শব্দদূষণ ও বেপরোয়া মোটরসাইকেল চলাচল নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ঠাকুরগাঁও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। সম্প্রতি জেলা শহরে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টিকারী একটি মোটরসাইকেল আটক করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মোট ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং মোটরসাইকেলটি ডাম্পিংয়ে (জব্দ) রাখা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে শহরের বিভিন্ন এলাকায় কিছু মোটরসাইকেল চালক সাইলেন্সার পরিবর্তন করে বিকট শব্দ সৃষ্টি করে চলাচল করছিলেন। এসব মোটরসাইকেলের কারণে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন। বিশেষ করে হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয় ও আবাসিক এলাকার আশপাশে উচ্চ শব্দে মোটরসাইকেল চালানোর ঘটনায় জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়।
এমন অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় একটি মোটরসাইকেলকে সন্দেহজনকভাবে উচ্চ শব্দ সৃষ্টি করতে দেখে থামানো হয়। পরে যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, মোটরসাইকেলটির সাইলেন্সার পরিবর্তন করে শব্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ অপরাধে চালকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, শব্দদূষণ বর্তমানে একটি বড় সামাজিক সমস্যা। অনেক তরুণ চালক শখের বশে বা অন্যকে আকৃষ্ট করার উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেলের সাইলেন্সার পরিবর্তন করে বিকট শব্দ সৃষ্টি করেন। এতে শুধু জনদুর্ভোগই বাড়ে না, বরং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। তাই ডিবি পুলিশের এমন উদ্যোগ সময়োপযোগী এবং প্রশংসনীয় বলে মনে করছেন তারা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ অভিযানের প্রশংসা করছেন অনেকেই। সাধারণ নাগরিকরা বলছেন, শুধু শহরেই নয়, উপজেলার বিভিন্ন সড়কেও এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন। নিয়মিত অভিযান চালানো হলে শব্দদূষণ অনেকাংশে কমে আসবে এবং সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হবে।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, জনস্বার্থে শব্দদূষণ, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালনা এবং সড়ক নিরাপত্তা বিঘ্নিতকারী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন অমান্যকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
ডিবি পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম আরও জোরদার হবে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
বিষয় : বালিয়াডাঙ্গীর খবর

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
শব্দদূষণ ও বেপরোয়া মোটরসাইকেল চলাচল নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ঠাকুরগাঁও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। সম্প্রতি জেলা শহরে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টিকারী একটি মোটরসাইকেল আটক করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মোট ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং মোটরসাইকেলটি ডাম্পিংয়ে (জব্দ) রাখা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে শহরের বিভিন্ন এলাকায় কিছু মোটরসাইকেল চালক সাইলেন্সার পরিবর্তন করে বিকট শব্দ সৃষ্টি করে চলাচল করছিলেন। এসব মোটরসাইকেলের কারণে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন। বিশেষ করে হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয় ও আবাসিক এলাকার আশপাশে উচ্চ শব্দে মোটরসাইকেল চালানোর ঘটনায় জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়।
এমন অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় একটি মোটরসাইকেলকে সন্দেহজনকভাবে উচ্চ শব্দ সৃষ্টি করতে দেখে থামানো হয়। পরে যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, মোটরসাইকেলটির সাইলেন্সার পরিবর্তন করে শব্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ অপরাধে চালকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, শব্দদূষণ বর্তমানে একটি বড় সামাজিক সমস্যা। অনেক তরুণ চালক শখের বশে বা অন্যকে আকৃষ্ট করার উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেলের সাইলেন্সার পরিবর্তন করে বিকট শব্দ সৃষ্টি করেন। এতে শুধু জনদুর্ভোগই বাড়ে না, বরং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। তাই ডিবি পুলিশের এমন উদ্যোগ সময়োপযোগী এবং প্রশংসনীয় বলে মনে করছেন তারা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ অভিযানের প্রশংসা করছেন অনেকেই। সাধারণ নাগরিকরা বলছেন, শুধু শহরেই নয়, উপজেলার বিভিন্ন সড়কেও এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন। নিয়মিত অভিযান চালানো হলে শব্দদূষণ অনেকাংশে কমে আসবে এবং সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হবে।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, জনস্বার্থে শব্দদূষণ, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালনা এবং সড়ক নিরাপত্তা বিঘ্নিতকারী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন অমান্যকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
ডিবি পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম আরও জোরদার হবে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন