রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই হারানো সেই অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই দম্পতিকে টিন ও অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়।
গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে হঠাৎ বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে মো. আয়ুব আলি (৬৫) ও তার স্ত্রী আবেদা বেগমের (৫৯) বসতঘরের টিনের ছাদ উড়ে যায়। নিজস্ব আবাদি জমি না থাকায় মাত্র দুই শতক জমির ওপর নির্মিত ওই ছোট ঘরটিই ছিল তাদের একমাত্র আশ্রয়। একমাত্র উপার্জনক্ষম বড় ছেলে তিন বছর আগে এক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ায় বর্তমানে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন এই বৃদ্ধ দম্পতি। ঘর হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বৃষ্টিতে ভিজে রাত কাটানোর খবরটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
বিষয়টি তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোনাব্বর হোসেনের নজরে আসলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ওই দম্পতিকে ডেকে পাঠান। এরপর মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের হাতে ২ বান্ডিল টিন এবং ৬ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসনের এই দ্রুত পদক্ষেপের ফলে ঘর মেরামতের সুযোগ পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন অসহায় এই বৃদ্ধ দম্পতি।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই হারানো সেই অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই দম্পতিকে টিন ও অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়।
গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে হঠাৎ বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে মো. আয়ুব আলি (৬৫) ও তার স্ত্রী আবেদা বেগমের (৫৯) বসতঘরের টিনের ছাদ উড়ে যায়। নিজস্ব আবাদি জমি না থাকায় মাত্র দুই শতক জমির ওপর নির্মিত ওই ছোট ঘরটিই ছিল তাদের একমাত্র আশ্রয়। একমাত্র উপার্জনক্ষম বড় ছেলে তিন বছর আগে এক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ায় বর্তমানে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন এই বৃদ্ধ দম্পতি। ঘর হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বৃষ্টিতে ভিজে রাত কাটানোর খবরটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
বিষয়টি তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোনাব্বর হোসেনের নজরে আসলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ওই দম্পতিকে ডেকে পাঠান। এরপর মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের হাতে ২ বান্ডিল টিন এবং ৬ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসনের এই দ্রুত পদক্ষেপের ফলে ঘর মেরামতের সুযোগ পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন অসহায় এই বৃদ্ধ দম্পতি।

আপনার মতামত লিখুন