ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর এলাকায় টাঙ্গন নদীতে গোসল করতে গিয়ে সারুপ নামের এক স্কুলছাত্র নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। নিখোঁজের একদিন পার হলেও এখনো তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলসহ স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসী যৌথভাবে তল্লাশি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে সারুপ তার কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে নিশ্চিন্তপুর এলাকার টাঙ্গন নদীতে গোসল করতে যায়। একপর্যায়ে নদীর গভীর পানিতে চলে গেলে সে পানির স্রোতে তলিয়ে যায়। সঙ্গে থাকা বন্ধুরা বিষয়টি টের পেয়ে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
পরে স্থানীয়রা নদীতে নেমে বিভিন্নভাবে খোঁজাখুঁজি চালান। দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হলে উদ্ধার কার্যক্রমের প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
বুধবার (১৭ জুন) সকাল থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আনুষ্ঠানিক উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ডুবুরিরা নদীর সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালাচ্ছেন। পাশাপাশি স্থানীয়রাও উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করছেন। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ স্কুলছাত্র সারুপের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এদিকে শিশুটির নিখোঁজ হওয়ার খবরে তার পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনরা নদীর তীরে অবস্থান করে উদ্বেগের সঙ্গে উদ্ধার অভিযানের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন। এলাকাবাসীর মধ্যেও গভীর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। অনেকেই দ্রুত তাকে উদ্ধার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় টাঙ্গন নদীর কিছু অংশ বর্তমানে বেশ গভীর ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ কারণে শিশু-কিশোরদের নদীতে গোসল বা সাঁতার কাটার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের আরও সতর্ক থাকার প্রয়োজন রয়েছে বলে তারা মত প্রকাশ করেন।
ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা জানান, নিখোঁজ স্কুলছাত্রকে খুঁজে বের করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে এবং উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বিষয় : বালিয়াডাঙ্গীর খবর

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর এলাকায় টাঙ্গন নদীতে গোসল করতে গিয়ে সারুপ নামের এক স্কুলছাত্র নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। নিখোঁজের একদিন পার হলেও এখনো তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলসহ স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসী যৌথভাবে তল্লাশি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে সারুপ তার কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে নিশ্চিন্তপুর এলাকার টাঙ্গন নদীতে গোসল করতে যায়। একপর্যায়ে নদীর গভীর পানিতে চলে গেলে সে পানির স্রোতে তলিয়ে যায়। সঙ্গে থাকা বন্ধুরা বিষয়টি টের পেয়ে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
পরে স্থানীয়রা নদীতে নেমে বিভিন্নভাবে খোঁজাখুঁজি চালান। দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হলে উদ্ধার কার্যক্রমের প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
বুধবার (১৭ জুন) সকাল থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আনুষ্ঠানিক উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ডুবুরিরা নদীর সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালাচ্ছেন। পাশাপাশি স্থানীয়রাও উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করছেন। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ স্কুলছাত্র সারুপের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এদিকে শিশুটির নিখোঁজ হওয়ার খবরে তার পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনরা নদীর তীরে অবস্থান করে উদ্বেগের সঙ্গে উদ্ধার অভিযানের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন। এলাকাবাসীর মধ্যেও গভীর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। অনেকেই দ্রুত তাকে উদ্ধার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় টাঙ্গন নদীর কিছু অংশ বর্তমানে বেশ গভীর ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ কারণে শিশু-কিশোরদের নদীতে গোসল বা সাঁতার কাটার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের আরও সতর্ক থাকার প্রয়োজন রয়েছে বলে তারা মত প্রকাশ করেন।
ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা জানান, নিখোঁজ স্কুলছাত্রকে খুঁজে বের করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে এবং উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন