পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক কৃষকের প্রায় দুই বিঘা জমির বোরো ধান নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীর দাবি, আদালতের নির্দেশ কার্যকর করতে বিলম্ব হওয়ায় জমিতে থাকা প্রায় ৬০ মণ ধান নষ্ট হয়ে যায়, ফলে তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ফজিলা খাতুন ও তার পরিবার বিরোধপূর্ণ ওই জমি চাষাবাদ করে আসছিলেন। সম্প্রতি জমির দখল নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে বিষয়টি আদালতে গড়ায়। ভুক্তভোগী জুয়েল রানার অভিযোগ, প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা করে এবং এর জেরে একাধিক অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটে।
তিনি জানান, চলতি বোরো মৌসুমে জমিতে ধান আবাদ করলেও ধান কাটার সময় পুলিশ তাকে বাধা দেয়। পরে আদালত উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে ধান কেটে বিক্রির অর্থ প্রয়োজনীয় ব্যয় বাদ দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা রাখার নির্দেশ দেন।
তবে অভিযোগ রয়েছে, আদালতের নির্দেশ পুলিশের কাছে পৌঁছানোর পরও তা বাস্তবায়নে বিলম্ব হয়। শ্রমিক নিয়োগ ও ধান কাটার ব্যয় নিয়ে জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে ধান কাটা সম্ভব হয়নি। এরই মধ্যে মাঠে থাকা ধান নষ্ট হয়ে যায়।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলেও আদালতের নির্দেশ দ্রুত বাস্তবায়ন করা হলে ফসল রক্ষা করা সম্ভব হতো। তারা আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান জানান।
ভুক্তভোগী জুয়েল রানা বলেন, তার পরিবারের দীর্ঘদিনের ভোগদখল ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে। পরিকল্পিতভাবে তাকে আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলা হয়েছে বলে দাবি করে তিনি প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত রেজাউল করিমের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিষয় : পঞ্চগড়ের খবর দেবীগঞ্জ

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক কৃষকের প্রায় দুই বিঘা জমির বোরো ধান নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীর দাবি, আদালতের নির্দেশ কার্যকর করতে বিলম্ব হওয়ায় জমিতে থাকা প্রায় ৬০ মণ ধান নষ্ট হয়ে যায়, ফলে তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ফজিলা খাতুন ও তার পরিবার বিরোধপূর্ণ ওই জমি চাষাবাদ করে আসছিলেন। সম্প্রতি জমির দখল নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে বিষয়টি আদালতে গড়ায়। ভুক্তভোগী জুয়েল রানার অভিযোগ, প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা করে এবং এর জেরে একাধিক অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটে।
তিনি জানান, চলতি বোরো মৌসুমে জমিতে ধান আবাদ করলেও ধান কাটার সময় পুলিশ তাকে বাধা দেয়। পরে আদালত উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে ধান কেটে বিক্রির অর্থ প্রয়োজনীয় ব্যয় বাদ দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা রাখার নির্দেশ দেন।
তবে অভিযোগ রয়েছে, আদালতের নির্দেশ পুলিশের কাছে পৌঁছানোর পরও তা বাস্তবায়নে বিলম্ব হয়। শ্রমিক নিয়োগ ও ধান কাটার ব্যয় নিয়ে জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে ধান কাটা সম্ভব হয়নি। এরই মধ্যে মাঠে থাকা ধান নষ্ট হয়ে যায়।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলেও আদালতের নির্দেশ দ্রুত বাস্তবায়ন করা হলে ফসল রক্ষা করা সম্ভব হতো। তারা আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান জানান।
ভুক্তভোগী জুয়েল রানা বলেন, তার পরিবারের দীর্ঘদিনের ভোগদখল ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে। পরিকল্পিতভাবে তাকে আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলা হয়েছে বলে দাবি করে তিনি প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত রেজাউল করিমের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন