রংপুর    সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
জুফাস নিউজ

মৃত্যুর আগে বন্ধুদের যা বলেছিলেন যাহের আলভীর স্ত্রী

স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলায় ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা যাহের আলভী এখন আদালতের নির্দেশে কারাগারে রয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁর জামিন আবেদন সম্পূর্ণ নামঞ্জুর করে তাঁকে হাজতে পাঠানোর এই আদেশ প্রদান করেন। এই আইনি পদক্ষেপের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে ইকরার মৃত্যুর ঠিক আগে তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সঙ্গে হওয়া গোপন কথোপকথন এবং ভবিষ্যতের নানা পরিকল্পনার তথ্য।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ইকরার লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করলেও শুরু থেকেই নিহতের পরিবার ও বন্ধুরা এর পেছনের কারণ খতিয়ে দেখার দাবি করে আসছেন। ইকরার দীর্ঘদিনের বন্ধু সামিয়া আলম ও খাদিজা লুপিন জানান যে মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগেও তাঁদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। তিন বন্ধু মিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি ব্যক্তিগত গ্রুপে প্রায় প্রতিদিনই নানা বিষয়ে কথা বলতেন এবং ঘটনার দিন সকালেও সেখানে সক্রিয় ছিলেন ইকরা।সামিয়া আলমের দাবি অনুযায়ী সেদিন সকাল ১০টা ৪৬ মিনিটে ইকরা গ্রুপে একটি শেষ বার্তা পাঠান যেখানে তিনি নেপালে চলে যাওয়ার কথা উল্লেখ করেছিলেন। বন্ধুরা তখন বিষয়টিকে সাময়িক রাগ বা অভিমান ভেবেছিলেন কারণ ওই দিন সন্ধ্যায় ইকরার বাসায় তাঁদের সবার ইফতারের দাওয়াত ছিল।বন্ধুদের দাবি অনুযায়ী ইকরা কখনোই আত্মহত্যার মতো চরম পথ বেছে নেওয়ার মতো মানুষ ছিলেন না বরং তিনি নিজের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা করছিলেন। তিনি তাঁর স্বামী যাহের আলভীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কের বিষয়ে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চেয়েছিলেন এবং প্রয়োজনে বিচ্ছেদের সম্ভাবনা নিয়েও কথা বলেছিলেন। ইকরা নতুন করে নিজের একটি ব্যবসা শুরু করার পাশাপাশি তাঁর একমাত্র সন্তান রিজিকের ভবিষ্যৎ কর্মজীবন নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখতেন। অন্য দিকে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে যে দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ, মানসিক নির্যাতন এবং স্বামীর অন্য এক নারীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ককে কেন্দ্র করে ইকরা চরম মানসিক চাপে ভুগছিলেন।

মৃত্যুর আগে বন্ধুদের যা বলেছিলেন যাহের আলভীর স্ত্রী