রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার বেলতলির পশ্চিমে ব্রাদার কোল্ড স্টোরেজ সংলগ্ন রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে অবস্থিত একটি কাগজ ও ঝুটের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।
খবর পেয়ে তারাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও গুদামে কর্মরত শ্রমিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, মশা তাড়ানোর কয়েলের আগুন থেকেই এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন গুদামে থাকা কাগজ ও ঝুটের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে। তবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট ও প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ক্ষতিগ্রস্ত গুদামটির মালিক উপজেলার ২ নম্বর কুর্শা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বৈদ্যনাথপুর মৌজার রামপুরা গ্রামের বাসিন্দা রশিদুল ইসলাম। তিনি অবসরপ্রাপ্ত গ্রাম্য পুলিশ মোজার ছেলে বলে জানা গেছে।
মহাসড়কের পাশে গুদামে আগুন লাগার পর চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে তারাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। এ সময় মহাসড়কে চলাচলকারী ও স্থানীয় বাসিন্দারাও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সহযোগিতা করেন।
তারাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা শরীফ আব্দুল্লাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন:
"রাত সাড়ে ১০টার দিকে খবর পাওয়ার পরপরই আমাদের আভিযানিক দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা শুরু করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েলের আগুন থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। তবে এখনো নেভানোর কাজ চলছে।"
কাগজ ও ঝুট অত্যন্ত দাহ্য পদার্থ হওয়ায় গুদামে মজুত থাকা বিপুল পরিমাণ মালামাল ইতিমধ্যে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।
ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসার পর অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে নিশ্চিতভাবে জানানো হবে।

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার বেলতলির পশ্চিমে ব্রাদার কোল্ড স্টোরেজ সংলগ্ন রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে অবস্থিত একটি কাগজ ও ঝুটের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।
খবর পেয়ে তারাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও গুদামে কর্মরত শ্রমিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, মশা তাড়ানোর কয়েলের আগুন থেকেই এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন গুদামে থাকা কাগজ ও ঝুটের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে। তবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট ও প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ক্ষতিগ্রস্ত গুদামটির মালিক উপজেলার ২ নম্বর কুর্শা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বৈদ্যনাথপুর মৌজার রামপুরা গ্রামের বাসিন্দা রশিদুল ইসলাম। তিনি অবসরপ্রাপ্ত গ্রাম্য পুলিশ মোজার ছেলে বলে জানা গেছে।
মহাসড়কের পাশে গুদামে আগুন লাগার পর চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে তারাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। এ সময় মহাসড়কে চলাচলকারী ও স্থানীয় বাসিন্দারাও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সহযোগিতা করেন।
তারাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা শরীফ আব্দুল্লাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন:
"রাত সাড়ে ১০টার দিকে খবর পাওয়ার পরপরই আমাদের আভিযানিক দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা শুরু করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েলের আগুন থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। তবে এখনো নেভানোর কাজ চলছে।"
কাগজ ও ঝুট অত্যন্ত দাহ্য পদার্থ হওয়ায় গুদামে মজুত থাকা বিপুল পরিমাণ মালামাল ইতিমধ্যে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।
ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসার পর অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে নিশ্চিতভাবে জানানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন