প্রতিবছরের মতো এবারেও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দিনাজপুরের সদর উপজেলাসহ জেলার ৬টি উপজেলায় পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করেছেন মুসল্লিদের একটি অংশ। আজ বুধবার (২৭ মে) সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার পর পশু কোরবানি করছেন এসব এলাকার বাসিন্দারা।
দিনাজপুর শহরের চারুবাবুর মোড়স্থ পার্টি সেন্টারে এবং চিরিরবন্দর, কাহারোল, বোচাগঞ্জ, বিরল ও বিরামপুর উপজেলার অন্তত ২৫টি গ্রামের কয়েকশ’ পরিবারের মানুষ এই আগাম ঈদের নামাজ আদায় করেন।
আজ বুধবার সকাল ৮টায় দিনাজপুর শহরের চারুবাবুর মোড়স্থ পার্টি সেন্টারে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন এলাকার পুরুষ, নারী এবং শিশুসহ প্রায় ৩ শতাধিক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। জামাতে ইমামতি করেন দিনাজপুরের ফুলবাড়ী হলি কুরআন মাদরাসার পরিচালক মাওলানা মো. আব্দুর রাজ্জাক।
নামাজ শেষে খুৎবায় বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সাথে মিল রেখে একই দিনে ঈদ ও কোরবানি করার যৌক্তিকতা তুলে ধরা হয়। সেই সাথে পবিত্র কুরআনুল করিমের আয়াতের আলোকে বিতর্ক পরিহার করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান ইমাম।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শহরের পাশাপাশি জেলার আরও ৫টি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
চিরিরবন্দর উপজেলা: সাইতারা ইউনিয়নের রাবার ড্যাম ও ফতেহজংপুর গ্রাম।
কাহারোল উপজেলা: জয়নন্দ গ্রাম ও ১৩ মাইল এলাকা।
বিরল উপজেলা: পশ্চিম বনগাঁ জামে মসজিদ।
বিরামপুর উপজেলা: বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া দাখিল মাদরাসা মাঠ ও খয়ের বাড়ি দাখিল মাদরাসা মাঠ।
এছাড়াও বোচাগঞ্জ উপজেলার নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
নামাজ আদায়কারী কয়েকজন প্রবীণ মুসল্লি জানান, দিনাজপুরে প্রথমে কেবল চিরিরবন্দর উপজেলাতেই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করা হতো। তবে সময়ের সাথে সাথে এখন সদরসহ অন্যান্য উপজেলাতেও এর পরিধি বেড়েছে।
জামাতে অংশ নেওয়া এক মুসল্লি নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, "প্রথমে আমরাও এই আগাম ঈদের বিরোধিতা করতাম। কিন্তু পরে যখন কুরআন ও হাদিস নিজে পড়ে বিস্তারিত জানতে পারলাম যে এটাই সঠিক, তখন থেকে আমরাও জামাতে শরিক হওয়া শুরু করি। গত দশ বছর ধরে আমরা এভাবেই ঈদ উদযাপন করছি।"
উল্লেখ্য, দিনাজপুর জেলায় ২০০৭ সাল থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করে আসছে মুসল্লিদের এই অংশটি।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬
প্রতিবছরের মতো এবারেও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দিনাজপুরের সদর উপজেলাসহ জেলার ৬টি উপজেলায় পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করেছেন মুসল্লিদের একটি অংশ। আজ বুধবার (২৭ মে) সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার পর পশু কোরবানি করছেন এসব এলাকার বাসিন্দারা।
দিনাজপুর শহরের চারুবাবুর মোড়স্থ পার্টি সেন্টারে এবং চিরিরবন্দর, কাহারোল, বোচাগঞ্জ, বিরল ও বিরামপুর উপজেলার অন্তত ২৫টি গ্রামের কয়েকশ’ পরিবারের মানুষ এই আগাম ঈদের নামাজ আদায় করেন।
আজ বুধবার সকাল ৮টায় দিনাজপুর শহরের চারুবাবুর মোড়স্থ পার্টি সেন্টারে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন এলাকার পুরুষ, নারী এবং শিশুসহ প্রায় ৩ শতাধিক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। জামাতে ইমামতি করেন দিনাজপুরের ফুলবাড়ী হলি কুরআন মাদরাসার পরিচালক মাওলানা মো. আব্দুর রাজ্জাক।
নামাজ শেষে খুৎবায় বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সাথে মিল রেখে একই দিনে ঈদ ও কোরবানি করার যৌক্তিকতা তুলে ধরা হয়। সেই সাথে পবিত্র কুরআনুল করিমের আয়াতের আলোকে বিতর্ক পরিহার করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান ইমাম।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শহরের পাশাপাশি জেলার আরও ৫টি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
চিরিরবন্দর উপজেলা: সাইতারা ইউনিয়নের রাবার ড্যাম ও ফতেহজংপুর গ্রাম।
কাহারোল উপজেলা: জয়নন্দ গ্রাম ও ১৩ মাইল এলাকা।
বিরল উপজেলা: পশ্চিম বনগাঁ জামে মসজিদ।
বিরামপুর উপজেলা: বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া দাখিল মাদরাসা মাঠ ও খয়ের বাড়ি দাখিল মাদরাসা মাঠ।
এছাড়াও বোচাগঞ্জ উপজেলার নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
নামাজ আদায়কারী কয়েকজন প্রবীণ মুসল্লি জানান, দিনাজপুরে প্রথমে কেবল চিরিরবন্দর উপজেলাতেই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করা হতো। তবে সময়ের সাথে সাথে এখন সদরসহ অন্যান্য উপজেলাতেও এর পরিধি বেড়েছে।
জামাতে অংশ নেওয়া এক মুসল্লি নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, "প্রথমে আমরাও এই আগাম ঈদের বিরোধিতা করতাম। কিন্তু পরে যখন কুরআন ও হাদিস নিজে পড়ে বিস্তারিত জানতে পারলাম যে এটাই সঠিক, তখন থেকে আমরাও জামাতে শরিক হওয়া শুরু করি। গত দশ বছর ধরে আমরা এভাবেই ঈদ উদযাপন করছি।"
উল্লেখ্য, দিনাজপুর জেলায় ২০০৭ সাল থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করে আসছে মুসল্লিদের এই অংশটি।

আপনার মতামত লিখুন