রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত মাদক ট্যাপেন্টাডল সেবনের অপরাধে এক যুবককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত ৮টা ১০ মিনিটে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নে মাদকবিরোধী এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. রাসেল প্রামাণিক (২৮) তারাগঞ্জ উপজেলার ঘনিরামপুর গ্রামের মো. খয়রাত হোসেন প্রামাণিকের ছেলে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে কুর্শা ইউনিয়নে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে রাসেল প্রামাণিককে ট্যাপেন্টাডল সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। অভিযানের সময় তাঁর বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী তাঁকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জরিমানা বাবদ আদায়কৃত অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোনাব্বর হোসেন। এ সময় আদালতকে সহযোগিতা করে প্রসিকিউশন দাখিল করেন তারাগঞ্জ থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) মো. তবিবর রহমান।
অভিযান শেষে তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোনাব্বর হোসেন সংবাদমাধ্যমকে বলেন,
“মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে এবং সমাজকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত করতে উপজেলা প্রশাসনের এই ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। মাদকের সাথে জড়িত কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণের জন্য পুলিশ হেফাজতে সোপর্দ করা হয়েছে।

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত মাদক ট্যাপেন্টাডল সেবনের অপরাধে এক যুবককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত ৮টা ১০ মিনিটে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নে মাদকবিরোধী এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. রাসেল প্রামাণিক (২৮) তারাগঞ্জ উপজেলার ঘনিরামপুর গ্রামের মো. খয়রাত হোসেন প্রামাণিকের ছেলে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে কুর্শা ইউনিয়নে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে রাসেল প্রামাণিককে ট্যাপেন্টাডল সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। অভিযানের সময় তাঁর বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী তাঁকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জরিমানা বাবদ আদায়কৃত অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোনাব্বর হোসেন। এ সময় আদালতকে সহযোগিতা করে প্রসিকিউশন দাখিল করেন তারাগঞ্জ থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) মো. তবিবর রহমান।
অভিযান শেষে তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোনাব্বর হোসেন সংবাদমাধ্যমকে বলেন,
“মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে এবং সমাজকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত করতে উপজেলা প্রশাসনের এই ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। মাদকের সাথে জড়িত কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণের জন্য পুলিশ হেফাজতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন