রংপুরের তারাগঞ্জে জাল ভিসা তৈরির মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগে মতিউর রহমান মিম (২০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও তারাগঞ্জ থানা-পুলিশের যৌথ দল।
গতকাল বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের অনন্তপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মিম ওই গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও ডিবি সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত মতিউর রহমান মিম দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া ও জাল ভিসা তৈরি করে সাধারণ মানুষকে বিদেশে পাঠানোর নামে প্রতারণা করে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বুধবার রাতে তারাগঞ্জ থানা-পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি চৌকস দল তার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান:
"গ্রেপ্তার যুবক দীর্ঘদিন ধরে জাল ভিসা তৈরি ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর আওতায় তারাগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।"
প্রতারক চক্রের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশের তদন্ত ও তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানা গেছে।

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
রংপুরের তারাগঞ্জে জাল ভিসা তৈরির মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগে মতিউর রহমান মিম (২০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও তারাগঞ্জ থানা-পুলিশের যৌথ দল।
গতকাল বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের অনন্তপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মিম ওই গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও ডিবি সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত মতিউর রহমান মিম দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া ও জাল ভিসা তৈরি করে সাধারণ মানুষকে বিদেশে পাঠানোর নামে প্রতারণা করে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বুধবার রাতে তারাগঞ্জ থানা-পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি চৌকস দল তার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান:
"গ্রেপ্তার যুবক দীর্ঘদিন ধরে জাল ভিসা তৈরি ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর আওতায় তারাগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।"
প্রতারক চক্রের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশের তদন্ত ও তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন