আসন্ন স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের জন্য প্রাথমিকভাবে ১০০ উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
আজ রোববার বিকেলে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মুখ্য সংগঠক ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি সারজিস আলম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য হাজারের বেশি অ্যাপ্লিকেশন জমা হয়েছিল। সেই থেকে আমরা প্রাথমিকভাবে ১০০ জনের নাম ঘোষণা করছি। আমরা আশা করছি এ মাসের ২০ তারিখে দ্বিতীয় ধাপে আবারও ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পারব। আমাদের এই নাম ঘোষণা প্রক্রিয়া চলতে থাকবে।
সারজিস আলম আরও বলেন, ‘আমাদের সারাদেশ থেকে এনসিপিতে যারা বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্বে আছেন, নেতৃত্ব দিচ্ছেন কিংবা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের যারা পরিশ্রমী, গ্রহণযোগ্য, যারা মানুষের ওপর কখনো জুলুমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না, যাদের সঙ্গে ফ্যাসিস্টদের সরাসরি সম্পৃক্ততা বা তাদের পর্যায়ে অপরাধের সম্পৃক্ততা ছিল না, তারা অন্য যেকোনো রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, তারা এনসিপির প্রার্থী হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবে।’
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় জোবাইরুল আলম মানিক, নোয়াখালী পৌরসভায় মেয়র পদে কাজী মাইনুদ্দিন তানভীর এবং কক্সবাজার সদর উপজেলায় শফিকুল ইসলাম শফিক, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আমিনুল হক চৌধুরী এবং চাঁদপুর সদর উপজেলায় জসিম গাজী প্রার্থী হয়েছেন।
উত্তরাঞ্চলের মধ্যে বগুড়ার সদর উপজেলায় এ এম জেড শাহরিয়ার এবং শিবগঞ্জে জাহাঙ্গীর আলম, রাজশাহীর গোদাগারী উপজেলায় আতিকুর রহমান এবং সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌরসভায় ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ আল মামুন লিয়ন, কুষ্টিয়ার কুমারখালি উপজেলায় অ্যাডভোকেট আবুল হাশিম বাদশা নির্বাচন করবেন।
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় মো. জাকারিয়া (লাদেন) এবং কানাইঘাট উপজেলায় বুরহান উদ্দিন ইউসুফ চেয়ারম্যান পদে লড়বেন। অন্যদিকে ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলায় ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল ইসলাম এবং শেরপুর সদর উপজেলায় ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ লিখন মিয়াকে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে।
রংপুর সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে কৃষ্ণ চন্দ্র বর্মণ এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলায় মাওলানা এম এ তাফসীর হাসান, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলায় ফরিদ আহমেদ এবং ভোলা সদর উপজেলায় জিয়াউর রহমান মনোনয়ন পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
আসন্ন স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের জন্য প্রাথমিকভাবে ১০০ উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
আজ রোববার বিকেলে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মুখ্য সংগঠক ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি সারজিস আলম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য হাজারের বেশি অ্যাপ্লিকেশন জমা হয়েছিল। সেই থেকে আমরা প্রাথমিকভাবে ১০০ জনের নাম ঘোষণা করছি। আমরা আশা করছি এ মাসের ২০ তারিখে দ্বিতীয় ধাপে আবারও ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পারব। আমাদের এই নাম ঘোষণা প্রক্রিয়া চলতে থাকবে।
সারজিস আলম আরও বলেন, ‘আমাদের সারাদেশ থেকে এনসিপিতে যারা বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্বে আছেন, নেতৃত্ব দিচ্ছেন কিংবা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের যারা পরিশ্রমী, গ্রহণযোগ্য, যারা মানুষের ওপর কখনো জুলুমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না, যাদের সঙ্গে ফ্যাসিস্টদের সরাসরি সম্পৃক্ততা বা তাদের পর্যায়ে অপরাধের সম্পৃক্ততা ছিল না, তারা অন্য যেকোনো রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, তারা এনসিপির প্রার্থী হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবে।’
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট রূপরেখা, কোনো সময়সীমা আমরা পাইনি। আমরা আশা করব যে সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে একটা টাইমলাইন আমাদেরকে দেবে। যেহেতু ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয়, তাই সিটি কর্পোরেশন, উপজেলায় নির্বাচনের সময়সীমা দেওয়া হবে। তারা যেটা বলছেন, অতি দ্রুত, সেটা পাঁচ বছরও হইতে পারে, পাঁচ মাসও হইতে পারে। আমরা এটা স্পষ্ট সময়সীমা দাবি করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘যাদেরকে প্রশাসক হিসেবে বসানো হয়েছে, তারা প্রশাসকের পদে থেকে ভোট চাচ্ছেন। সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের কাজ নগরকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। কিন্তু তারা পোস্টার দিয়ে পুরো নগরের সকল দেয়াল ভরে ফেলেছেন। আমরা এর আগেও নির্বাচনের নিরপেক্ষতার স্বার্থে দাবি জানিয়েছি যে, প্রশাসক যারা নিয়োজিত হয়েছেন তারা সেই সিটে বসে প্রশাসকের চেয়ারে বসে নির্বাচন করতে পারবেন না। তারা যদি নির্বাচন অংশগ্রহণ করেন তাহলে এটা নির্বাচনটা একদম শুরু থেকেই বিতর্কিত, একপাক্ষিক এবং নির্বাচনে কোন ধরনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে না।’
গুরুত্বপূর্ণ জেলায় যারা প্রার্থী
ঢাকার সাভার উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সালামত উল্লাহ রনি, শিল্পাঞ্চল খ্যাত নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় মো. তুহিন মাহমুদ এবং টাঙ্গাইল পৌরসভায় মেয়র পদে মাসুদুর রহমান রাসেল, ফরিদপুর পৌরসভায় মেয়র পদে সাইফ খাঁন এবং মাদারীপুর পৌরসভায় মোহাম্মদ হাসিবুল্লাহকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় জোবাইরুল আলম মানিক, নোয়াখালী পৌরসভায় মেয়র পদে কাজী মাইনুদ্দিন তানভীর এবং কক্সবাজার সদর উপজেলায় শফিকুল ইসলাম শফিক, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আমিনুল হক চৌধুরী এবং চাঁদপুর সদর উপজেলায় জসিম গাজী প্রার্থী হয়েছেন।
উত্তরাঞ্চলের মধ্যে বগুড়ার সদর উপজেলায় এ এম জেড শাহরিয়ার এবং শিবগঞ্জে জাহাঙ্গীর আলম, রাজশাহীর গোদাগারী উপজেলায় আতিকুর রহমান এবং সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌরসভায় ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ আল মামুন লিয়ন, কুষ্টিয়ার কুমারখালি উপজেলায় অ্যাডভোকেট আবুল হাশিম বাদশা নির্বাচন করবেন।
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় মো. জাকারিয়া (লাদেন) এবং কানাইঘাট উপজেলায় বুরহান উদ্দিন ইউসুফ চেয়ারম্যান পদে লড়বেন। অন্যদিকে ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলায় ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল ইসলাম এবং শেরপুর সদর উপজেলায় ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ লিখন মিয়াকে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে।
রংপুর সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে কৃষ্ণ চন্দ্র বর্মণ এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলায় মাওলানা এম এ তাফসীর হাসান, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলায় ফরিদ আহমেদ এবং ভোলা সদর উপজেলায় জিয়াউর রহমান মনোনয়ন পেয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন