রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় মাদকদ্রব্য সেবনের অপরাধে এক ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) উপজেলার ব্র্যাক মোড় এলাকায় এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. মিলন ইসলাম (৩২) তারাগঞ্জ উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের মো. ফেরদৌস ইসলামের ছেলে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার উপজেলার ব্র্যাক মোড় এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে মিলন ইসলামকে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। পরবর্তীতে অপরাধ স্বীকার করায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তাঁকে ৫০০ (পাঁচশত) টাকা অর্থদণ্ড এবং ৭ (সাত) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন তারাগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা।
অভিযান শেষে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা সংবাদমাধ্যমকে বলেন,
“একটি সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে আমাদের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের যে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে, তার অংশ হিসেবেই তারাগঞ্জে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।”
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, সমাজ থেকে মাদক পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এই বিশেষ অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখা হবে। সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় মাদকদ্রব্য সেবনের অপরাধে এক ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) উপজেলার ব্র্যাক মোড় এলাকায় এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. মিলন ইসলাম (৩২) তারাগঞ্জ উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের মো. ফেরদৌস ইসলামের ছেলে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার উপজেলার ব্র্যাক মোড় এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে মিলন ইসলামকে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। পরবর্তীতে অপরাধ স্বীকার করায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তাঁকে ৫০০ (পাঁচশত) টাকা অর্থদণ্ড এবং ৭ (সাত) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন তারাগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা।
অভিযান শেষে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা সংবাদমাধ্যমকে বলেন,
“একটি সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে আমাদের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের যে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে, তার অংশ হিসেবেই তারাগঞ্জে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।”
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, সমাজ থেকে মাদক পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এই বিশেষ অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখা হবে। সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন