘন্টা আগে

কৃষকের জানালা

উদ্বোধনের অপেক্ষায় রংপুরের আধুনিক কসাইখানা: নিশ্চিত হবে স্বাস্থ্যসম্মত মাংস

উদ্বোধনের অপেক্ষায় রংপুরের আধুনিক কসাইখানা: নিশ্চিত হবে স্বাস্থ্যসম্মত মাংস

রংপুর নগরবাসীর জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত মাংস সরবরাহ নিশ্চিত করতে আধুনিক কসাইখানা (স্লটার হাউস) নির্মাণ করেছে সিটি করপোরেশন। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে নগরীর ট্রাক টার্মিনাল এলাকায় প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই কসাইখানাটি এখন উদ্বোধনের প্রহর গুনছে। বর্তমানে এখানে পরীক্ষামূলকভাবে পশু জবাই কার্যক্রম শুরু হয়েছে।সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, এই কসাইখানায় পশু জবাইয়ের জন্য রয়েছে পৃথক ইউনিট ও উন্নত পানি সরবরাহ ব্যবস্থা। এছাড়া মাংসের গুণমান ঠিক রাখতে জীবাণুনাশক সুবিধা, স্বাস্থ্যসম্মত সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা রাখা হয়েছে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এখানে পশু জবাইয়ের আগে বিশেষজ্ঞ দ্বারা স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করা হবে, ফলে অসুস্থ পশুর মাংস বাজারে আসার কোনো সুযোগ থাকবে না।মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে নবনির্মিত এই প্রকল্প পরিদর্শন করেন রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী ডন। তিনি বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে দেখেন এবং কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন,"পরীক্ষামূলকভাবে পশু জবাই শুরু হয়েছে। ঠিকাদার নিয়োগ ও পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থাপনা গুছিয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগছে। তবে অতিদ্রুত এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।"অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে পশু জবাই ও যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার দীর্ঘদিনের সমস্যা দূর করতে এই প্রকল্প বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রংপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নাজমুল হুদা জানান, উন্নত দেশের মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাংস প্রক্রিয়াজাত করা গেলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা আরও শক্তিশালী হবে। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন নগরবাসী। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল রহমান বলেন, "খোলা স্থানে জবাইয়ের ফলে যে দুর্গন্ধ ও পরিবেশ দূষণ হতো, আধুনিক কসাইখানা চালু হলে তা বন্ধ হবে।" রাশেদা বেগম নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, "নিরাপদ খাদ্য নিয়ে আমরা এখন অনেক সচেতন। এমন ব্যবস্থা চালু হলে আমরা নিশ্চিন্তে মাংস কিনতে পারব।"

রংপুরে হাঁড়িভাঙা আমের বাম্পার ফলন, লক্ষ্যমাত্রা ২৫০ কোটি টাকা

রংপুরে হাঁড়িভাঙা আমের বাম্পার ফলন, লক্ষ্যমাত্রা ২৫০ কোটি টাকা

রংপুরের ঐতিহ্য আর আভিজাত্যের প্রতীক 'হাঁড়িভাঙা' আমের স্বাদ নিতে অপেক্ষা আর মাত্র এক মাসের। জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্যের মর্যাদা পাওয়ার পর এবারই প্রথম বাজারে আসছে এই আম। অনুকূল আবহাওয়া আর বাম্পার ফলনে এবার রংপুর অঞ্চলে হাঁড়িভাঙা আমকে কেন্দ্র করে ২৫০ কোটি টাকারও বেশি বাণিজ্যের স্বপ্ন দেখছেন চাষি ও কৃষি কর্মকর্তারা।কৃষিবিদদের মতে, এ বছর হাঁড়িভাঙা আমের ‘অন ইয়ার’। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার ফলন অনেক বেশি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, "এবার গাছে প্রচুর আম ধরেছে। আমরা আশা করছি ২৫০ কোটিরও বেশি টাকার বাণিজ্য হবে।" জেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, এ বছর জেলায় প্রায় ৩ হাজার হেক্টরেরও বেশি জমিতে হাঁড়িভাঙার চাষ হয়েছে। প্রতি হেক্টরে ১০ থেকে ১২ টন ফলন হিসেবে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সাম্প্রতিক বৃষ্টি আম বড় ও রসালো হতে সাহায্য করেছে। যদিও শিলাবৃষ্টিতে কিছু বাগানের সামান্য ক্ষতি হয়েছে, তবে সার্বিক অবস্থা অত্যন্ত ইতিবাচক।আঁশবিহীন, পাতলা ছাল আর ছোট আঁটির এই আম মিষ্টি ও সুগন্ধে অনন্য। প্রতিটি আমের ওজন গড়ে ২০০ থেকে ৩০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়। ২০২৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি আমটি রংপুরের নিজস্ব জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে এর চাহিদা ও ‘ব্র্যান্ড ভ্যালু’ বহুগুণ বেড়েছে।কৃষিবিদ ও চাষিদের মতে, পরিপক্ব হাঁড়িভাঙা আমের আসল স্বাদ পেতে জুন মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। মিঠাপুকুরের আমচাষি নাজমুল ইসলাম জানান, বাগানগুলোতে এখন শেষ সময়ের পরিচর্যা চলছে। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পাইকারি ব্যবসায়ীরা এখনই যোগাযোগ শুরু করেছেন।সুজন-এর রংপুর জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ ফখরুল আনাম বেঞ্জু বলেন, "হাঁড়িভাঙা এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি বাগান থেকে আম সরবরাহের হারও বাড়ছে।" তবে আমটি দ্রুত পচনশীল হওয়ায় বিশেষ মালবাহী ট্রেন এবং আধুনিক হিমাগার স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় উদ্যোক্তারা।

১৫ তারিখের পর থেকেই বাজারজাত করা যাবে দিনাজপুরের লিচু

মধু মাসের আগাম বার্তা নিয়ে বাজারে আসতে শুরু করেছে রসালো ফল লিচু। তবে লিচু প্রেমীদের জন্য সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত খবর হলো, আগামী (১৫ মে) এর পর থেকেই পুরোদমে বাজারজাত করা যাবে উত্তরের জনপদ দিনাজপুরের সুস্বাদু ও সুমিষ্ট লিচু।কৃষি সংশ্লিষ্টরা জানান, অপরিপক্ক লিচু বাজারে আসা রোধ করতে এবং ক্রেতাদের গুণগত মানসম্পন্ন ফল পৌঁছে দিতে প্রতি বছরের মতো এবারও সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। দিনাজপুরের প্রধান অর্থকরী ফসল এই লিচু যেন রাসায়নিকমুক্ত এবং পরিপক্ক অবস্থায় মানুষের হাতে পৌঁছায়, সেটি নিশ্চিত করতেই (১৫ মে) পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে। গাছে গাছে গাঢ় সবুজ পাতার ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে হালকা সবুজ লিচুর গুটি । ছবি: হেল্প ডেক্সদিনাজপুরের বড় মাঠসহ বিভিন্ন অস্থায়ী বাজারগুলোতে এখন সাজসাজ রব। বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা লিচু পাড়ার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছেন। প্রথম পর্যায়ে বাজারে আসবে স্থানীয় জাতের ‘মাদরাজি’ লিচু। এরপর পর্যায়ক্রমে বোম্বাই, বেদানা এবং সবশেষে বিশ্বখ্যাত ‘চায়না-থ্রি’ লিচু বাজারে নামবে। লিচু বাজারজাতকরণ নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসন থেকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করাবে । দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লিচু দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিশেষ ট্রাক ও পরিবহনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া বাজারে ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা এবং লেনদেন সহজ করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও সতর্ক অবস্থানে থাকবে।বাগানিরা আশা করছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার দিনাজপুরের লিচু থেকে শতকোটি টাকার ব্যবসা হবে। তীব্র গরমের কারণে ফলের আকার কিছুটা ছোট হলেও স্বাদে কোনো কমতি হবে না বলে জানিয়েছেন চাষিরা।আগামী মঙ্গলবার থেকে বিপণিবিতানগুলো রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, তার ফলে ঈদ বাজারের পাশাপাশি মৌসুমী ফলের বাজারেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটা করতে পারবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

১৫ তারিখের পর থেকেই বাজারজাত করা যাবে দিনাজপুরের লিচু

রংপুরে কালবৈশাখী ঝড়ে হাঁড়িভাঙ্গা আমের ব্যাপক ক্ষতি

কালবৈশাখী ঝড়ে হাড়িভাঙ্গা আমের জন্য বিখ্যাত রংপুরের মিঠাপুকুরের খোড়াগাছ, পদাগঞ্জ ও বদরগঞ্জের শ্যামপুর আম বাগানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে ঘর-বাড়ির ক্ষতির পাশাপাশি ধান, ভুট্টা ও সবজি ক্ষেতেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) রাত ১২টার পর থেকে থেমে থেমে কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানে রংপুর জেলায়।রংপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১২ দশমিক  ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ঝড়ে বৃষ্টি কম হলেও বাতাসের বেগ ছিলো তীব্র (ঘণ্টায় ৪৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার)। যা সর্বোচ্চ ৩ মিনিট ছিল।ঝড়ে মিঠাপুকুরের খোড়াগাছ, পদাগঞ্জ ও বদরগঞ্জের শ্যামপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলের আম বাগানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আমগাছে আসা গুঁটি ঝরে গেছে। গাছের প্রায় ১৫-২০ ভাগ আম পড়ে গেছে। এরকম আর দুই চারদিন শিলা বৃষ্টি হলে এ বছর কাঙ্ক্ষিত আমের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।আমচাষিদের দাবি, কালবৈশাখী ঝড়ে গুঁটি আম ঝরে পড়েছে। এ রকম আর কয়েক দিন হলে এ বছর কাঙ্ক্ষিত আমের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।মিঠাপুকুরের খোরাগাছ ইউনিয়নে আম চাষি রাঙা মিয়া জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে আম গাছ উপরে পরে গেছে, ব্যাপক আম পড়েছে, এমনিতেই এবারে আম কম ধরেছে। কয়েক দফা কালবৈশাখী ঝড়ে বেশ আম পড়ে গেল। বদরগঞ্জ লালদিঘি আম চাষি বরকত আলী জানান, গাছের আম প্রায় পড়ে গেছে। এবারে বেশ লোকসান হবে।ঢাকা থেকে আগত আবদুল ওয়াহাব জানান, তিনি প্রতি বছর আম বাগান কেনেন, এবারও কিনেছেন কিন্তু এবারে অনেক টাকার ক্ষতির মুখোমুখি হতে হবে। কেননা অনেক গাছ পড়ে গেছে, আমও পড়ে গেছে। রংপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম কামরুল হাসান জানান, শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ঝড় হয়েছে। আগামী দু-একদিন রংপুর অঞ্চলে আরও ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুরের উপ-পরিচালক ওবায়দুর রহমান মন্ডল জানান, গুটি আম ঝড়বৃষ্টি হলে কিছু পড়ে যায়, এবারের কালবৈশাখী ঝড়ে হাঁড়িভাঙা আম পড়েছে। বড় ধরনের ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি।

রংপুরে কালবৈশাখী ঝড়ে হাঁড়িভাঙ্গা আমের ব্যাপক ক্ষতি

শিক্ষাঙ্গন

সকল জেলার খবর

 স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

আর্কাইভ

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি

টাকা ছাড়াই ইউটিউব প্রিমিয়াম সুবিধা, নতুন অফার আনছে গুগল

টাকা ছাড়াই ইউটিউব প্রিমিয়াম সুবিধা, নতুন অফার আনছে গুগল

ভিডিও দেখার সময় হঠাৎ বিজ্ঞাপন চলে আসা এখন অনেক ব্যবহারকারীর কাছেই বড় ধরনের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইউটিউবে গান শোনা, সিনেমা দেখা কিংবা পছন্দের কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ভিডিও উপভোগের মাঝপথে বিজ্ঞাপন চলে এলে দেখার অভিজ্ঞতা অনেকটাই নষ্ট হয়। এতদিন এই ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহারকারীদের আলাদা করে ইউটিউব প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন কিনতে হতো। তবে এবার নতুন সুবিধা নিয়ে এসেছে গুগল। প্রযুক্তি জায়ান্টটি তাদের এআইভিত্তিক পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত করেছে নতুন একটি অফার। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট সাবস্ক্রিপশন ব্যবহারকারীরা অতিরিক্ত অর্থ খরচ ছাড়াই বিজ্ঞাপনমুক্ত ইউটিউব দেখার সুযোগ পাবেন। মূলত গুগল এআই প্রো প্ল্যানের গ্রাহকদের জন্য বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে ইউটিউব প্রিমিয়াম লাইট সুবিধা।ইউটিউব প্রিমিয়াম লাইট হলো ইউটিউবের তুলনামূলক কম খরচের একটি সাবস্ক্রিপশন পরিষেবা। এটি এমন ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে, যারা নিয়মিত ভিডিও দেখেন কিন্তু পূর্ণাঙ্গ ইউটিউব প্রিমিয়াম প্ল্যানের জন্য অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে চান না।এই প্ল্যানে ব্যবহারকারীরা অধিকাংশ ভিডিও বিজ্ঞাপন ছাড়া দেখতে পারবেন। মোবাইল ফোন, স্মার্ট টিভি এবং ওয়েব প্ল্যাটফর্ম সব জায়গাতেই এই পরিষেবা ব্যবহার করা যাবে। ফলে ব্যবহারকারীরা আগের তুলনায় আরও স্বাচ্ছন্দ্যে ভিডিও উপভোগ করতে পারবেন।শুধু তাই নয়, কিছু ক্ষেত্রে ভিডিও ডাউনলোড করে অফলাইনে দেখার সুবিধাও থাকবে। ফলে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া পরবর্তী সময়ে ভিডিও উপভোগ করা সম্ভব হবে।নতুন আপডেট অনুযায়ী, গুগল এআই প্রো প্ল্যানের সাবস্ক্রাইবাররা অতিরিক্ত কোনো চার্জ ছাড়াই ইউটিউব প্রিমিয়াম লাইট সুবিধা পাবেন। এর ফলে সাধারণ ভিডিও দেখার সময় বিজ্ঞাপনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।বিশেষ করে যারা প্রতিদিন দীর্ঘ সময় ইউটিউব ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এই সুবিধা বেশ কার্যকর হতে পারে। কারণ বারবার বিজ্ঞাপন দেখার ঝামেলা কমে গেলে ভিডিও দেখার অভিজ্ঞতা আরও সহজ ও স্বস্তিদায়ক হবে।যদিও ইউটিউব প্রিমিয়াম লাইট অনেক ব্যবহারকারীর জন্য আকর্ষণীয় হতে পারে, তবুও এটি পূর্ণাঙ্গ ইউটিউব প্রিমিয়ামের বিকল্প নয়। এই প্ল্যানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচার অনুপস্থিত থাকবে।উদাহরণ হিসেবে, ইউটিউব শর্টস দেখার সময় এখনো বিজ্ঞাপন দেখা যেতে পারে। এছাড়া ইউটিউব মিউজিক প্রিমিয়াম সুবিধাও এতে অন্তর্ভুক্ত নয়। ফলে গান শোনার সময় কিংবা মিউজিক ভিডিও দেখার ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন পুরোপুরি বন্ধ হবে না।এ ছাড়া সার্চ পেজ এবং কিছু নির্দিষ্ট কনটেন্টেও বিজ্ঞাপন থাকতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ব্যাকগ্রাউন্ড প্লে সুবিধা সীমিত থাকবে। অর্থাৎ অন্য অ্যাপ ব্যবহার করার সময় সব ক্ষেত্রে ভিডিও বা অডিও চালু রাখা সম্ভব হবে না।বিশ্বজুড়ে এখন সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক ডিজিটাল পরিষেবার বাজার দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে। নেটফ্লিক্স, স্পটিফাই এবং ইউটিউবসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ইতোমধ্যেই বিজ্ঞাপনমুক্ত অভিজ্ঞতার জন্য আলাদা সাবস্ক্রিপশন সুবিধা চালু করেছে।তবে বাজার বিশ্লেষকদের মতে, অনেক ব্যবহারকারী এখন কম খরচে সীমিত সুবিধার প্ল্যান খুঁজছেন। গুগলের নতুন এই উদ্যোগ মূলত সেই চাহিদাকেই লক্ষ্য করে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এআইভিত্তিক পরিষেবার ব্যবহার বাড়ানো এবং ব্যবহারকারীদের ধীরে ধীরে প্রিমিয়াম পরিষেবার দিকে আকৃষ্ট করাও এই কৌশলের অংশ বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।বিশেষজ্ঞদের ধারণা, গুগল ভবিষ্যতে এআই পরিষেবার সঙ্গে আরও বিভিন্ন ডিজিটাল সুবিধা যুক্ত করতে পারে। এতে একদিকে যেমন ব্যবহারকারীরা অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন, অন্যদিকে গুগলও তাদের সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক ব্যবসা আরও শক্তিশালী করতে পারবে।যারা নিয়মিত ইউটিউবে ভিডিও দেখেন এবং বিজ্ঞাপনের ঝামেলা কমাতে চান, তাদের জন্য গুগল এআই প্রোর সঙ্গে পাওয়া ইউটিউব প্রিমিয়াম লাইট সুবিধা একটি নতুন ও আকর্ষণীয় বিকল্প হয়ে উঠতে পারে।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন