রংপুর    শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
জুফাস নিউজ
সর্বশেষ

জাতীয়

মতামতমতামত

আন্দোলন হয় রংপুরে, বাজেট যায় দক্ষিণে: এমপি আতিক মুজাহিদ

কুড়িগ্রাম-২ (সদর, রাজারহাট ও ফুলবাড়ি) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব ড. আতিক মুজাহিদ বলেছেন, আন্দোলন রংপুরে হলেও উন্নয়ন বাজেটের বড় অংশ দেশের দক্ষিণাঞ্চলে চলে যায়।আজ শুক্রবার(২৬জুন) সন্ধ্যায় রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে যুবশক্তির রংপুর বিভাগীয় সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।বাজেট বৈষম্য নিয়ে ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, ‘আপনারা শুনেছেন, অর্থমন্ত্রী অনেক কষ্ট, মায়া-দয়া করে বলেছে, রংপুর অঞ্চলের জন্য তিন হাজার কোটি টাকার একটা বাজেট রেখেছে। কিন্তু উন্নয়ন বাজেট বাংলাদেশের তিন লক্ষ ত্রিশ হাজার কোটি টাকা। সেখানে তিন হাজার কোটি টাকা কয় শতাংশ হয় ভাই? এক শতাংশ। দুই কোটির মানুষের জন্য এক শতাংশ বাজেট দিয়ে উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব?’তিনি  আরও বলেন, ‘এখন লোকে বলে আন্দোলন হয় রংপুরে, কিন্ত আমি বলতে চাই না, নিন্দুকেরা বলে বাজেট যায় দক্ষিণে। আমাদের অঞ্চলের মানুষকে দীর্ঘদিন পিছিয়ে রাখা হয়েছে। পিছিয়ে পড়া নয়, পিছিয়ে রাখা হয়েছে।’রংপুরে গ্যাস ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের অভাবের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমাদের এখানে গ্যাসও আসে না, শিল্প প্রতিষ্ঠানও আসে না। আমরা মঙ্গা আর বেকারই থেকে যাই।’রংপুরের উন্নয়নে ন্যায্য বরাদ্দ দাবি করে তিনি বলেন, দেশের আলু উৎপাদনের ৭২ শতাংশ এবং খাদ্য উৎপাদনের ৪০-৫০ শতাংশ রংপুর অঞ্চল থেকে আসে। এজন্য এই রাষ্ট্রের কাছে ন্যায়বিচারের জন্য রংপুর অঞ্চলের মানুষকে যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে।যুব শক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি তারিকুল ইসলাম বলেন, দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাজনৈতিক উদারতা দেখিয়ে আওয়ামী লীগকে দেশে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ১৩ দিনের মাথায় তাকে হত্যা করা হয়।তিস্তা মহা পরিকল্পনা প্রসঙ্গে বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কোন এখন পর্যন্ত পরিকল্পনা হয়নি। শুধু আশ্বস্ত করা হয়েছে। চায়না থেকে শুধু আশ্বস্ত করা হয়েছে যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা করা হবে। আমরা তো আশ্বস্ত অনেক আগে থেকেই শুনেছি। রিয়েলি বলেন কবে করতে চান তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ।যেমন একনীকে পদ্মা ব্যারেজ হয়েছে সেটি ছয় মাসের মধ্যে তার ফাংশনের কাজ হবে। কিন্তু মহা পরিকল্পনা বাস্তুবিনের কাজ কবে হবে সেটি সরকারকে জানিয়ে দেওয়া উচিত। একটা সময় সীমা দেওয়া দরকার তাহলে আমরা বুঝবো আপনাদের কথার সত্যতা আছে। তা না হলে মুলা ঝুলার মতো হবে। প্রতিনিয়তই নদী ভাঙছে। মানুষের আবাদি জমি ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে সরকার এসব দেখছে না।প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে একাকী রেখে নির্যাতন করা হয়েছিল। কিন্ত আপনি যেভাবে এই বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের ফিরে আসার রাস্তা ওপেন রেখেছেন তা আপনাদের করুণ পরিণতি ডেকে আনবে।রংপুর জেলা জাতীয় যুবশক্তির আহবায়ক রাকিবুল হাসান তৌফিকের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন যুব শক্তির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মাসুম বিল্লাহ, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুজ্জামান বাবু, মহানগর এনসিপির সদস্য সচিব আব্দুল মালেকসহ এনসিপি, জাতীয় যুবশক্তি ও ছাত্রশক্তির রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলার নেতারা।সমাবেশ শেষে রাতে নগরীতে মাদকবিরোধী একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মহানগর যুবশক্তির সংগঠক মোতাওয়াক্কিল বিল্লাহ শাহ ফকির।

১৮ বছরের নিচে তামাক ও নিকোতিন পণ্য বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিন্ধ। পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহন ধূমপান এবং ধোয়াাবহীন তামাক সেবন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে শাস্তি ও জরিমানার পরিমাণও বৃদ্ধি করা হয়েছে; প্রধানমন্ত্রী

তামাক ও নিকোটিনের মরণঘাতী প্রভাব থেকে শিশু-কিশোরসহ দেশের আগামী প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে সরকার সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (৩১ মে) ‘বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে তিনি এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।এবারের দিবসের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘প্রলোভনের মুখোশ উন্মোচন করি, তামাক ও নিকোটিনের আসক্তি প্রতিরোধ করি’।প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শিশু-কিশোরসহ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাংলাদেশ ২০০৩ সালে এফসিটিসিতে স্বাক্ষর, ২০০৪ সালে অনুসমর্থন এবং ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে। পরবর্তী সময়ে এই আইনকে আরো শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় সংশোধনও আনা হয়েছে।তিনি বলেন, তামাকে বিদ্যমান নিকোটিন মারাত্মক আসক্তি সৃষ্টি করে। বিড়ি, সিগারেট, ই-সিগারেট, জর্দা, গুলসহ যেকোনো তামাক ও নিকোটিনজাত পণ্যের ব্যবহার হৃদরোগ, স্ট্রোক, বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার এবং ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি রোগসহ অসংক্রামক রোগের অন্যতম প্রধান কারণ।তিনি আরো বলেন, তামাকের প্রলোভন থেকে শিশু-কিশোরদের সুরক্ষার লক্ষ্যে তামাকজাত দ্রব্যের সকল প্রকার বিজ্ঞাপন, প্রচারণা ও প্রমোশন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া, ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, অ্যাপস, ওটিটি প্ল্যাটফরম, নাটক-সিনেমাসহ সব মাধ্যমেই তামাকের প্রচারণা নিষিদ্ধ।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার (সিএসআর) আড়ালে তামাক কম্পানির প্রচার-প্রচারণাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশু পার্কের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ১৮ বছরের নিচে তামাক ও নিকোটিন পণ্য বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে ধূমপান এবং ধোঁয়াবিহীন তামাক সেবন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে শাস্তি ও জরিমানার পরিমাণও বৃদ্ধি করা হয়েছে।তারেক রহমান বলেন, নতুন বিধি-বিধানের কার্যকর বাস্তবায়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তামাকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এখন সময়ের দাবি। জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও সরকারের সমন্বিত উদ্যোগে একটি সুস্থ, কর্মক্ষম ও তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যের বরাত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশ অসংক্রামক রোগে ঘটে, যার একটি প্রধান ঝুঁকির কারণ তামাক ও নিকোটিনের ব্যবহার। টোব্যাকো এটলাস ২০২৫ অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিবছর তামাকজনিত রোগে ১ লাখ ৯৯ হাজারের বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করে।এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের গবেষণার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, তামাক ব্যবহারের ফলে স্বাস্থ্য ব্যয়, পরিবেশগত ক্ষতি ও উৎপাদনশীলতা হ্রাসসহ দেশের অর্থনীতিতে বার্ষিক ক্ষতির পরিমাণ ৮৭ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

আমার এত দল পরিবর্তন করার শখ নেই; আমার পল্টি দেওয়ার অভ্যাসও নেই

ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষে পুরোদমে রাজনীতিতে সময় দিতে চান বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন দল পরিবর্তনের কোনো ইচ্ছা তার কোনোকালেই ছিল না এবং ভবিষ্যতেও নেই। বর্তমানে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা কিংবা নিষিদ্ধ থাকলেও এই অবস্থা চিরস্থায়ী হবে না বলেই বিশ্বাস করেন সাকিব আল হাসান।বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে নিজের রাজনৈতিক দর্শন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সোজাসাপ্টা কথা বলেন তিনি।দলের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতা নিয়ে সাকিব বলেন, ‘আমার এত দল পরিবর্তন করার শখ নেই। আমি যখন ছোট কোনো দলেও খেলেছি, সেই দলের প্রতি অনুগত ছিলাম। আমার পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই।’ আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আজীবন কি কেউ কাউকে নিষিদ্ধ করে রাখতে পারে? এটা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার।জোর করে কিছুদিন দমিয়ে রাখা সম্ভব হলেও তাতে দেশের বা রাজনীতির কোনো উন্নতি হয় না।’সাবেক এই সংসদ সদস্য রাজনীতিতে প্রতিহিংসার সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া উচিত উল্লেখ করে বলেন, ‘যদি আমরা আগে ভুল করে থাকি এবং এখন সেটির পুনরাবৃত্তি হয়, তবে এই খেলা চলতেই থাকবে। কাউকে না কাউকে এই ধারা শেষ করতে হবে। যে দল এটি শেষ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে, তারাই মানুষের মনে জায়গা করে নেবে।সাকিব বলেন, ‘আমার শতভাগ বিশ্বাস আছে, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে মাগুরার মানুষ আমাকে আবারও ভোট দেবে। আমি তো এবারের (অন্তর্বর্তী সরকার পরবর্তী সম্ভাব্য) নির্বাচনেও অংশ নিতে আগ্রহী ছিলাম। ভেবেছিলাম ভোটে দাঁড়িয়েই নিজের জনপ্রিয়তা দেখিয়ে দেব। কিন্তু পারিপার্শ্বিকতা ও দলের সিদ্ধান্তের কারণে তা সম্ভব হয়নি।’পুরোপুরি আশা আছে যে আমি দ্রুতই দেশে ফিরব উল্লেখ করে সাকিব আল হাসান বলেন, ‘আমি আইনের মুখোমুখি হতে চাই, কিন্তু আমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।আমি বিশেষ কোনো প্রটোকল চাচ্ছি না, শুধু সাধারণ নাগরিক হিসেবে আইনি প্রক্রিয়া চলাকালীন হয়রানি না করার নিশ্চয়তা চাই। এই নিশ্চয়তা কাল দেওয়া হলে আমি পরশুই দেশে ফিরব।’২০২৪ সালের জানুয়ারিতে মাগুরা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া সাকিবের সংসদীয় মেয়াদ ছিল মাত্র সাত মাস। ৫ আগস্টের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা সাকিবের নামে বর্তমানে হত্যা মামলাসহ চেক জালিয়াতি ও শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারির মামলা রয়েছে। এসব মামলাকে আইনিভাবে মোকাবেলা করতে চাইলেও দেশে ফেরার ক্ষেত্রে মূল বাধা হিসেবে তিনি ‘নিরাপত্তাহীনতা’ ও ‘হয়রানি’কে দেখছেন।

অনিয়মে জর্জরিত ‘ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স’, ঝুঁকিতে ব্যান্ডউইথ নিরাপত্তা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একে একে আইআইজি, আইটিসি, আইজিডব্লিউসহ ইন্টারনেট-টেলিকম খাতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স দখলে নেয় আওয়ামী সুবিধাভোগী এ প্রতিষ্ঠান। এসব লাইসেন্স অর্জনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি), দেশের অভ্যন্তরের আইটিসি প্রতিষ্ঠান এবং এয়ারটেল ও টাটার মতো শীর্ষ ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ওয়ান এশিয়ার মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকারও বেশি। বিটিআরসির কাছেই এর বকেয়া প্রায় ৪ কোটি টাকা। বিএসসিসিএল-এর কাছে রয়েছে আরও ১ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে টেলিকম জায়ান্ট এয়ারটেল তাদের ১৩ কোটি টাকার এবং টাটা ৫ কোটি টাকার বকেয়া দাবি করছে। এদিকে বকেয়া আদায়ে নানাভাবে চেষ্টা করে না পেয়ে ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স-এর বিরুদ্ধে বিএসসিপিএলসি ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘আরবিট্রেশন মামলা’ দায়ের করে। এর রায়ে তারা জয়ী হয়। সেই রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাওয়ার্ড এক্সিকিউশন মামলা’ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যেন লাইসেন্স বাতিল না হয় এবং তাদের ব্যবসা চালু রাখা যায়। ইতোমধ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তারা এনওসিও নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসির একটি সূত্র।ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স একসময় আইআইজি, আইটিসি ও আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নিয়ে টেলিকম বাজারে প্রবেশ করলেও সময়ের সঙ্গে শর্ত লঙ্ঘন করে একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মালিকানাধীন বেঙ্গল ব্রডব্যান্ড ২০১৬ সালে ডিভিশনাল আইএসপি লাইসেন্স পেলেও নবায়ন না করেই বর্তমানে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এর মালিকানাধীন প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের রয়েছে ন্যাশন ওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার মোবালইল ফোনে কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ওয়ান এশিয়া অ্যালায়ন্সের মূল প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসফারিয়া খায়েরের সঙ্গে। তবে তিনি সাড়া দেননি। পরে পুনরায় চেষ্টা করলে দেখা যায়, তিনি প্রতিবেদকের নম্বরই ব্লক করে দিয়েছেন।বিটিআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্সকে মোট বকেয়ার ৫০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ এবং বাকি অংশ কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে এনওসি প্রদান করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে তিনি জানান।ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, আইএসপি সেক্টরের সেবাদান নির্ভর করে আইআইজি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারীদের ওপর। কেউ যদি কোটি টাকা বকেয়া রেখে অনিয়ম করে, তা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের জন্য হুমকি। তবে নেপথ্যে যদি নীতিগত বা কাঠামোগত কোনো সমস্যা থাকে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা জরুরি। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া বা নীতিগত ব্যত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন তাগাদা দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পাওনা পরিশোধ করেনি, চিঠির জবাবও দেয়নি। এখন তাদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মামলা করেছি।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই, ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করুক, গ্রাহকদের সেবা দিক। কিন্তু সরকারের পাওনা পরিশোধ না করে কেউ যদি অনিয়মে জড়ায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৫ আগস্ট ২০২৬, ০২:৪৩ পিএম
তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান তিনি বলেছেন সাকিব ভালো মানের খেলোয়াড় হলেও তিনি একজন নষ্ট ও পচে যাওয়া মানুষ আপনি কি একমত?

তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান তিনি বলেছেন সাকিব ভালো মানের খেলোয়াড় হলেও তিনি একজন নষ্ট ও পচে যাওয়া মানুষ আপনি কি একমত?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

বর্ণিল সাজে কারমাইকেল কলেজের প্রাণীবিদ্যা বিভাগ, নবীনবরণের প্রস্তুতি

মুক্তি পেল উত্তরবঙ্গের তরুণ শিল্পী জনির ‘তোমায় ছাড়া বাঁচে না জীবন’

জুফাস নিউজের সূত্রে তিস্তাপাড়ের বানভাসিদের পাশে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিল 'তারুণ্যের আলো সেবা সংঘ'

তারাগঞ্জে মহাসড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার: পরিচয় শনাক্তে প্রশাসনের আকুতি

বোদায় দেড় কোটি টাকার উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের মুখে ইউএনও

লাশ দাহ করতে যাচ্ছিলেন স্বজনরা, পথে সাপ দেখে শুরু হলো ‘ঝাড়ফুঁক’

সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিককে হুমকি

ডিমলায় ঠিকাদারকে প্রাণনাশের হুমকি ও চাঁদাবাজি, এলাকায় উত্তেজনা

তারাগঞ্জে নিখোঁজের পরদিন পাটক্ষেতে মিলল ৯ বছরের শিশুর মরদেহ, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

১০

জলঢাকায় ৮ম শ্রেণির ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু: নেপথ্যে বখাটেদের হামলা ও পারিবারিক নির্যাতন

জনপ্রিয় সব খবর

জিয়াউর রহমান থেকে মির্জা ফখরুল, বিএনপির আমলে রাষ্ট্রপতি যারা

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু ২ সেপ্টেম্বর, ক্লাস ২৩ সেপ্টেম্বর

২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

কিশোরগঞ্জে হাফেজ যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু, ঘর থেকে গলিত মরদেহ উদ্ধার

৩ মাসের প্রশিক্ষণ শেষে ৫০ নারীর হাতে সেলাই মেশিন

তারাগঞ্জে শ্যামলী পরিবহনের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক নিহত, হাসপাতালে ২

সৈয়দপুরে মিনিবাসে চোরাই মদের চালান জব্দ: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার ৩

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শেষে বিএনপির নেতৃত্ব পুনর্গঠন, মন্ত্রিসভায় রদবদল?

মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও দুই নতুন মুখ

১০

বালিয়াডাঙ্গীতে ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার

সর্বশেষ সব খবর

 রাজনীতি রাজনীতি

জিয়াউর রহমান থেকে মির্জা ফখরুল, বিএনপির আমলে রাষ্ট্রপতি যারা

জিয়াউর রহমান থেকে মির্জা ফখরুল, বিএনপির আমলে রাষ্ট্রপতি যারা

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিএনপির সঙ্গে রাষ্ট্রপতি পদটির সম্পর্ক দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল। দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে দায়িত্ব পালন করা বিভিন্ন রাষ্ট্রপতির পথচলায় দেশের রাজনৈতিক পালাবদলের নানা অধ্যায় জড়িয়ে আছে।১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমের পদত্যাগের পর রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন জিয়াউর রহমান। ১৯৭৮ সালে সরাসরি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ১ সেপ্টেম্বর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন। তবে ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে একদল সেনা কর্মকর্তার অভ্যুত্থানে তিনি শহীদ হন।জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর উপ-রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। পরে ১৯৮১ সালের নির্বাচনে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। কিন্তু ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সামরিক অভ্যুত্থানে তার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়।১৯৯১ সালে বিএনপি আবার ক্ষমতায় ফেরার পর সংসদীয় শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তিত হয়। এ সময় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন বিএনপি নেতা আবদুর রহমান বিশ্বাস। তিনি এর আগে জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় পাটমন্ত্রী এবং আবদুস সাত্তারের সরকারে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় এলে রাষ্ট্রপতি হন দলটির প্রতিষ্ঠাকালীন মহাসচিব এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। ১৪ নভেম্বর তিনি শপথ নেন। তবে বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক দূরত্ব তৈরি হলে ২০০২ সালের ২১ জুন তিনি পদত্যাগ করেন। পরে তিনি বিকল্পধারা বাংলাদেশ নামে নতুন দল গঠন করেন।বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের পর জাতীয় সংসদের স্পিকার জমিরউদ্দিন সরকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সালের ২১ জুন থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্বে ছিলেন।এরপর রাষ্ট্রপতি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ। তিনি বিএনপির নেতা ছিলেন না। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সংসদের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২০০২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব নেন। ২০০৬ সালের রাজনৈতিক সংকটে রাষ্ট্রপতির পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করেন। পরে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারি হয়।এরপর দীর্ঘ সময় পর রাষ্ট্রপতি পদে আসে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়। ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে বিএনপির নেতৃত্বে পঞ্চমবারের মতো সরকার গঠন করেন।আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ মেয়াদে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল থেকে দায়িত্বরত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৬ সালের ২৪ জুলাই পদত্যাগের পর সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। এরপর ২০ আগস্ট ২০২৬ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হন। সংসদে অনুষ্ঠিত ভোটে তিনি ২৫৫ ভোট পান। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট।জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রপতি হওয়া থেকে শুরু করে মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া পর্যন্ত এই ধারাবাহিকতা শুধু বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাস নয়, বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও ক্ষমতার পালাবদলেরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিচ্ছবি।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শেষে বিএনপির নেতৃত্ব পুনর্গঠন, মন্ত্রিসভায় রদবদল?

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শেষে বিএনপির নেতৃত্ব পুনর্গঠন, মন্ত্রিসভায় রদবদল?

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পরেই বিএনপির দলীয় কাঠামো, মন্ত্রিসভা এবং সংসদীয় রাজনীতিতেও পরিবর্তন আসতে পারে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়ায় তার ছেড়ে দেওয়া দলীয় ও সরকারি দায়িত্বে কে আসছেন, তা নিয়ে ইতোমধ্যে বিএনপি এবং সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।দলীয় সূত্রের দাবি, আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পরপরই বিএনপির সাংগঠনিক পুনর্গঠন প্রক্রিয়া দৃশ্যমান হতে পারে। একই সময়ে মন্ত্রিসভায়ও সীমিত পরিসরে রদবদল এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এসব পরিবর্তনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপরই নির্ভর করছে।ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নিয়ে রিজভীকে ঘিরে আলোচনামির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে বিএনপির মহাসচিব পদটি শূন্য হবে। এই পদে তাৎক্ষণিকভাবে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, তা নিয়ে দলের ভেতরে একাধিক নাম আলোচনায় থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে সদ্য জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হওয়া রুহুল কবির রিজভীর নাম।বিএনপির একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর রিজভীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, দলীয় কার্যালয় পরিচালনা, রাজনৈতিক কর্মসূচি ও গণমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন রিজভী। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।ফলে অন্তর্বর্তী সময়ে তাকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করা হলে দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে বড় ধরনের ছন্দপতন হবে না—এমনটাই মনে করছেন দলের একাংশের নেতারা।তবে স্থায়ীভাবে পরবর্তী মহাসচিব কে হবেন, সেই প্রশ্নে আলোচনার পরিধি আরও বড়। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ও ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেনের নাম এ ক্ষেত্রে আলোচনায় রয়েছে। দলীয় পুনর্গঠনের পর আগামী কাউন্সিলে মহাসচিব পদে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে বলেও আলোচনা রয়েছে।রিজভীকে স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাদের কাজ করার জন্য নতুন করে স্থায়ী কমিটিতে যুক্ত করেছেন। এ জন্য তিনি দলের চেয়ারম্যানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, দেশের ও দলের জন্য তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদেও পরিবর্তনের আভাসমহাসচিব পদে পরিবর্তনের পাশাপাশি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদেও পরিবর্তনের আলোচনা রয়েছে। বর্তমানে যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে থাকা হাবিব উন নবী খান সোহেল ও আব্দুস সালাম আজাদের নাম এ পদে আলোচনায় রয়েছে।একই সঙ্গে দপ্তর সম্পাদক পদেও নতুন মুখ আনার আলোচনা রয়েছে। এ পদে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, রকিবুল ইসলাম বকুল, আজিজুল বারী হেলাল, কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, মুনির হোসেন, আবদুল লতিফ জনি এবং এবিএম মোশাররফ হোসেনের নাম আলোচনায় রয়েছে।স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনামির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে তার হাতে থাকা স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও পরিবর্তন আসবে। আর এই পরিবর্তনকে ঘিরেই সরকারের ভেতরে সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে।সরকারের উচ্চপদস্থ দু’জন কর্মকর্তা জানান, মির্জা ফখরুল ইসলাম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে সরকারের ছয় মাসের কাজ পর্যালোচনা করে কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। তবে, রাষ্ট্রপতির শপথের আগে বড় ধরনের মন্ত্রিসভা রদবদলের সম্ভাবনা কম।দলীয় একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে সালাহউদ্দিন আহমদের নাম। বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা এই নেতাকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে আনা হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নতুন একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক নেতাকে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টিও সামনে আসতে পারে।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্ভাব্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির নাম জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে। পাশাপাশি ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম বকুলের নামও আলোচনায় রয়েছে।আরও কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে রদবদলের আলোচনামন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য রদবদলের আলোচনায় শুধু স্থানীয় সরকার ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ই নয়, পররাষ্ট্র, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের নামও রয়েছে।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার নাম আলোচনায় রয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়েও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা রয়েছে। বর্তমান প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতকে এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে।এ ছাড়া সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আসতে পারেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, জয়নুল আবদিন ফারুক, শামসুজ্জামান দুদুসহ আরও কয়েকজন নেতা। কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলের নামও মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।শরিকদেরও মন্ত্রিসভায় জায়গা দেওয়ার সম্ভাবনাবিএনপির সঙ্গে দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে থাকা মিত্র ও শরিক দলগুলোর কয়েকজন নেতাকেও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে।এ ক্ষেত্রে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক ও  লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য বিএলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম নাম আলোচনা রয়েছে। গত ২০ জুলাই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিএনপি ও তাদের মিত্র-শরিক রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ওই বৈঠকে দেশের সামগ্রিক পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় শরিকদের সহযোগিতা কামনা করা হয়। সেই প্রেক্ষাপটে মন্ত্রিসভায় শরিকদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর বিষয়টিও রাজনৈতিক আলোচনায় নতুন মাত্রা পেয়েছে।সংসদ উপনেতা নিয়েও হিসাবরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে মির্জা ফখরুলের ঠাকুরগাঁও-১ আসনও শূন্য হবে। ফলে সেখানে উপনির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তার পরিবারের সদস্যদের নাম নিয়েও আলোচনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি।একই সঙ্গে সংসদ উপনেতা কে হবেন, সেটিও পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ পদে বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রবীণ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও সালাহউদ্দিন আহমদের নাম আলোচনায় রয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, পুনর্গঠন বা রদবদল দল ও সরকারের ক্ষেত্রে রুটিন ওয়ার্ক। প্রয়োজনের তাগিদেই পুনর্গঠন বা রদবদল করা হয়। সরকারপ্রধান প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলে তিনিই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে সে ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্তদের কার্যসম্পাদনের মূল্যায়নও বিবেচনায় নেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের জবাবে যা বললেন আসিফ মাহমুদ

প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের জবাবে যা বললেন আসিফ মাহমুদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যার সমাধান হবে। এসময় তিনি এ সংকটের জন্য দেশবাসীর কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছেন এবং সবাইকে ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানান।এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুইদিন আগে একটি রাজনৈতিক দলের সদস্যরা হারিকেন সামনে নিয়ে বসে প্রতিবাদ করছে- ‘গ্যাস-বিদ্যুৎ দে’। কিন্তু তাদের পেছনে চলছে ফ্যান। বাতাস খাচ্ছে আর সামনে বলছে, ‘বিদ্যুৎ চাই’। এই হচ্ছে তাদের হঠকারিতা।প্রধানমন্ত্রীর এ মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের গতকালকের কর্মসূচির সমালোচনা করে বললেন, সামনে হারিকেন নিয়ে বসে আছে, পেছনে তাদের ফ্যান চলছে।’প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি ফ্যান আর মাইক জেনারেটর দিয়ে চলছিল। কর্মসূচি চলাকালে ঐ এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না অধিকাংশ সময়।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রংপুর জেলা কমিটির শপথ গ্রহণ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রংপুর জেলা কমিটির শপথ গ্রহণ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রংপুর জেলা শাখার ২০২৭-২৮ মেয়াদে নবগঠিত জেলা কমিটির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে নগরীর সিটি বাজারস্থ জেলা কার্যালয়ে শপথ গ্রহণ করেন সভাপতি পদে এটিএম গোলাম মোস্তফা বাবু, সহ-সভাপতি পদে মাওলানা মোঃ হিফজুর রহমান, মাওলানা মোঃ আশরাফ আলী, মুহা. গোলজার হোসেন, সেক্রেটারী পদে মুহা. মাহমুদুর রহমান রিপন সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ডাঃ মোঃ সাইফুর রহমান, সহ-সম্পাদক পদে মোঃ মোস্তাকিম সম্রাট, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ জাহিদ হোসেন, মুহা. সাদ্দাম হোসেন, মুহা. লিয়াকত বিন সিদ্দিক, প্রচার সম্পাদক পদে মোঃ জিলকাদুল ইসলাম সোহাগ, দপ্তর সম্পাদক পদে মোঃ গোলাম মোস্তফা, অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মোঃ জাবের চৌধুরী জুয়েল, প্রশিক্ষণ সম্পাদক পদে মাওলানা আতাউর রহমান হামেদী, দাওয়াত ও জনশক্তি সম্পাদক পদে মোঃ আরিফ হোসাইন, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক পদে অ্যাড. সালেকুর রহমান, ছাত্র ও মহিলা ইউনিট সম্পাদক পদে মাওলানা মুহা. হযরত আলী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মোঃ মোক্তার হোসেন, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক পদে মোঃ সাইফুল ইসলাম, নির্বাচন ও জন নির্বাচনী সম্পাদক পদে মোঃ একরামুল হক, সহ-প্রচার সম্পাদক পদে মোঃ হাবিবুর রহমান মন্ডল, সহ-দপ্তর সম্পাদক পদে মোঃ রিয়াজুল ইসলাম, সহ-অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মোঃ জয়নাল আবেদীন, সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক পদে মাও: মোঃ আমিনুল ইসলাম, সহ-দাওয়াত ও জনশক্তি সম্পাদক পদে মোঃ আতাউর রহমান, কার্যকরী সদস্য পদে মোঃ আলতাব হোসেন, মাও: মোঃ বেলাল হোসেন, মোঃ রফিকুল ইসলাম ও মোঃ আনিচুর রহমান।শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দরা বলেন, দায়িত্ব কোনো ব্যক্তিগত মর্যাদা বা পদ-পদবির বিষয় নয়; এটি একটি আমানত। আল্লাহ তায়ালা প্রত্যেক দায়িত্বশীলকে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন। তাই সংগঠনের দায়িত্বশীলদের ইখলাস, তাকওয়া, আমল, সততা ও আমানতদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তাদের ব্যক্তিগত জীবন হতে হবে আদর্শিক ও আমলনির্ভর। দাওয়াত, সংগঠন পরিচালনা, জনকল্যাণ ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি নিজেদের চরিত্র ও আমলকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে সমাজে ইসলামের সৌন্দর্য তুলে ধরতে হবে। কোনো দায়িত্বশীল যেন দায়িত্বকে ব্যক্তিস্বার্থ বা পদ-পদবির মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ না করেন-এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।নবনির্বাচিত দায়িত্বশীলরা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আদর্শ, নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে নিষ্ঠা, সততা, আমানতদারি ও ত্যাগের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...

প্রিয় সৈয়দপুর

সৈয়দপুরে মিনিবাসে চোরাই মদের চালান জব্দ: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার ৩

সৈয়দপুরে মিনিবাসে চোরাই মদের চালান জব্দ: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার ৩

যাত্রীবাহী বাসের আড়ালে অবৈধ মাদকের কারবার চালাতে গিয়ে শেষ রক্ষা হলো না পাচারকারীদের। নীলফামারীর সৈয়দপুরে একটি যাত্রীবাহী মিনিবাসে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ চোরাই মদসহ তিন পাচারকারীকে হাতেনাতে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সৈয়দপুর উপজেলার রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কে অবস্থিত ‘ইকো পেট্রোল পাম্প’ এলাকায় বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে এই সফল অভিযান চালানো হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদকের একটি চালান মিনিবাসে করে মহাসড়ক অতিক্রম করছে—এমন গোপন খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি দল ইকো পেট্রোল পাম্পের সামনের সড়কে অবস্থান নেয়। সন্দেহভাজন মিনিবাসটি পৌঁছালে সংকেত দিয়ে সেটিকে থামানো হয়।পরবর্তীতে বাসটিতে তল্লাশি চালিয়ে সিটের নিচে ও বিশেষ কায়দায় সুকৌশলে লুকিয়ে রাখা অবৈধ চোরাই মদ উদ্ধার করা হয়। জালিয়াতির মাধ্যমে মাদক বহনের অপরাধে তাৎক্ষণিকভাবে তিনজনকে আটক করা হয় এবং পাচারে ব্যবহৃত মিনিবাসটি জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়।আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। সৈয়দপুরে মাদকের রুট বন্ধে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়:"সীমান্তবর্তী ও মহাসড়ক কেন্দ্রিক মাদকের বিস্তার রোধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বহাল রয়েছে। মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এ ধরনের ঝটিকা অভিযান ও চেকপোস্ট তল্লাশি নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।"

১৯ আগস্ট ২০২৬

 বানিজ্য বানিজ্য

হিলি বাজারে বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম, বিপাকে ক্রেতারা

হিলি বাজারে বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম, বিপাকে ক্রেতারা

টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে কাঁচা মরিচের খেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দিনাজপুরের হিলিতে তীব্র সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় খুচরা পর্যায়ে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম কেজিপ্রতি ১২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।রোববার হিলি বাজার ঘুরে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটির কেনাবেচায় মারাত্মক মন্দাভাব লক্ষ্য করা গেছে।পূর্বে ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া কাঁচা মরিচ বর্তমানে বাজারে ২৮০ টাকা দরে কিনতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের। বাজারে হাতে গোনা কয়েকটি দোকানে স্বল্প পরিমাণ কাঁচা মরিচ পাওয়া গেলেও অতি চড়া দামের কারণে সাধারণ ও নিম্ন আয়ের ক্রেতারা চরম বিপাকে পড়েছেন। চাহিদার তুলনায় যোগান অপ্রতুল হওয়ায় স্থানীয় খুচরা বিক্রেতারাও বেশি দামে পাইকারি বাজার থেকে পণ্য সংগ্রহ করতে বাধ্য হচ্ছেন।ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বিভিন্ন মোকামে অতিবৃষ্টির কারণে মরিচখেত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আড়তে কাঁচা মরিচের চালান পৌঁছাচ্ছে না। এর ফলে প্রতিযোগী পাইকারি বাজারে উচ্চমূল্যে মরিচ কেনাবেচা হচ্ছে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে স্থানীয় খুচরা বাজারে।তবে ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পুনরায় কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হলে বাজারে পণ্যের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে এবং দ্রুতই দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নেমে আসবে।

২৬ জুলাই ২০২৬

কৃষকের জানালা

পঞ্চগড়ের বোদায় ৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ, উপকৃত ৫ হাজার ৮৯০ কৃষক

পঞ্চগড়ের বোদায় ৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ, উপকৃত ৫ হাজার ৮৯০ কৃষক

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় ৫ হাজার ৮৯০ জন কৃষকের মাঝে প্রায় ৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকার কৃষি ঋণ মওকুফের সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রত্যেক কৃষকের হাতে পাঁচটি করে মোট ২৯ হাজার ৪৫০টি ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। ব্যতিক্রমধর্মী এ আয়োজনকে ঘিরে কৃষকদের মাঝে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে বোদা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বোদা মডেল পাইলট সরকারি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে কৃষি ঋণ মওকুফ সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে কয়েক হাজার কৃষক অংশগ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে স্থানীয় শিল্পীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং রাজশাহী থেকে আগত শিল্পীদের গম্ভীরা পরিবেশনের মাধ্যমে কৃষকবান্ধব বিভিন্ন সরকারি উদ্যোগ, কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডসহ উন্নয়ন কার্যক্রম তুলে ধরা হয়।জেলা প্রশাসক মোসাঃ শুকরিয়া পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার আবু সাইম, বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহেমদ রাশেদ উন নবী এবং বোদা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দিল রেজা ফেরদৌস চিন্ময়সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তারা।প্রধান অতিথি অনুষ্ঠানে ৫ হাজার ৮৯০ জন কৃষকের হাতে প্রায় ৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকার কৃষি ঋণ মওকুফের সনদ তুলে দেন। পাশাপাশি প্রত্যেক কৃষককে পাঁচটি করে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা প্রদান করা হয়। সব মিলিয়ে ২৯ হাজার ৪৫০টি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে কৃষকদের অংশগ্রহণে হাঁস ধরা, কলাগাছ খেলা, দড়ি টানাটানিসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। এসব আয়োজনে অংশ নিয়ে কৃষকরা আনন্দ-উৎসবে মেতে ওঠেন। ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগে উপস্থিত কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়।

হাঁড়িভাঙ্গা আম ঘিরে জমজমাট পদাগঞ্জ হাট

হাঁড়িভাঙ্গা আম ঘিরে জমজমাট পদাগঞ্জ হাট

রংপুরের ঐতিহ্য ও গৌরবের প্রতীক হাঁড়িভাঙ্গা আম বাজারে এসেছে। প্রতিবছরের মতো এবারও জুনের মাঝামাঝি সময়ে এই রসালো ও সুস্বাদু আমের আনুষ্ঠানিক বিক্রি শুরু হয়েছে।সোমবার (১৫ জুন) থেকে সরকারিভাবে রংপুরের বিখ্যাত হাঁড়িভাঙ্গা আম বাজারজাতকরণ শুরু হয়। প্রথম দিনেই রংপুরের বিখ্যাত আম বাণিজ্যের কেন্দ্রস্থল পদাগঞ্জ হাটসহ বিভিন্ন বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।আমবাগানের মালিক, আমের ফড়িয়া, বাগানের পরিচর্যায় নিয়োজিত ব্যক্তি, মৌসুমি আম বিক্রেতা, অনলাইনে আম বিক্রেতা, পরিবহন ব্যবসায়ী, কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবসায়ী সবাই যে যার মতো করে আম কেনা-বেচায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী পরিপক্ব হওয়ার আগেই এক সপ্তাহ আগে থেকেই এই আম বিক্রি শুরু করেছেন।চাষি ও স্থানীয় পাইকারি বিক্রেতাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মান ও আকারের ওপর ভিত্তি করে প্রতি মণ বড় সাইজের আমের দাম এখন ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকা এবং মাঝারি সাইজের প্রতি মণ আম ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ পাইকারি মূল্যে প্রতি কেজি আমের দাম পড়ছে ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা।তবে খুচরা বাজারে বড় সাইজের আম বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, আর মাঝারি সাইজের আম বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত।স্থানীয় আমচাষি মেহেদী হাসান জাগো নিউজকে বলেন, ‘নিজস্ব পাঁচ বিঘা জমিতে এবার আম চাষ করেছেন। টানা বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে ফলন কম হয়েছে। সেইসঙ্গে আমের গায়ের কালারও পরিবর্তন হয়েছে। গত বছর শুরুতে যে আমের মণ ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত ছিল, এবার সেই আমের দাম কমে ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।’পদাগঞ্জ এলাকার আমচাষি মোসাব্বির বকসি বলেন, ৮ একর জমিতে আমের চাষ করেছি। শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে বাগানের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। এখন যে দামে বিক্রি হচ্ছে তাতে আশানুরূপ লাভ হবে না। তবে দিন গড়ালে দাম আরও বাড়তে পারে।’ঢাকা থেকে আসা পাইকারি ব্যবসায়ী মফিজুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘রংপুরের মিঠাপুকুর, বদরগঞ্জ ও সদর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার বাগান থেকে আম সংগ্রহ করে ট্রাকে করে চলে যাচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। শুধু তাই নয়, কুরিয়ার সার্ভিসগুলোর পাশাপাশি এবারও অনলাইনে হাঁড়িভাঙ্গা আম বিক্রির ধুম পড়েছে। ফেসবুক পেজ ও ই-কমার্স সাইটগুলোর মাধ্যমে ঘরে বসেই ক্রেতারা একদম তাজা আম পেয়ে যাচ্ছেন।কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ঢাকায় পাঠানো প্রতি কেজি আমের খরচ ১৩ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ১৬ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ক্যারেট/বক্স, প্যাকিং খরচসহ এক মণ আম পাঠাতে ৩৬০০ থেকে ৪০০০ টাকা খরচ পড়ছে। এদিকে রংপুর নগরীর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সড়ক, সিটি বাজার, লালবাগ, মডার্ন মোড়, ধাপ বাজার, শাপলা চত্বরসহ নগরীর বিভিন্ন হাট-বাজারেও মিলছে এই আম। হাট-বাজার ছাড়াও পাড়ামহল্লার অলিগলিতে ফেরি করে হাঁড়িভাঙা আম বিক্রি করতে দেখা গেছে।স্থানীয়রা বলেন, সরকারি উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৫ জুন থেকে আম বাজারজাত শুরু হয়েছে। কিন্তু এই আম পরিপক্ব না হতেই এক সপ্তাহ আগে থেকে অনেকেই বাড়তি লাভের আশায় বাগান থেকে পেরে বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো শুরু করেছেন।পদাগঞ্জ এলাকার মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘অতিরিক্ত গরমের কারণে এবার আগেভাগেই আম পাড়া শুরু হয়েছে। তবে কেউ কেউ আম পাকাতে স্প্রে মেশাচ্ছেন। যদিও এটা করা অন্যায় এবং এতে হাঁড়িভাঙা আমের প্রকৃত স্বাদ থাকছে না।’পাইকারি ব্যবসায়ী আলম মিয়া বলেন, ‘বাগানে আম পরিপক্ব হয়েছে। বাগান মালিকরা তাকে ডেকে আম বিক্রির কথা বলেন। তাই এক সপ্তাহ আগ থেকেই তাদের কাছ থেকে তিনি আম কিনে বিক্রি শুরু করছেন।’কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, এবার রংপুর জেলায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার হেক্টর জমিতে হাঁড়িভাঙা আম আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এর মধ্যে ২০০০ হেক্টরের বেশি জমিতে চাষ হয়েছে। প্রতি হেক্টরে হাঁড়িভাঙা আমের ফলন হয় প্রায় ১০ থেকে ১২ মেট্রিক টন। সব কিছু ঠিক থাকলে ২০০ কোটি টাকার ওপরে হাঁড়িভাঙা আম বিক্রি হবে বলে।কৃষি সম্প্রসারণ রংপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘শিলাবৃষ্টিতে হাঁড়িভাঙা ঝড়ে পড়লেও ফলন ভালো হয়েছে। আকারেও বড় হয়েছে। তাই কৃষকরা পুষিয়ে উঠতে পারবেন বলে আশা করা যায়।’হাঁড়িভাঙ্গা আম বাজারজাতকরণের উদ্বোধনী দিনে রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, ‘হাড়িভাঙ্গা আমের জন্য পদাগঞ্জ বাজার অন্যতম বাণিজ্যিক জায়গা। তবে এটার অবকাঠামোগত কিছু অসুবিধা আছে। এই অসুবিধাগুলো দূর করার জন্য তিন বছর মেয়াদি অগ্রাধিকার কর্মপরিকল্পনা নিয়েছি। এই হাটটাকে কীভাবে আরও উন্নত করা যায় এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগ কীভাবে লাঘব করা যায়- সে বিষয়ে কাজ করছি। এছাড়াও রপ্তানির প্রতিবন্ধকতাগুলোও সমাধানের চেষ্টা করছি।’উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি হাঁড়িভাঙা আম রংপুরের ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। হাঁড়িভাঙা আম এখন আর কেবল দেশের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, পাকিস্তান, ভারতসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এই আম রপ্তানি করা হয়। দেশের ভেতরে ফেসবুক ও ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি বাগান থেকে আম সরবরাহের হার গত কয়েক বছরে কয়েক গুণ বেড়েছে।

পলাশবাড়ীতে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন

“করবো মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করবো বারো মাস”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, পলাশবাড়ীর আয়োজনে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এ ফল মেলার উদ্বোধন করা হয়। মেলায় দেশীয় বিভিন্ন মৌসুমি ফল, উন্নত জাতের ফলের চারা, আধুনিক ফল উৎপাদন ও সংরক্ষণ প্রযুক্তি এবং কৃষিবিষয়ক বিভিন্ন তথ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন সোহেলের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জাবের আহম্মেদ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও শেখ জাবের আহম্মেদ বলেন:“ফল চাষের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কৃষকদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব। ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের ঘাটতি পূরণে আমাদের দেশীয় ফলের ভূমিকা অপরিসীম।”তিনি মেলায় আগত সকলকে এবং উপজেলার সর্বস্তরের জনগণকে যার যার বসতবাড়ি ও পতিত জমিতে বিভিন্ন জাতের পুষ্টিকর ও লাভজনক ফলদ গাছ রোপণের উদাত্ত আহ্বান জানান।ছবি: সংগৃহীতঅনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নকিবুল হাসান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আঞ্জুমান আরা গোলেনুর, উপজেলা জামায়াতের আমির আবু বক্কর সিদ্দিক এবং পলাশবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রশান্ত চন্দ্র প্রামানিক।এছাড়াও মেলা প্রাঙ্গণে কৃষি অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপজেলার দূর-দূরান্ত থেকে আসা কৃষক-কৃষাণী, স্কুলের শিক্ষার্থী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।মেলা ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত সফল কৃষকরা তাদের নিজেদের বাগানে উৎপাদিত নানা প্রজাতির ও হরেক রকমের মৌসুমি ফল স্টলে প্রদর্শন করছেন।উপজেলা কৃষি অফিস তথা আয়োজকরা জানান, ফল চাষে স্থানীয় কৃষকদের আরও বেশি উদ্বুদ্ধ করা, সাধারণ মানুষের মাঝে পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বৈজ্ঞানিক উপায়ে ফল সংরক্ষণ ও সঠিক বাজারজাতকরণ বিষয়ে সম্যক ধারণা দেওয়াই এই মেলার মূল উদ্দেশ্য। আগামী তিন দিন এই মেলা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

পলাশবাড়ীতে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন

দেশীয় ফলের বিলুপ্ত প্রজাতি ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছি

কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশীয় ফলের যত বিলুপ্ত প্রজাতি রয়েছে, সেগুলো কৃষকদের উৎপাদনে উৎসাহিত করার মাধ্যমে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) খামারবাড়ির বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট (কেআইবি) চত্বরে তিন দিনব্যাপী (১৮-২০ জুন) জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।এর আগে তিনি পুরো মেলা ঘুরে দেশীয় বিভিন্ন ফলের সঙ্গে পরিচিত হন এবং উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।কৃষিমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর দেশে ফল মেলার উৎসব হয়। এ মেলার মাধ্যমে ফল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটেছে। দেশীয় ফলের যত বিলুপ্ত প্রজাতি রয়েছে, সেগুলো ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।কৃষিমন্ত্রী বলেন, একই সঙ্গে বিদেশ থেকে যেসব ফল আমদানি করা হতো, সেসব ফলের জাতের জিন এনে দেশে চাষাবাদের মাধ্যমে অনন্য বিপ্লব ঘটানো হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশীয়ভাবে উৎপাদন করে আমাদানিনির্ভরতা কমিয়ে আনা হচ্ছে।ড্রাগন ফলের উদাহরণ দিয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বিদেশের তুলনায় আমাদের উৎপাদিত ড্রাগন ফল সুস্বাদু ও সুমিষ্ট। এ ফলের উদ্ভাবনী কাজে কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।চলতি অর্থবছরে কৃষিতে বাজেট বেড়েছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, গত বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ বেড়েছে। এর বাইরে উন্নয়ন ও প্রণোদনা বাজেট বেড়েছে গত অর্থবছরের তুলনায় ৫৯ শতাংশ। তাই কৃষিতে বাজেট কমেছে কথাটি সঠিক নয় বলে জানান মন্ত্রী।

দেশীয় ফলের বিলুপ্ত প্রজাতি ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছি

বাজারে এলো রংপুরের হাঁড়িভাঙা, ৩০০ কোটি টাকার ব্যবসার আশা

রংপুরের জনপ্রিয় ও সুস্বাদু হাঁড়িভাঙা আমের আনুষ্ঠানিক বাজারজাতকরণ শুরু হয়েছে। তীব্র তাপদাহের কারণে এবার নির্ধারিত সময়ের পাঁচ দিন আগেই আম বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সোমবার মিঠাপুকুর উপজেলার পদাগঞ্জে আনুষ্ঠানিকভাবে হাঁড়িভাঙা আমের বাজারজাতকরণের উদ্বোধন করেন রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন। এ সময় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।একসময় রংপুর অঞ্চলে আম বিক্রির প্রচলিত হিসাব ছিল ‘গন্ডা’ ও ‘হালি’ ভিত্তিক। দুই দশক আগেও ৩৬ গন্ডা বা ৩৬ হালিতে একশ আম পাইকারি বিক্রি হতো। পরে সেই আম শহরে ৩২ গন্ডায় একশ হিসেবে বিক্রি করা হতো। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে সেই ঐতিহ্য এখন প্রায় হারিয়ে গেছে। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই গন্ডা হিসেবে আম বিক্রির প্রচলন সম্পর্কে জানেন না। এখন আম বিক্রি হয় কেজি দরে।স্থানীয় প্রবীণরা জানান, একসময় ৮ হালিকে এক পোয়া, ১৬ হালিকে দুই পোয়া এবং ২৪ হালিকে তিন পোয়া বলা হতো। বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ ও আষাঢ় মাসজুড়ে বিভিন্ন জাতের আমে বাজার ভরে থাকত। আধুনিকতার ছোঁয়া ও আমের মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে গন্ডা ও হালির হিসাব হারিয়ে গেছে।প্রবীণ আলী হোসেন মোল্লা বলেন, ১৫ থেকে ২০ বছর আগেও ৩৬ গন্ডায় একশ আম ২৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হতো। ফজলি, কেরোয়া, এছাহাক তেলি, ছাইবুদ্দিন, আশ্বিনী, সাদা নেংড়া, কালা নেংড়া, কলিকাতা নেংড়া, মিশ্রীভোগ, গোপালভোগ, আম্রপালি, সাদা রচি, চোচা ও আঁটিসহ বিভিন্ন জাতের আম গন্ডা হিসেবে কেনাবেচা হতো। বর্তমানে এসব জাতের আমের চাষ কমে গেছে এবং বাজার দখল করেছে হাঁড়িভাঙা আম। তিনি বলেন, হাঁড়িভাঙা আমের ওজন সাধারণত ৩০০ থেকে ৪০০ গ্রাম হয়ে থাকে। মিষ্টি ও সুস্বাদু হওয়ায় দেশজুড়ে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তবে অতীতের ঐতিহ্য ধরে রাখতে কিছু আম এখনো গন্ডা বা হালি হিসেবে বিক্রির ব্যবস্থা থাকা উচিত।কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রংপুর জেলায় এবার প্রায় সাড়ে তিন হাজার হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে হাঁড়িভাঙা আমের চাষ হয়েছে এক হাজার ৯২০ হেক্টরের বেশি জমিতে। প্রতি হেক্টরে গড়ে ১০ থেকে ১২ মেট্রিক টন ফলন পাওয়া যায়। এবার হাঁড়িভাঙা আমের উৎপাদন ২০ হাজার মেট্রিক টনের বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যার বাজারমূল্য ৩০০ কোটি টাকারও বেশি।মৌসুমের শুরুতে হাঁড়িভাঙা আম প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হলেও মৌসুমের শেষ দিকে দাম ১৫০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।বদরগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর এলাকার আমচাষি সামছুজ্জামান বলেন, এবার আমের ফলন খুবই ভালো হয়েছে। কৃষকরা ভালো দাম পাবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, এবার হাঁড়িভাঙা আমের ‘অন ইয়ার’। ফলে উৎপাদনও বেশি হয়েছে। বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় কৃষকরা লাভবান হবেন বলে আশা করছি।

বাজারে এলো রংপুরের হাঁড়িভাঙা, ৩০০ কোটি টাকার ব্যবসার আশা

হাঁড়িভাঙার বাজারজাত শুরু, চাষিরা চান কোল্ড স্টোরেজ

রংপুরের ঐতিহ্য আর গৌরবের প্রতীক, জিআই পণ্য ‘হাঁড়িভাঙা’ আমের আনুষ্ঠানিক বাজারজাতকরণ শুরু হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে মিঠাপুকুর উপজেলার পদাগঞ্জ এলাকায় বাগানে আম পেড়ে এই মৌসুমের বিক্রয় কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে পদাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আমচাষি ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন জেলা প্রশাসক। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি হাঁড়িভাঙা আমকে জেলা প্রশাসনের ‘অগ্রাধিকার প্রকল্প’ হিসেবে ঘোষণা করেন। চাষিরা এসময় আম সংরক্ষণের জন্য হিমাগার নির্মাণ, যাতায়াতের জন্য রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, ব্যাংকিং সুবিধা বৃদ্ধি, হাটে স্থায়ী শেড ও ওয়াশ ব্লক স্থাপন এবং বিদেশে আম রফতানির সুযোগ সৃষ্টির দাবি জানান।চাষিদের দাবির প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক আশ্বাস দিয়ে বলেন, “হাঁড়িভাঙা আমের বিশ্ববাজার ধরতে এবং স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়নে সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দ্রুত সড়ক সংস্কার, ব্যাংকের শাখা স্থাপন এবং আম পরিবহনের জন্য ‘ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন’ চালুসহ সব সমস্যার সমাধানে জেলা প্রশাসন কাজ করছে।”উদ্বোধনের প্রথম দিনেই পদাগঞ্জ হাটে প্রচুর আমের সরবরাহ দেখা গেছে। তবে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বৃষ্টির কারণে কেনাবেচায় কিছুটা ধীরগতি থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জমে ওঠে বাজার। বর্তমানে প্রতি মণ হাঁড়িভাঙা আম মানভেদে ১২০০ থেকে ১৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।ফলন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়াচলতি মৌসুমে শিলাবৃষ্টির কারণে আমের ফলন প্রায় ৩০ শতাংশ কম হলেও আমের আকার বেশ বড় হয়েছে। কৃষকরা জানান, ফলন কম হওয়ায় দাম আশানুরূপ না পেলে তাদের লোকসানের মুখে পড়তে হবে। তবে কৃষি বিভাগ আশার বাণী শুনিয়েছে। রংপুর আঞ্চলিক কৃষি অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সিরাজুল ইসলাম জানান, ফলন কিছুটা কম হলেও আমের গুণগত মান ও আকার ভালো হয়েছে। শুরুতে দাম কিছুটা কম মনে হলেও দিন বাড়ার সাথে সাথে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।ঐতিহ্যবাহী এই আমের বাজারজাতকরণ শুরু হওয়ায় রংপুরের আমচাষি ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে এখন ব্যস্ততা আর উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

হাঁড়িভাঙার বাজারজাত শুরু, চাষিরা চান কোল্ড স্টোরেজ

শিক্ষাঙ্গন

সকল জেলার খবর

 স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

আর্কাইভ

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি

ফেসবুক বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধে বিকাশ যুক্ত করছে মেটা

ফেসবুক বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধে বিকাশ যুক্ত করছে মেটা

বাংলাদেশের ই-কমার্স, এফ-কমার্স ও ডিজিটাল বিপণন খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার খবর এসেছে। ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা তাদের বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধের পদ্ধতিতে দেশের মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশকে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ঋণ বা ডেবিট কার্ডের ওপর নির্ভরতা অনেকটাই কমে যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।যদিও সুবিধাটি এখনো সবার জন্য চালু হয়নি, তবে পরীক্ষামূলকভাবে অনেক ব্যবহারকারী ইতোমধ্যে বিকাশের মাধ্যমে বিজ্ঞাপনের বিল সফলভাবে পরিশোধ করেছেন। বিভিন্ন ব্যবহারকারীর শেয়ার করা ছবিতে দেখা গেছে, বিজ্ঞাপন ব্যবস্থাপনার বিল পরিশোধের অংশে ব্যাংক কার্ডের পাশাপাশি বিকাশের নামও যুক্ত হয়েছে।এতদিন বাংলাদেশে ফেসবুক বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধে আন্তর্জাতিক কার্ড, দ্বৈত মুদ্রা সুবিধা এবং ব্যাংকিং-সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতার কারণে বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা নানা সমস্যার মুখোমুখি হতেন। নতুন উদ্যোক্তাদের জন্যও এই প্রক্রিয়া ছিল তুলনামূলক ব্যয়বহুল ও জটিল।সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, বিকাশ যুক্ত হলে স্থানীয় মুদ্রায় আরও সহজে বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধ করা সম্ভব হবে। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, মেটা সাধারণত নতুন বিল পরিশোধের সুবিধা ধাপে ধাপে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করে। তাই এটি এখনো সবার কাছে দৃশ্যমান না হলেও পরীক্ষা সফল হলে পর্যায়ক্রমে সব ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত হতে পারে।তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত মেটার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন