নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কামার পুকুর ইউনিয়নের চিকলি নদীর ওপর কাছিরি ঘাটে একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোই তিন গ্রামের প্রায় ২০-২৫ হাজার মানুষের একমাত্র চলাচলের ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এই সাঁকো দিয়েই প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন এলাকাবাসী।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কামার পুকুর ইউনিয়নের পশ্চিম অসুরখাই, পূর্ব অসুরখাই ও দক্ষিণ অসুরখাই এলাকার মানুষ এই কাছিরি ঘাট ব্যবহার করেন। দীর্ঘদিন ধরে একটি পাকা সেতুর দাবি জানিয়ে এলেও এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গ্রামবাসীর উদ্যোগে নিজ অর্থায়নে সাঁকোটি নির্মাণ ও নিয়মিত সংস্কার করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, স্বাধীনতার পর থেকে একাধিক সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেও কোনো সুরাহা মেলেনি। এতে করে প্রতিশ্রুতির প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন তারা।
এলাকার সাবেক মেম্বার আনসারুল হক ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আনোয়ার প্রামানিক জানান, মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে তারা নিজস্ব অর্থ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাঁকোটি টিকিয়ে রেখেছেন। তবে এটি কোনো স্থায়ী সমাধান নয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস বলেন, “প্রতিবারই বলা হয় বরাদ্দ নেই। পানি উন্নয়ন বোর্ডেও গিয়েছি, কিন্তু তারাও এমপির ডিও লেটারের কথা বলেন।”
এলাকাবাসীর দাবি, সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য উদ্যোগ নিলে অল্প সময়ের মধ্যেই একটি পাকা সেতু নির্মাণ সম্ভব।
এ বিষয়ে নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মোঃ মুনতাকিম বলেন, তিনি সদ্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং পূর্বের প্রতিশ্রুতির বিষয়ে অবগত নন। তবে সুযোগ পেলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সেতুটি নির্মাণের আশ্বাস দেন তিনি।
স্থানীয়দের আশা, দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে দ্রুত একটি টেকসই সেতু নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কামার পুকুর ইউনিয়নের চিকলি নদীর ওপর কাছিরি ঘাটে একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোই তিন গ্রামের প্রায় ২০-২৫ হাজার মানুষের একমাত্র চলাচলের ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এই সাঁকো দিয়েই প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন এলাকাবাসী।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কামার পুকুর ইউনিয়নের পশ্চিম অসুরখাই, পূর্ব অসুরখাই ও দক্ষিণ অসুরখাই এলাকার মানুষ এই কাছিরি ঘাট ব্যবহার করেন। দীর্ঘদিন ধরে একটি পাকা সেতুর দাবি জানিয়ে এলেও এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গ্রামবাসীর উদ্যোগে নিজ অর্থায়নে সাঁকোটি নির্মাণ ও নিয়মিত সংস্কার করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, স্বাধীনতার পর থেকে একাধিক সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেও কোনো সুরাহা মেলেনি। এতে করে প্রতিশ্রুতির প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন তারা।
এলাকার সাবেক মেম্বার আনসারুল হক ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আনোয়ার প্রামানিক জানান, মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে তারা নিজস্ব অর্থ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাঁকোটি টিকিয়ে রেখেছেন। তবে এটি কোনো স্থায়ী সমাধান নয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস বলেন, “প্রতিবারই বলা হয় বরাদ্দ নেই। পানি উন্নয়ন বোর্ডেও গিয়েছি, কিন্তু তারাও এমপির ডিও লেটারের কথা বলেন।”
এলাকাবাসীর দাবি, সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য উদ্যোগ নিলে অল্প সময়ের মধ্যেই একটি পাকা সেতু নির্মাণ সম্ভব।
এ বিষয়ে নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মোঃ মুনতাকিম বলেন, তিনি সদ্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং পূর্বের প্রতিশ্রুতির বিষয়ে অবগত নন। তবে সুযোগ পেলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সেতুটি নির্মাণের আশ্বাস দেন তিনি।
স্থানীয়দের আশা, দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে দ্রুত একটি টেকসই সেতু নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন