কুড়িগ্রামের রৌমারীতে একটি খাবারের প্যাকেটে আস্ত ব্যাঙ পাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সংশ্লিষ্ট খাবারের দোকানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (১ জুন) দুপুরে উপজেলার রৌমারীর বাজার এলাকায় একটি খাবারের দোকান ‘নান্না বিরিয়ানি হাউজ’ থেকে আতোয়ার রহমান ও আশিকুর রহমান পাঁচ প্যাকেট মোরগ পোলাও কিনে বাড়িতে নিয়ে যান। পরিবারের সদস্যদের মাঝে খাবার পরিবেশন করার সময় একটি প্যাকেটের ভেতরে আস্ত একটি ব্যাঙ দেখতে পান তারা। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা হতবাক হয়ে পড়েন। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনাও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পায়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ইউএনও আলাউদ্দিন।
স্থানীয় বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম বলেন, খাবারের হোটেলগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ খাবার পরিবেশন করে আসছেন। উপজেলা প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় এরকম ঘটনা ঘটছে। দিন দিন হোটেলের খাবারের মান খারাপ হচ্ছে।
এ বিষয়টি জানতে নান্না বিরিয়ানি হাউজের মালিক রিয়াজ আল মামুনের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আলাউদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খাবারের প্যাকেটে ব্যাঙ পাওয়ার খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে সেজন্য কঠোর সতর্ক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে একটি খাবারের প্যাকেটে আস্ত ব্যাঙ পাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সংশ্লিষ্ট খাবারের দোকানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (১ জুন) দুপুরে উপজেলার রৌমারীর বাজার এলাকায় একটি খাবারের দোকান ‘নান্না বিরিয়ানি হাউজ’ থেকে আতোয়ার রহমান ও আশিকুর রহমান পাঁচ প্যাকেট মোরগ পোলাও কিনে বাড়িতে নিয়ে যান। পরিবারের সদস্যদের মাঝে খাবার পরিবেশন করার সময় একটি প্যাকেটের ভেতরে আস্ত একটি ব্যাঙ দেখতে পান তারা। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা হতবাক হয়ে পড়েন। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনাও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পায়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ইউএনও আলাউদ্দিন।
স্থানীয় বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম বলেন, খাবারের হোটেলগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ খাবার পরিবেশন করে আসছেন। উপজেলা প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় এরকম ঘটনা ঘটছে। দিন দিন হোটেলের খাবারের মান খারাপ হচ্ছে।
এ বিষয়টি জানতে নান্না বিরিয়ানি হাউজের মালিক রিয়াজ আল মামুনের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আলাউদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খাবারের প্যাকেটে ব্যাঙ পাওয়ার খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে সেজন্য কঠোর সতর্ক করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন