দফায় দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুর মহানগরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর টাউন হল চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি সিটি বাজার, পায়রা চত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড়, দাবানল মোড় ও গ্র্যান্ড হোটেল মোড় প্রদক্ষিণ করে শাপলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মহানগর জামায়াতের আমির এটিএম আজম খান। আরও বক্তব্য দেন মহানগর সেক্রেটারি কে. এম. আনোয়ারুল হক কাজল, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ও রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী, আল-আমিন হাসান, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাওছার আলী, কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা শাহজাহান সিরাজ, স্থলবন্দর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সরকারি পরিচালক মোহাম্মদ আবুল হাশেম বাদল, রংপুর মহানগর ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সাজ্জাদ হোসেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সুমন সরকারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল— “তেলের দাম কমাতে হবে”, “গ্যাসের দাম কমাতে হবে”, “দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি মানি না, মানব না”, “জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে অবিলম্বে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে হবে” ইত্যাদি। এতে পুরো নগরী স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে।
সমাবেশে মহানগর আমির এটিএম আজম খান বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি গণতান্ত্রিক, নিয়মতান্ত্রিক ও সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ে আন্দোলন চালিয়ে আসছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা ছিল নতুন সরকারের সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় সহনীয় পর্যায়ে থাকবে। কিন্তু বাস্তবে বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে অস্বচ্ছতা ও অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে জনগণ চরম ভোগান্তিতে পড়ছে। রাতের আঁধারে সিদ্ধান্ত নিয়ে মূল্যবৃদ্ধি জনগণের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, জনগণের ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। অন্যথায় জনগণের ক্ষোভ আরও বৃদ্ধি পাবে।
সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান। একই সঙ্গে জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে মূল্য নির্ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, দাবি মানা না হলে জনস্বার্থে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
দফায় দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রংপুর মহানগরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর টাউন হল চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি সিটি বাজার, পায়রা চত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড়, দাবানল মোড় ও গ্র্যান্ড হোটেল মোড় প্রদক্ষিণ করে শাপলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মহানগর জামায়াতের আমির এটিএম আজম খান। আরও বক্তব্য দেন মহানগর সেক্রেটারি কে. এম. আনোয়ারুল হক কাজল, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ও রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী, আল-আমিন হাসান, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাওছার আলী, কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা শাহজাহান সিরাজ, স্থলবন্দর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সরকারি পরিচালক মোহাম্মদ আবুল হাশেম বাদল, রংপুর মহানগর ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সাজ্জাদ হোসেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সুমন সরকারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল— “তেলের দাম কমাতে হবে”, “গ্যাসের দাম কমাতে হবে”, “দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি মানি না, মানব না”, “জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে অবিলম্বে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে হবে” ইত্যাদি। এতে পুরো নগরী স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে।
সমাবেশে মহানগর আমির এটিএম আজম খান বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি গণতান্ত্রিক, নিয়মতান্ত্রিক ও সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ে আন্দোলন চালিয়ে আসছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা ছিল নতুন সরকারের সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় সহনীয় পর্যায়ে থাকবে। কিন্তু বাস্তবে বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে অস্বচ্ছতা ও অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে জনগণ চরম ভোগান্তিতে পড়ছে। রাতের আঁধারে সিদ্ধান্ত নিয়ে মূল্যবৃদ্ধি জনগণের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, জনগণের ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। অন্যথায় জনগণের ক্ষোভ আরও বৃদ্ধি পাবে।
সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান। একই সঙ্গে জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে মূল্য নির্ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, দাবি মানা না হলে জনস্বার্থে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

আপনার মতামত লিখুন