নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের প্রামাণিকপাড়া এলাকায় ভেজাল কীটনাশক তৈরির একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। কৃষকদের সঙ্গে প্রতারণা এবং কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থাকে ঝুঁকির মুখে ফেলার অভিযোগে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
শুক্রবার (৫ জুন) উপজেলা প্রশাসন, সৈয়দপুরের উদ্যোগে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে প্রসিকিউশন কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলা সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সৈয়দপুর থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রামাণিকপাড়া এলাকায় একটি স্থানে অভিযান চালানো হলে সেখানে বালু ও বিভিন্ন ধরনের রঙের মিশ্রণে ভেজাল কীটনাশক তৈরি করে প্যাকেটজাত করার প্রমাণ পাওয়া যায়। অভিযুক্ত ব্যক্তি এসব ভেজাল পণ্য বাজারজাতের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ ভেজাল উপকরণ জব্দ করা হয়। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সরেজমিনে হাতে-নাতে পাওয়া যায়। পরে তিনি অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযানে জব্দ করা ভেজাল কীটনাশক ও সংশ্লিষ্ট উপকরণ প্রসিকিউশন কর্মকর্তার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ভেজাল কীটনাশক ব্যবহারের ফলে কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি ফসলের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে রোগ ও পোকামাকড় দমনে কার্যকারিতা না থাকায় কৃষকদের পুনরায় কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয়, ফলে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পায় এবং কৃষি খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষা, নিরাপদ কৃষি উৎপাদন নিশ্চিতকরণ এবং ভেজাল কৃষি উপকরণ উৎপাদন ও বিপণন বন্ধে নিয়মিত নজরদারি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কৃষকদের কোনো ধরনের সন্দেহজনক কৃষি উপকরণ বা ভেজাল কীটনাশকের তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন বা কৃষি বিভাগকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
জুফাস নিউজ/নিপ

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের প্রামাণিকপাড়া এলাকায় ভেজাল কীটনাশক তৈরির একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। কৃষকদের সঙ্গে প্রতারণা এবং কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থাকে ঝুঁকির মুখে ফেলার অভিযোগে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
শুক্রবার (৫ জুন) উপজেলা প্রশাসন, সৈয়দপুরের উদ্যোগে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে প্রসিকিউশন কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলা সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সৈয়দপুর থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রামাণিকপাড়া এলাকায় একটি স্থানে অভিযান চালানো হলে সেখানে বালু ও বিভিন্ন ধরনের রঙের মিশ্রণে ভেজাল কীটনাশক তৈরি করে প্যাকেটজাত করার প্রমাণ পাওয়া যায়। অভিযুক্ত ব্যক্তি এসব ভেজাল পণ্য বাজারজাতের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ ভেজাল উপকরণ জব্দ করা হয়। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সরেজমিনে হাতে-নাতে পাওয়া যায়। পরে তিনি অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযানে জব্দ করা ভেজাল কীটনাশক ও সংশ্লিষ্ট উপকরণ প্রসিকিউশন কর্মকর্তার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ভেজাল কীটনাশক ব্যবহারের ফলে কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি ফসলের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে রোগ ও পোকামাকড় দমনে কার্যকারিতা না থাকায় কৃষকদের পুনরায় কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয়, ফলে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পায় এবং কৃষি খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষা, নিরাপদ কৃষি উৎপাদন নিশ্চিতকরণ এবং ভেজাল কৃষি উপকরণ উৎপাদন ও বিপণন বন্ধে নিয়মিত নজরদারি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কৃষকদের কোনো ধরনের সন্দেহজনক কৃষি উপকরণ বা ভেজাল কীটনাশকের তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন বা কৃষি বিভাগকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
জুফাস নিউজ/নিপ

আপনার মতামত লিখুন