নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের গদা উত্তর জুম্মাপাড়া গ্ৰামে পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় অন্তত ৫০টি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। টানা বৃষ্টিতে ঘরবাড়ি ও আঙিনা তলিয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা। রান্নাবান্না থেকে শুরু করে দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে না পেরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গদা উত্তর জুম্মাপাড়া গ্রামে প্রায় অর্ধশত পরিবারের বসবাস। কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে পুরো গ্রাম এখন জলমগ্ন। বৃষ্টির পানি বের হওয়ার কোনো পথ না থাকায় তৈরি হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা।
দুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ারা বেগম ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন:
"ঘরের মেঝেতে হাঁটু পানি জমে গেছে। কোথায় থাকব, কোথায় রান্না করে ছেলেমেয়েদের খাওয়াব—কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। আমাদের এই কষ্ট দেখার কেউ নেই।"
গ্রামবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় কোনো ড্রেন ও কালভার্ট নির্মাণ করা হয়নি। ফলে প্রতি বছরই সামান্য বৃষ্টিতে এই গ্রামে তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় এবং তাদের মাসের পর মাস ভুগতে হয়। এই স্থায়ী ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে দ্রুত ড্রেন ও কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
পানিবন্দি মানুষের এই চরম দুর্ভোগের বিষয়ে কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান:
"ওই গ্রামের পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। জমে থাকা পানি দ্রুত নিষ্কাশন এবং মানুষের ভোগান্তি লাঘবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের গদা উত্তর জুম্মাপাড়া গ্ৰামে পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় অন্তত ৫০টি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। টানা বৃষ্টিতে ঘরবাড়ি ও আঙিনা তলিয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা। রান্নাবান্না থেকে শুরু করে দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে না পেরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গদা উত্তর জুম্মাপাড়া গ্রামে প্রায় অর্ধশত পরিবারের বসবাস। কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে পুরো গ্রাম এখন জলমগ্ন। বৃষ্টির পানি বের হওয়ার কোনো পথ না থাকায় তৈরি হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা।
দুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ারা বেগম ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন:
"ঘরের মেঝেতে হাঁটু পানি জমে গেছে। কোথায় থাকব, কোথায় রান্না করে ছেলেমেয়েদের খাওয়াব—কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। আমাদের এই কষ্ট দেখার কেউ নেই।"
গ্রামবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় কোনো ড্রেন ও কালভার্ট নির্মাণ করা হয়নি। ফলে প্রতি বছরই সামান্য বৃষ্টিতে এই গ্রামে তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় এবং তাদের মাসের পর মাস ভুগতে হয়। এই স্থায়ী ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে দ্রুত ড্রেন ও কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
পানিবন্দি মানুষের এই চরম দুর্ভোগের বিষয়ে কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান:
"ওই গ্রামের পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। জমে থাকা পানি দ্রুত নিষ্কাশন এবং মানুষের ভোগান্তি লাঘবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

আপনার মতামত লিখুন