রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় মাদকবিরোধী এক বিশেষ অভিযানে গাঁজা সেবন ও ব্যবহারের অপরাধে মোঃ জাকির হোসেন (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ২০০ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আইনানুগ সাজার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের কুর্শা পঞ্চায়েতপাড়া এলাকায় এই মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনা করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত জাকির হোসেন (৪২) কুর্শা পঞ্চায়েতপাড়া গ্রামের মৃত ফরিজ মন্ডলের ছেলে।
স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কুর্শা পঞ্চায়েতপাড়া এলাকায় প্রকাশ্য স্থানে মাদক সেবন ও মাদক কেনাবেচা হচ্ছে—এমন একটি সুনির্দিষ্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ রাতে সেখানে আকস্মিক হানা দেয় প্রশাসন। অভিযান পরিচালনাকালে মাদক সেবন ও সঙ্গে রাখার অপরাধে মোঃ জাকির হোসেনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে ঘটনাস্থলেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন তারাগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোনাব্বর হোসেন। তিনি আসামির অপরাধের সত্যতা ও স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০০ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে সরকারি কোষাগারে আদায় করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, রংপুর-এর কর্মকর্তা এস.এম এলতাস উদ্দিন উপস্থিত থেকে আদালতে প্রয়োজনীয় আইনগত তথ্য ও প্রসিকিউশন দাখিল করেন। অভিযানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি চৌকস দল নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল।
অভিযান শেষে তারাগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুবসমাজকে মাদকের মরণছোবল থেকে রক্ষা করতে এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকারের 'জিরো টলারেন্স' নীতি বাস্তবায়নে কাজ করছে প্রশাসন। তারাগঞ্জকে শতভাগ মাদকমুক্ত করতে মাদকবিরোধী এ ধরনের আকস্মিক ও কঠোর অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় মাদকবিরোধী এক বিশেষ অভিযানে গাঁজা সেবন ও ব্যবহারের অপরাধে মোঃ জাকির হোসেন (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ২০০ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আইনানুগ সাজার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের কুর্শা পঞ্চায়েতপাড়া এলাকায় এই মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনা করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত জাকির হোসেন (৪২) কুর্শা পঞ্চায়েতপাড়া গ্রামের মৃত ফরিজ মন্ডলের ছেলে।
স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কুর্শা পঞ্চায়েতপাড়া এলাকায় প্রকাশ্য স্থানে মাদক সেবন ও মাদক কেনাবেচা হচ্ছে—এমন একটি সুনির্দিষ্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ রাতে সেখানে আকস্মিক হানা দেয় প্রশাসন। অভিযান পরিচালনাকালে মাদক সেবন ও সঙ্গে রাখার অপরাধে মোঃ জাকির হোসেনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে ঘটনাস্থলেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন তারাগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোনাব্বর হোসেন। তিনি আসামির অপরাধের সত্যতা ও স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০০ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে সরকারি কোষাগারে আদায় করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, রংপুর-এর কর্মকর্তা এস.এম এলতাস উদ্দিন উপস্থিত থেকে আদালতে প্রয়োজনীয় আইনগত তথ্য ও প্রসিকিউশন দাখিল করেন। অভিযানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি চৌকস দল নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল।
অভিযান শেষে তারাগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুবসমাজকে মাদকের মরণছোবল থেকে রক্ষা করতে এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকারের 'জিরো টলারেন্স' নীতি বাস্তবায়নে কাজ করছে প্রশাসন। তারাগঞ্জকে শতভাগ মাদকমুক্ত করতে মাদকবিরোধী এ ধরনের আকস্মিক ও কঠোর অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন