পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এনি বলেছেন একটু ধৈর্য ধরেন তিস্তা মহা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবেই। টেকনিক্যাল কমিটির পরীক্ষা নীরিক্ষা শেষে তাদের রিপোর্ট পাওয়ার পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে এসে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কাজের উদ্বোধন করবেন ইনশাআল্লাহ। একটি দলের কথা উল্লেখ করে বলেন একটি রাজনৈতিক দল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা চালাচ্ছে। তারা নির্বাচনের আগে কোথায় ছিলেন। তারা তো কোন আন্দোলন সংগ্রাম করেনি। আজ তারা নানা কর্মসূচি দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্তির চেষ্টা চালাচ্ছে। আপনারা সজাগ থাকুন এ সরকারের আমলে তিস্তা মহা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শেষ হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক নাম্বারের নির্দেশে ২২ সদস্যের টেকনিক্যাল কমিটি কে সাথে নিয়ে আমরা তিন মন্ত্রী সারাদিন ব্যাপী তিস্তা নদী এলাকা পরিদর্শন করেছি। আপনারা হতাশ হবেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই এ কাজ বাস্তবায়নে আগ্রহী।
তিনি শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার সময় তিস্তা নদীর পাড়ে কাউনিয়া রেল সেতু এলাকায় এসব কথা বলেছেন।
এসময় ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবীব দুলু বলেছেন –
তিস্তা নদী এক সময় ছিল আমাদের মায়ের মত। কিন্তু সে তিস্তা আজ রাক্ষসী নদীতে পরিণত হয়েছে শুকনা মৌসুমে নদীতে পানি থাকে না বর্ষায় দুপাড় উসলিয়ে মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা নির্বাচনের আগে তিস্তা বাঁচাও আন্দোলন করেছি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সে আন্দোলনের সরাসরি যুক্ত হয়ে আমাদের আশ্বস্ত করেছিলেন বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তিস্তা মহা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি সে কথা রাখবেন। এজন্য আমাদেরকে আজ পাঠিয়েছেন। ট্যাকনিক্যার কমিটির রিপোর্ট প্রদানের পরেই একনেকের বৈঠকে পাশ করে তিস্তা মহাপরিচিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা হবে।
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন-
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা তিন মন্ত্রী তিস্তা নদী পরিদর্শনে এসেছি। ট্যাকনিক্যাল কমিটি আমাদের সাথে ছিল। তাদের রিপোর্ট হাতে পেলেই আমরা কাজ শুরু করব।
তিনি আরো বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে কথা দেন তা তিমি রাখেন। তিনি ফ্যামিলি কার্ড, ১০ হাজার টাকা কৃষি ঋণ মওকুফের কথা উল্লেখ বলেন ভোটের তিনি কথা দিয়েছিলেন তিনি ক্ষমতায় গিয়ে তা রেখেছেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও মহানগর বিএনপির আহবায়ক সামসুজ্জামান সামু, রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহাঃ রাশেদুল হক প্রধান, রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহবায়ক সাইফুল ইসলাম, কাউনিয়া উপজেলা বিএনপির সম্পাদক সফিকুল আলম সফি, সহ সভাপতি রাকিবুল হাসান পলাশ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম সাংগঠনিক সম্পাদক জামিনুর রহমান প্রমুখ।
বিষয় : ডিমলার খবর তিস্তা মহাপরিকল্পনা

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এনি বলেছেন একটু ধৈর্য ধরেন তিস্তা মহা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবেই। টেকনিক্যাল কমিটির পরীক্ষা নীরিক্ষা শেষে তাদের রিপোর্ট পাওয়ার পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে এসে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কাজের উদ্বোধন করবেন ইনশাআল্লাহ। একটি দলের কথা উল্লেখ করে বলেন একটি রাজনৈতিক দল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা চালাচ্ছে। তারা নির্বাচনের আগে কোথায় ছিলেন। তারা তো কোন আন্দোলন সংগ্রাম করেনি। আজ তারা নানা কর্মসূচি দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্তির চেষ্টা চালাচ্ছে। আপনারা সজাগ থাকুন এ সরকারের আমলে তিস্তা মহা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শেষ হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক নাম্বারের নির্দেশে ২২ সদস্যের টেকনিক্যাল কমিটি কে সাথে নিয়ে আমরা তিন মন্ত্রী সারাদিন ব্যাপী তিস্তা নদী এলাকা পরিদর্শন করেছি। আপনারা হতাশ হবেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই এ কাজ বাস্তবায়নে আগ্রহী।
তিনি শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার সময় তিস্তা নদীর পাড়ে কাউনিয়া রেল সেতু এলাকায় এসব কথা বলেছেন।
এসময় ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবীব দুলু বলেছেন –
তিস্তা নদী এক সময় ছিল আমাদের মায়ের মত। কিন্তু সে তিস্তা আজ রাক্ষসী নদীতে পরিণত হয়েছে শুকনা মৌসুমে নদীতে পানি থাকে না বর্ষায় দুপাড় উসলিয়ে মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা নির্বাচনের আগে তিস্তা বাঁচাও আন্দোলন করেছি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সে আন্দোলনের সরাসরি যুক্ত হয়ে আমাদের আশ্বস্ত করেছিলেন বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তিস্তা মহা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি সে কথা রাখবেন। এজন্য আমাদেরকে আজ পাঠিয়েছেন। ট্যাকনিক্যার কমিটির রিপোর্ট প্রদানের পরেই একনেকের বৈঠকে পাশ করে তিস্তা মহাপরিচিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা হবে।
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন-
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা তিন মন্ত্রী তিস্তা নদী পরিদর্শনে এসেছি। ট্যাকনিক্যাল কমিটি আমাদের সাথে ছিল। তাদের রিপোর্ট হাতে পেলেই আমরা কাজ শুরু করব।
তিনি আরো বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে কথা দেন তা তিমি রাখেন। তিনি ফ্যামিলি কার্ড, ১০ হাজার টাকা কৃষি ঋণ মওকুফের কথা উল্লেখ বলেন ভোটের তিনি কথা দিয়েছিলেন তিনি ক্ষমতায় গিয়ে তা রেখেছেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও মহানগর বিএনপির আহবায়ক সামসুজ্জামান সামু, রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহাঃ রাশেদুল হক প্রধান, রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহবায়ক সাইফুল ইসলাম, কাউনিয়া উপজেলা বিএনপির সম্পাদক সফিকুল আলম সফি, সহ সভাপতি রাকিবুল হাসান পলাশ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম সাংগঠনিক সম্পাদক জামিনুর রহমান প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন