রংপুর    বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
জুফাস নিউজ
প্রকাশ : সোমবার, ১১ মে ২০২৬

সৈয়দপুরে সড়কের মাঝখানে খুঁটি রেখেই চলছে নির্মাণ কাজ: দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পথচারীরা

সৈয়দপুরে সড়কের মাঝখানে খুঁটি রেখেই চলছে নির্মাণ কাজ: দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পথচারীরা

চিরিরবন্দরে জমি নিয়ে বিরোধে বাবা ও ভাইকে কুপিয়ে হত্যা: পলাতক দুই ঘাতক ছেলে

চিরিরবন্দরে জমি নিয়ে বিরোধে বাবা ও ভাইকে কুপিয়ে হত্যা: পলাতক দুই ঘাতক ছেলে

উদ্বোধনের অপেক্ষায় রংপুরের আধুনিক কসাইখানা: নিশ্চিত হবে স্বাস্থ্যসম্মত মাংস

উদ্বোধনের অপেক্ষায় রংপুরের আধুনিক কসাইখানা: নিশ্চিত হবে স্বাস্থ্যসম্মত মাংস

পাঁচ গ্রামের মানুষের সীমাহীন দুর্ভোগ, হাঁটুসমান কাদা, দেখার কেউ নেই

পাঁচ গ্রামের মানুষের সীমাহীন দুর্ভোগ, হাঁটুসমান কাদা, দেখার কেউ নেই

মিঠাপুকুরে অটোভ্যান চালককে কুপিয়ে ছিনতাই: ৪০টা  সেলাই নিয়ে হাসপাতালে লড়ছেন মনজুরুল

মিঠাপুকুরে অটোভ্যান চালককে কুপিয়ে ছিনতাই: ৪০টা সেলাই নিয়ে হাসপাতালে লড়ছেন মনজুরুল

১৫ তারিখের পর থেকেই বাজারজাত করা যাবে দিনাজপুরের লিচু

১৫ তারিখের পর থেকেই বাজারজাত করা যাবে দিনাজপুরের লিচু

তারাগঞ্জে নিহত ইলেকট্রিশিয়ান মঞ্জুরুলের পরিবারের পাশে এমপি আজহারুল ইসলাম

তারাগঞ্জে নিহত ইলেকট্রিশিয়ান মঞ্জুরুলের পরিবারের পাশে এমপি আজহারুল ইসলাম

দীর্ঘদিন পর বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাব নির্বাচন আজ উৎসবমুখর পরিবেশে সাংবাদিকদের গণতান্ত্রিক আয়োজন

দীর্ঘদিন পর বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাব নির্বাচন আজ উৎসবমুখর পরিবেশে সাংবাদিকদের গণতান্ত্রিক আয়োজন

পাঁচ গ্রামের মানুষের সীমাহীন দুর্ভোগ, হাঁটুসমান কাদা, দেখার কেউ নেই

পাঁচ গ্রামের মানুষের সীমাহীন দুর্ভোগ, হাঁটুসমান কাদা, দেখার কেউ নেই
পাঁচ গ্রামের মানুষের সীমাহীন দুর্ভোগ, হাঁটুসমান কাদা, দেখার কেউ নেই । ছবি: সংগৃহীত

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার ১৫ নম্বর লোহানীপাড়া ইউনিয়নের চৌপতিরহাট বাজার থেকে কুড়ারপাড়া, ডাঙ্গাপাড়া, উত্তর মাদাই খামার, দক্ষিণ মাদাই খামার ও জেলেপাড়া পর্যন্ত প্রায় কয়েক কিলোমিটার সড়ক এখন এলাকাবাসীর জন্য এক চরম দুর্ভোগের নাম। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি আজও পাকাকরণ হয়নি। বর্ষা এলেই কাদার সাগরে পরিণত হয় পুরো রাস্তা। কোথাও হাঁটুসমান কাদা, কোথাও বড় বড় গর্ত, আবার কোথাও রাস্তার অংশ ভেঙে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে প্রাণঘাতী ঝুঁকি। ফলে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে প্রায় পাঁচ গ্রামের হাজার হাজার মানুষকে। স্থানীয়দের ভাষায়, এটি এখন আর কোনো রাস্তা নয়, যেন একটি “মরণ ফাঁদ”। বছরের পর বছর ধরে নানা প্রতিশ্রুতি মিললেও বাস্তবে উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি এই জনপদের মানুষের ভাগ্যে। নির্বাচন এলেই জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা রাস্তা পাকাকরণের প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু ভোট শেষ হলে আর খোঁজ থাকে না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই সড়ক দিয়েই প্রতিদিন প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় যাতায়াত করে। এর মধ্যে রয়েছে কুতুবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুতুবপুর দাখিল মাদ্রাসা, লোহানীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, লোহানীপাড়া দাখিল মাদ্রাসা, কাঁচাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় ও অরুন্নেসা স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কিন্তু রাস্তার করুণ অবস্থার কারণে প্রতিদিন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানির নিচে বড় বড় গর্ত থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারী ও যানবাহনের চালকরা। মোটরসাইকেল, ভ্যান কিংবা অটোরিকশা চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অনেক সময় রোগী বহন করতেও বিপাকে পড়তে হয় এলাকাবাসীকে।

‎স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল জলিল বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি এই রাস্তার একই অবস্থা। কত চেয়ারম্যান-মেম্বার, এমপি আসলো গেলো, কিন্তু রাস্তার উন্নয়ন আর হলো না। বর্ষাকালে ঘর থেকে বের হওয়াই কষ্টকর হয়ে যায়। 

‎গৃহবধূ রহিমা বেগম বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তা দিয়ে হাঁটা যায় না। বাজারে যেতে কষ্ট, বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে ভয় লাগে। অনেক সময় পড়ে গিয়ে আহতও হতে হয়। শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার জানায়, প্রতিদিন স্কুলে যেতে কাপড়-জুতা কাদায় নষ্ট হয়ে যায়। অনেক সময় পড়ে গিয়ে ব্যথাও পাই। বর্ষার সময় স্কুলে যেতে খুব ভয় লাগে। আরেক শিক্ষার্থী রাব্বি ইসলাম বলে, রাস্তার জন্য অনেক সময় স্কুলে দেরি হয়ে যায়। বৃষ্টি হলে বই-খাতাও ভিজে যায়। আমরা চাই দ্রুত রাস্তাটা পাকা করা হোক। স্থানীয় কৃষক নুর ইসলাম বলেন, আমাদের কৃষিপণ্য বাজারে নিতে খুব সমস্যা হয়। ভ্যান বা গাড়ি ঢুকতে চায় না। অনেক সময় কম দামে ক্ষেত থেকেই ফসল বিক্রি করতে হয়। এলাকাবাসী আরও জানান, দীর্ঘদিন যোগাযোগ ব্যবস্থার এমন করুণ অবস্থার কারণে সামাজিক জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এমনকি বিয়ে-শাদির ক্ষেত্রেও সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। অন্য এলাকার মানুষ এ এলাকায় আত্মীয়তা করতে অনীহা প্রকাশ করেন। কেউ বিয়ে দিলেও কষ্টকর যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে মেয়েকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠাতে নানা সংকোচ তৈরি হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন বলেন, এই রাস্তা দিয়ে কাঁচাবাড়ির হাট, মন্ডলের হাট, নাগের হাট, মাঠের হাট ও অরুন্নেসা হাটে মানুষ যাতায়াত করে। কিন্তু রাস্তার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বর্ষায় অনেক ব্যবসায়ী এই পথে আসতেই চান না। স্থানীয়রা জানান, এই রাস্তাটি শুধু কয়েকটি গ্রামের যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং এলাকার শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান সড়ক। অথচ বছরের পর বছর অবহেলায় পড়ে থাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে এলাকাবাসীর মধ্যে।

‎এ বিষয়ে ১৫ নম্বর লোহানীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক আবুল কালাম আজাদ বলেন, রাস্তাটির দুরবস্থার বিষয়টি আমরা অবগত আছি। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে। বদরগঞ্জ উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. হারুন অর রশীদ বলেন, দীর্ঘদিন রাস্তাটির কোনো কোড নম্বর ছিল না। সম্প্রতি নতুন করে কোড হয়েছে। এটি দ্বিতীয় পর্যায়ে পাকাকরণের তালিকায় রয়েছে। বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু করা হবে। তবে এলাকাবাসীর দাবি, আর আশ্বাস নয় দ্রুত বাস্তব কাজ দেখতে চান তারা। দীর্ঘ ৫৫ বছরের অবহেলার অবসান ঘটিয়ে দ্রুত রাস্তাটি পাকাকরণের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মানুষজন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
জুফাস নিউজ

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬


পাঁচ গ্রামের মানুষের সীমাহীন দুর্ভোগ, হাঁটুসমান কাদা, দেখার কেউ নেই

প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

featured Image

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার ১৫ নম্বর লোহানীপাড়া ইউনিয়নের চৌপতিরহাট বাজার থেকে কুড়ারপাড়া, ডাঙ্গাপাড়া, উত্তর মাদাই খামার, দক্ষিণ মাদাই খামার ও জেলেপাড়া পর্যন্ত প্রায় কয়েক কিলোমিটার সড়ক এখন এলাকাবাসীর জন্য এক চরম দুর্ভোগের নাম। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি আজও পাকাকরণ হয়নি। বর্ষা এলেই কাদার সাগরে পরিণত হয় পুরো রাস্তা। কোথাও হাঁটুসমান কাদা, কোথাও বড় বড় গর্ত, আবার কোথাও রাস্তার অংশ ভেঙে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে প্রাণঘাতী ঝুঁকি। ফলে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে প্রায় পাঁচ গ্রামের হাজার হাজার মানুষকে। স্থানীয়দের ভাষায়, এটি এখন আর কোনো রাস্তা নয়, যেন একটি “মরণ ফাঁদ”। বছরের পর বছর ধরে নানা প্রতিশ্রুতি মিললেও বাস্তবে উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি এই জনপদের মানুষের ভাগ্যে। নির্বাচন এলেই জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা রাস্তা পাকাকরণের প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু ভোট শেষ হলে আর খোঁজ থাকে না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই সড়ক দিয়েই প্রতিদিন প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় যাতায়াত করে। এর মধ্যে রয়েছে কুতুবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুতুবপুর দাখিল মাদ্রাসা, লোহানীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, লোহানীপাড়া দাখিল মাদ্রাসা, কাঁচাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় ও অরুন্নেসা স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কিন্তু রাস্তার করুণ অবস্থার কারণে প্রতিদিন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানির নিচে বড় বড় গর্ত থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারী ও যানবাহনের চালকরা। মোটরসাইকেল, ভ্যান কিংবা অটোরিকশা চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অনেক সময় রোগী বহন করতেও বিপাকে পড়তে হয় এলাকাবাসীকে।

‎স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল জলিল বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি এই রাস্তার একই অবস্থা। কত চেয়ারম্যান-মেম্বার, এমপি আসলো গেলো, কিন্তু রাস্তার উন্নয়ন আর হলো না। বর্ষাকালে ঘর থেকে বের হওয়াই কষ্টকর হয়ে যায়। 

‎গৃহবধূ রহিমা বেগম বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তা দিয়ে হাঁটা যায় না। বাজারে যেতে কষ্ট, বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে ভয় লাগে। অনেক সময় পড়ে গিয়ে আহতও হতে হয়। শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার জানায়, প্রতিদিন স্কুলে যেতে কাপড়-জুতা কাদায় নষ্ট হয়ে যায়। অনেক সময় পড়ে গিয়ে ব্যথাও পাই। বর্ষার সময় স্কুলে যেতে খুব ভয় লাগে। আরেক শিক্ষার্থী রাব্বি ইসলাম বলে, রাস্তার জন্য অনেক সময় স্কুলে দেরি হয়ে যায়। বৃষ্টি হলে বই-খাতাও ভিজে যায়। আমরা চাই দ্রুত রাস্তাটা পাকা করা হোক। স্থানীয় কৃষক নুর ইসলাম বলেন, আমাদের কৃষিপণ্য বাজারে নিতে খুব সমস্যা হয়। ভ্যান বা গাড়ি ঢুকতে চায় না। অনেক সময় কম দামে ক্ষেত থেকেই ফসল বিক্রি করতে হয়। এলাকাবাসী আরও জানান, দীর্ঘদিন যোগাযোগ ব্যবস্থার এমন করুণ অবস্থার কারণে সামাজিক জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এমনকি বিয়ে-শাদির ক্ষেত্রেও সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। অন্য এলাকার মানুষ এ এলাকায় আত্মীয়তা করতে অনীহা প্রকাশ করেন। কেউ বিয়ে দিলেও কষ্টকর যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে মেয়েকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠাতে নানা সংকোচ তৈরি হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন বলেন, এই রাস্তা দিয়ে কাঁচাবাড়ির হাট, মন্ডলের হাট, নাগের হাট, মাঠের হাট ও অরুন্নেসা হাটে মানুষ যাতায়াত করে। কিন্তু রাস্তার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বর্ষায় অনেক ব্যবসায়ী এই পথে আসতেই চান না। স্থানীয়রা জানান, এই রাস্তাটি শুধু কয়েকটি গ্রামের যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং এলাকার শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান সড়ক। অথচ বছরের পর বছর অবহেলায় পড়ে থাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে এলাকাবাসীর মধ্যে।

‎এ বিষয়ে ১৫ নম্বর লোহানীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক আবুল কালাম আজাদ বলেন, রাস্তাটির দুরবস্থার বিষয়টি আমরা অবগত আছি। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে। বদরগঞ্জ উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. হারুন অর রশীদ বলেন, দীর্ঘদিন রাস্তাটির কোনো কোড নম্বর ছিল না। সম্প্রতি নতুন করে কোড হয়েছে। এটি দ্বিতীয় পর্যায়ে পাকাকরণের তালিকায় রয়েছে। বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু করা হবে। তবে এলাকাবাসীর দাবি, আর আশ্বাস নয় দ্রুত বাস্তব কাজ দেখতে চান তারা। দীর্ঘ ৫৫ বছরের অবহেলার অবসান ঘটিয়ে দ্রুত রাস্তাটি পাকাকরণের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মানুষজন।


জুফাস নিউজ

সম্পাদক ও প্রকাশক: খাদেমুল বাশার রিফাত


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জুফাস নিউজ