রংপুর–সৈয়দপুর মহাসড়কের তারাগঞ্জে রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া সেই অজ্ঞাতপরিচয় নারীর পরিচয় উদ্ধার করেছে সিআইডি। নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে আসা ওই নারী সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। পরিবার থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিহত নারীর নাম মোছা. কামরুন্নাহার। তিনি নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার ৩ নম্বর আজিজ রোড এলাকার মো. আব্দুল কাফি ও মোছা. রেজিয়া বেগমের মেয়ে।
ঘটনাটি ঘটে গত রোববার (২ আগস্ট) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে। রংপুর–সৈয়দপুর মহাসড়কের তারাগঞ্জ উপজেলার খিয়ারের জুম্মা এলাকায় রাস্তার পাশে এক নারীকে নিস্তেজ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় পথচারীরা।
খবর পেয়ে তারাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই নারীকে উদ্ধার করে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত্যুর পর তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ মরদেহটি নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং নিহতের নাম-পরিচয় উদ্ধারে কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তীতে সিআইডি রংপুরের আঙুলের ছাপ ও প্রযুক্তিগত বিশেষ সহায়তায় নিখুঁতভাবে নিহতের আসল পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়।
তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান:
"প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দ্রুতগতির অজ্ঞাত কোনো যানবাহনের ধাক্কায় কামরুন্নাহার নামের ওই নারী মারাত্মক আহত হয়ে মহাসড়কের পাশে ছিটকে পড়েছিলেন। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিস তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।"
পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর নিহতের স্বজনদের খবর দেওয়া হলে তাঁরা থানায় উপস্থিত হন। এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকায় তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে যাবতীয় আইনগত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে মরদেহ নিহতের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তবে দুর্ঘটনাকবলিত ঘাতক গাড়িটি শনাক্তকরণ ও দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ উদ্ঘাটনে হাইওয়ে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
বিষয় : তারাগঞ্জ তারাগঞ্জ উপজেলার খবর

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
রংপুর–সৈয়দপুর মহাসড়কের তারাগঞ্জে রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া সেই অজ্ঞাতপরিচয় নারীর পরিচয় উদ্ধার করেছে সিআইডি। নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে আসা ওই নারী সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। পরিবার থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিহত নারীর নাম মোছা. কামরুন্নাহার। তিনি নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার ৩ নম্বর আজিজ রোড এলাকার মো. আব্দুল কাফি ও মোছা. রেজিয়া বেগমের মেয়ে।
ঘটনাটি ঘটে গত রোববার (২ আগস্ট) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে। রংপুর–সৈয়দপুর মহাসড়কের তারাগঞ্জ উপজেলার খিয়ারের জুম্মা এলাকায় রাস্তার পাশে এক নারীকে নিস্তেজ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় পথচারীরা।
খবর পেয়ে তারাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই নারীকে উদ্ধার করে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত্যুর পর তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ মরদেহটি নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং নিহতের নাম-পরিচয় উদ্ধারে কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তীতে সিআইডি রংপুরের আঙুলের ছাপ ও প্রযুক্তিগত বিশেষ সহায়তায় নিখুঁতভাবে নিহতের আসল পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়।
তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান:
"প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দ্রুতগতির অজ্ঞাত কোনো যানবাহনের ধাক্কায় কামরুন্নাহার নামের ওই নারী মারাত্মক আহত হয়ে মহাসড়কের পাশে ছিটকে পড়েছিলেন। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিস তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।"
পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর নিহতের স্বজনদের খবর দেওয়া হলে তাঁরা থানায় উপস্থিত হন। এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকায় তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে যাবতীয় আইনগত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে মরদেহ নিহতের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তবে দুর্ঘটনাকবলিত ঘাতক গাড়িটি শনাক্তকরণ ও দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ উদ্ঘাটনে হাইওয়ে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন