রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় গভীর রাতে যাত্রীবেশে অটোভ্যান ছিনতাইয়ের এক নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন অটোভ্যান চালক মোঃ মনজুরুল ইসলাম (৩৫)। বর্তমানে তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৯ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের দিকে জায়গীরহাট বাসস্ট্যান্ড থেকে নয়ারহাট যাওয়ার কথা বলে আনুমানিক ২৫-৩০ বছর বয়সী দুই যুবক মনজুরুলের অটোভ্যানটি ভাড়া করে। চালক মনজুরুল সরল বিশ্বাসে যাত্রী নিয়ে নয়ারহাটের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
ভ্যানটি নয়ারহাট পৌঁছানোর ঠিক আগেই নির্জন 'ভাণ্ডারির বাড়ির' সামনে পৌঁছালে পিছন থেকে দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা চালায়। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মনজুরুলের মাথায় উপর্যুপরি কোপাতে থাকে। মাথার অন্তত ৬টি স্থানে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে দিয়ে দুর্বৃত্তরা অটোভ্যানটি নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাকে গোঙানির শব্দ শুনে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করেন এবং তার পরিবারকে খবর দেন। প্রথমে তাকে দ্রুত মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রমেক) স্থানান্তর করেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মনজুরুলের মাথায় ৪০টিরও বেশি সেলাই দেওয়া হয়েছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় তার অবস্থা এখনও সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
আহত মনজুরুল ইসলাম রাণীপুকুর ইউনিয়নের মাটেরহাট (জলচত্তর) গ্রামের মোঃ আব্দুস সালামের ছেলে। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির ওপর এমন হামলায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে তার পরিবার।
এ ঘটনার পর থেকে জায়গীরহাট-নয়ারহাট সড়ক সংলগ্ন এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতে পুলিশি টহল কম থাকায় অপরাধীরা এ ধরনের দুঃসাহস দেখাচ্ছে। এলাকাবাসী অতি দ্রুত এই ছিনতাইকারী চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় গভীর রাতে যাত্রীবেশে অটোভ্যান ছিনতাইয়ের এক নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন অটোভ্যান চালক মোঃ মনজুরুল ইসলাম (৩৫)। বর্তমানে তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৯ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের দিকে জায়গীরহাট বাসস্ট্যান্ড থেকে নয়ারহাট যাওয়ার কথা বলে আনুমানিক ২৫-৩০ বছর বয়সী দুই যুবক মনজুরুলের অটোভ্যানটি ভাড়া করে। চালক মনজুরুল সরল বিশ্বাসে যাত্রী নিয়ে নয়ারহাটের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
ভ্যানটি নয়ারহাট পৌঁছানোর ঠিক আগেই নির্জন 'ভাণ্ডারির বাড়ির' সামনে পৌঁছালে পিছন থেকে দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা চালায়। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মনজুরুলের মাথায় উপর্যুপরি কোপাতে থাকে। মাথার অন্তত ৬টি স্থানে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে দিয়ে দুর্বৃত্তরা অটোভ্যানটি নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাকে গোঙানির শব্দ শুনে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করেন এবং তার পরিবারকে খবর দেন। প্রথমে তাকে দ্রুত মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রমেক) স্থানান্তর করেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মনজুরুলের মাথায় ৪০টিরও বেশি সেলাই দেওয়া হয়েছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় তার অবস্থা এখনও সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
আহত মনজুরুল ইসলাম রাণীপুকুর ইউনিয়নের মাটেরহাট (জলচত্তর) গ্রামের মোঃ আব্দুস সালামের ছেলে। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির ওপর এমন হামলায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে তার পরিবার।
এ ঘটনার পর থেকে জায়গীরহাট-নয়ারহাট সড়ক সংলগ্ন এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতে পুলিশি টহল কম থাকায় অপরাধীরা এ ধরনের দুঃসাহস দেখাচ্ছে। এলাকাবাসী অতি দ্রুত এই ছিনতাইকারী চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন