রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার নিহত ইলেকট্রিশিয়ান মঞ্জুরুল ইসলামের অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন রংপুর-২ (তারাগঞ্জ–বদরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক এ.টি.এম আজহারুল ইসলাম।
বুধবার (৭ মে ২০২৬) দুপুরে তিনি উপজেলার নিহতের বাড়িতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।
পরিবারটির জীবিকা নির্বাহের পথ সুগম করতে এমপি আজহারুল ইসলাম নিহতের স্ত্রীর হাতে একটি নতুন সেলাই মেশিন তুলে দেন। এছাড়াও তিনি মঞ্জুরুলের অবুঝ দুই সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তাদের লেখাপড়ার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণা দেন।
এ সময় এক আবেগঘন পরিবেশে এমপি আজহারুল ইসলাম বলেন: একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে অসহায় মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো আমার নৈতিক দায়িত্ব। এই পরিবারটি তাদের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে আজ দিশেহারা। আমাদের প্রত্যেকের উচিত সামর্থ্য অনুযায়ী এমন অসহায় পরিবারগুলোর দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও সুধী সমাজ এমপির এই তাৎক্ষণিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে এভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
এ সময় স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বিষয় : তারাগঞ্জ

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার নিহত ইলেকট্রিশিয়ান মঞ্জুরুল ইসলামের অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন রংপুর-২ (তারাগঞ্জ–বদরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক এ.টি.এম আজহারুল ইসলাম।
বুধবার (৭ মে ২০২৬) দুপুরে তিনি উপজেলার নিহতের বাড়িতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।
পরিবারটির জীবিকা নির্বাহের পথ সুগম করতে এমপি আজহারুল ইসলাম নিহতের স্ত্রীর হাতে একটি নতুন সেলাই মেশিন তুলে দেন। এছাড়াও তিনি মঞ্জুরুলের অবুঝ দুই সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তাদের লেখাপড়ার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণা দেন।
এ সময় এক আবেগঘন পরিবেশে এমপি আজহারুল ইসলাম বলেন: একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে অসহায় মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো আমার নৈতিক দায়িত্ব। এই পরিবারটি তাদের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে আজ দিশেহারা। আমাদের প্রত্যেকের উচিত সামর্থ্য অনুযায়ী এমন অসহায় পরিবারগুলোর দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও সুধী সমাজ এমপির এই তাৎক্ষণিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে এভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
এ সময় স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন