রংপুর    মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
জুফাস নিউজ
আপডেট : শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

খাল খননে স্বচ্ছতায় পঞ্চগড়ের দুই ইউএনওকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

খাল খননে স্বচ্ছতায় পঞ্চগড়ের দুই ইউএনওকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

জুলাই সনদ প্রতিটি অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

জুলাই সনদ প্রতিটি অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

পঞ্চগড়ে ৬৯০ মিটার খাল খনন সম্পন্ন, সাশ্রয় হওয়া ৩ লাখ ৩ হাজার ২৫৫ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত

পঞ্চগড়ে ৬৯০ মিটার খাল খনন সম্পন্ন, সাশ্রয় হওয়া ৩ লাখ ৩ হাজার ২৫৫ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত

পঞ্চগড়ে রাস্তা দখল করে পাথর-বালুর কারবার: বাড়ছে জনদুর্ভোগ

পঞ্চগড়ে রাস্তা দখল করে পাথর-বালুর কারবার: বাড়ছে জনদুর্ভোগ

পঞ্চগড়ে ময়দানদিঘী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী

পঞ্চগড়ে ময়দানদিঘী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিটি পোস্টের সঙ্গে একটি করে বৃক্ষ রোপণের আহ্বান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিটি পোস্টের সঙ্গে একটি করে বৃক্ষ রোপণের আহ্বান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

 ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ যুবক আটক, পঞ্চগড়ে বিজিবির অভিযান

ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ যুবক আটক, পঞ্চগড়ে বিজিবির অভিযান

চার বছর ধরে পরিত্যক্ত ভবনেই চলছে ক্লাস, ঝুঁকিতে ২৬১ শিক্ষার্থীর জীবন

চার বছর ধরে পরিত্যক্ত ভবনেই চলছে ক্লাস, ঝুঁকিতে ২৬১ শিক্ষার্থীর জীবন

বোদায় দেড় কোটি টাকার উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের মুখে ইউএনও

বোদায় দেড় কোটি টাকার উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের মুখে ইউএনও
মো. রবিউল ইসলাম (ইউএনও)। ছবি: জুফাস নিউজ

কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৪১ লাখ ৬৩ হাজার টাকা ব্যয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সরকারি ক্রয়বিধি (পিপিআর) যথাযথভাবে অনুসরণ না করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়াই বিভিন্ন উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন এবং ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি অর্থ উত্তোলনের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

জানা গেছে, ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরে বিশেষ বরাদ্দ, অনগ্রসর উপজেলা উন্নয়ন সহায়তা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) চতুর্থ কিস্তির অর্থ মিলিয়ে প্রায় দেড় কোটি টাকার উন্নয়নকাজের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। সরকারি বিধি অনুযায়ী এসব অর্থ ব্যয়ে পিপিআর ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা অনুসরণ করার কথা থাকলেও তা মানা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন ঠিকাদার।

অভিযোগকারীদের দাবি, কোনো ধরনের উন্মুক্ত টেন্ডার আহ্বান না করে নির্মাণসামগ্রী ক্রয় ও শ্রমিক নিয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে ঠিকাদাররা প্রতিযোগিতামূলকভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এবং সরকারের আর্থিক স্বচ্ছতাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

সূত্র জানায়, বরাদ্দের অর্থে উপজেলা কমপ্লেক্সের বিভিন্ন অফিস ও বাসভবন, গ্যারেজ, অভ্যন্তরীণ ড্রেন, রাস্তা, ঘাটলা, শিশু পার্ক সংস্কার, অডিটোরিয়ামে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) যন্ত্র স্থাপন এবং আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শিশু পার্কে লেক নির্মাণ, খেলাধুলার সরঞ্জাম স্থাপন, ইউএনওর সরকারি গাড়ির গ্যারেজ ও চালকের কক্ষ নির্মাণ এবং অডিটোরিয়ামে এসি স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।

কাজে নিয়োজিত কয়েকজন শ্রমিক জানান, তারা দৈনিক মজুরিভিত্তিক এসব উন্নয়নকাজে অংশ নিচ্ছেন এবং ইউএনও কার্যালয়ের মাধ্যমে পারিশ্রমিক পাচ্ছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী জগবন্ধু রায় বলেন, বিশেষ বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে ইউএনও কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাই বিস্তারিত জানাতে পারবেন। এ কাজে তাদের দপ্তরের সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই।

অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, সব কাজ সরকারি বিধি অনুসরণ করে পিআইসি, আরএফকিউ অথবা টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদাররাই কাজ করছেন।

পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভীন বলেন, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিষয় : অনিয়মের অভিযোগ প্রকল্পে অনিয়ম পঞ্চগড়ের খবর

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
জুফাস নিউজ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


বোদায় দেড় কোটি টাকার উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের মুখে ইউএনও

প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬

featured Image

কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৪১ লাখ ৬৩ হাজার টাকা ব্যয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সরকারি ক্রয়বিধি (পিপিআর) যথাযথভাবে অনুসরণ না করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়াই বিভিন্ন উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন এবং ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি অর্থ উত্তোলনের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

জানা গেছে, ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরে বিশেষ বরাদ্দ, অনগ্রসর উপজেলা উন্নয়ন সহায়তা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) চতুর্থ কিস্তির অর্থ মিলিয়ে প্রায় দেড় কোটি টাকার উন্নয়নকাজের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। সরকারি বিধি অনুযায়ী এসব অর্থ ব্যয়ে পিপিআর ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা অনুসরণ করার কথা থাকলেও তা মানা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন ঠিকাদার।

অভিযোগকারীদের দাবি, কোনো ধরনের উন্মুক্ত টেন্ডার আহ্বান না করে নির্মাণসামগ্রী ক্রয় ও শ্রমিক নিয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে ঠিকাদাররা প্রতিযোগিতামূলকভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এবং সরকারের আর্থিক স্বচ্ছতাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

সূত্র জানায়, বরাদ্দের অর্থে উপজেলা কমপ্লেক্সের বিভিন্ন অফিস ও বাসভবন, গ্যারেজ, অভ্যন্তরীণ ড্রেন, রাস্তা, ঘাটলা, শিশু পার্ক সংস্কার, অডিটোরিয়ামে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) যন্ত্র স্থাপন এবং আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শিশু পার্কে লেক নির্মাণ, খেলাধুলার সরঞ্জাম স্থাপন, ইউএনওর সরকারি গাড়ির গ্যারেজ ও চালকের কক্ষ নির্মাণ এবং অডিটোরিয়ামে এসি স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।

কাজে নিয়োজিত কয়েকজন শ্রমিক জানান, তারা দৈনিক মজুরিভিত্তিক এসব উন্নয়নকাজে অংশ নিচ্ছেন এবং ইউএনও কার্যালয়ের মাধ্যমে পারিশ্রমিক পাচ্ছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী জগবন্ধু রায় বলেন, বিশেষ বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে ইউএনও কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাই বিস্তারিত জানাতে পারবেন। এ কাজে তাদের দপ্তরের সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই।

অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, সব কাজ সরকারি বিধি অনুসরণ করে পিআইসি, আরএফকিউ অথবা টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদাররাই কাজ করছেন।

পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভীন বলেন, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


জুফাস নিউজ

সম্পাদক ও প্রকাশক: খাদেমুল বাশার রিফাত


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জুফাস নিউজ