আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করে নগরবাসীকে একটি পরিচ্ছন্ন ও দুর্গন্ধমুক্ত শহর উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে রংপুর সিটি কর্পোরেশন (রসিক)। সরকারিভাবে বর্জ্য অপসারণের জন্য ১২ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেওয়া হলেও, রসিক মাত্র ৮ ঘণ্টার মধ্যে পুরো নগরীর বর্জ্য অপসারণের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্যমাত্রা হাতে নিয়েছে।আজ বুধবার (২৭ মে) দুপুরে রংপুর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই পরিকল্পনার কথা জানান রসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন-নবী চৌধুরী ডন।রসিক প্রশাসক জানান, কোরবানির শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং যত্রতত্র নোংরা পরিবেশ এড়াতে নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডে পশু জবাইয়ের জন্য ৬৬টি স্থান সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। তিনি নগরবাসীকে যত্রতত্র পশু জবাই না করে এই নির্ধারিত স্থানগুলো ব্যবহারের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্ধারিত স্থানগুলোতে পশুর গোশত কাটার সুবিধার্থে কসাই এবং ধর্মীয় নিয়ম মেনে জবাই সম্পন্ন করতে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি স্পটে পর্যাপ্ত পানি ও দুর্গন্ধ রোধে ব্লিচিং পাউডারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। [TECHTARANGA-POST:6012]বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরে অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন-নবী চৌধুরী বলেন:"সরকারিভাবে ১২ ঘণ্টা সময় দেওয়া হলেও আমরা লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছি ৮ ঘণ্টার মধ্যে কাজ শেষ করার। ঈদের দিন দুপুর ২টায় নগর ভবন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হবে। ১০৬৯ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী তিনটি জোনে ভাগ হয়ে ট্রলি, ট্রাক ও ভ্যান নিয়ে একযোগে মাঠে কাজ করবেন।"কোরবানি পরবর্তী সময়ে নগরবাসীকে দ্রুত সেবা দিতে এবং বর্জ্য সংক্রান্ত যে কোনো অভিযোগ বা তথ্য জানাতে একটি ডেডিকেটেড হটলাইন নম্বর (০১৭৩৩৩৯০১৫০) চালু করেছে রংপুর সিটি কর্পোরেশন। নগরীকে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর রাখতে জনসাধারণের সচেতনতা এবং সর্বোচ্চ সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রশাসক।