ঠাকুরগাঁও জেলার ভূল্লী থানার সবদল হাট এলাকায় পরিচালিত মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে একটি জীবিত তক্ষক, ৭৫০ গ্রাম গাঁজা, ১০ পিস ইয়াবা, সামান্য পরিমাণ হেরোইন এবং নগদ ৮৩ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে একটি নির্দিষ্ট স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির সময় মাদকদ্রব্যের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের আওতাভুক্ত একটি জীবিত তক্ষক উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা নগদ ৮৩ হাজার টাকা মাদক ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, মাদক নির্মূল এবং বন্যপ্রাণী পাচার প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া তক্ষকটি সংরক্ষিত বন্যপ্রাণী হওয়ায় বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তক্ষকটি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধার হওয়া গাঁজা, ইয়াবা, হেরোইন এবং নগদ অর্থের উৎস অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে মাদক পাচার ও বন্যপ্রাণী চোরাচালানের সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আরও জানায়, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং জনসচেতনতা কার্যক্রম চলমান থাকবে। মাদক ও বন্যপ্রাণী পাচারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
ঠাকুরগাঁও জেলার ভূল্লী থানার সবদল হাট এলাকায় পরিচালিত মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে একটি জীবিত তক্ষক, ৭৫০ গ্রাম গাঁজা, ১০ পিস ইয়াবা, সামান্য পরিমাণ হেরোইন এবং নগদ ৮৩ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে একটি নির্দিষ্ট স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির সময় মাদকদ্রব্যের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের আওতাভুক্ত একটি জীবিত তক্ষক উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা নগদ ৮৩ হাজার টাকা মাদক ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, মাদক নির্মূল এবং বন্যপ্রাণী পাচার প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া তক্ষকটি সংরক্ষিত বন্যপ্রাণী হওয়ায় বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তক্ষকটি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধার হওয়া গাঁজা, ইয়াবা, হেরোইন এবং নগদ অর্থের উৎস অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে মাদক পাচার ও বন্যপ্রাণী চোরাচালানের সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আরও জানায়, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং জনসচেতনতা কার্যক্রম চলমান থাকবে। মাদক ও বন্যপ্রাণী পাচারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন