আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তরের ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও রংপুরের ১০০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক শিশু হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু হয়নি। তবে বহুল প্রতীক্ষিত হাসপাতালটি শিগগিরই চালুর প্রস্তুতি নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, আসবাবপত্র কেনা এবং জনবল নিয়োগের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে থাকায় আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে হাসপাতালটির কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ লক্ষ্যে আজ শনিবার (১ আগষ্ট) সকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বাজেট অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব আরিফ আহমদ হাসপাতালটির আউটডোর ও ইনডোর ভবন, অক্সিজেন প্ল্যান্ট এবং প্রবেশপথ পরিদর্শন করেন। পরে তিনি রংপুরের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
পরিদর্শন শেষে অতিরিক্ত সচিব আরিফ আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্মিত শিশু হাসপাতালগুলো দ্রুত চালুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দ্রুতই এসব হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন। এ লক্ষ্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার জন্য ২০৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ মাসের মধ্যেই হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি পৌঁছে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরিফ আহমদ আরও বলেন, আসবাবপত্র সংগ্রহের কাজও এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে জনবল নিয়োগের বিষয়টি অর্থ বিভাগে পাঠানো হয়েছে এবং এ-সংক্রান্ত কার্যক্রমও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
পরে তিনি রংপুর মা ও শিশু হাসপাতাল এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এ সময় বিভাগীয় স্বাস্থ্য উপ-পরিচালক ডা. ওয়াজেদ আলী, সিভিল সার্জন ডা. শাহীন সুলতানাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
হাসপাতালটিতে জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ, চিকিৎসকদের চেম্বার, পরীক্ষাগার, অপারেশন থিয়েটার, বার্ন ইউনিট, ওয়ার্ড ও কেবিনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। চিকিৎসকদের আবাসন, নার্স কোয়ার্টার, বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ও অক্সিজেন প্ল্যান্টও নির্মাণ করা হয়েছে।
হাসপাতালটি চালু হলে রংপুর বিভাগের শিশুদের জটিল অস্ত্রোপচারসহ বিভিন্ন ধরনের বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা স্বল্প খরচে পাওয়া সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিষয় : রংপুরের খবর

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তরের ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও রংপুরের ১০০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক শিশু হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু হয়নি। তবে বহুল প্রতীক্ষিত হাসপাতালটি শিগগিরই চালুর প্রস্তুতি নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, আসবাবপত্র কেনা এবং জনবল নিয়োগের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে থাকায় আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে হাসপাতালটির কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ লক্ষ্যে আজ শনিবার (১ আগষ্ট) সকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বাজেট অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব আরিফ আহমদ হাসপাতালটির আউটডোর ও ইনডোর ভবন, অক্সিজেন প্ল্যান্ট এবং প্রবেশপথ পরিদর্শন করেন। পরে তিনি রংপুরের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
পরিদর্শন শেষে অতিরিক্ত সচিব আরিফ আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্মিত শিশু হাসপাতালগুলো দ্রুত চালুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দ্রুতই এসব হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন। এ লক্ষ্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার জন্য ২০৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ মাসের মধ্যেই হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি পৌঁছে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরিফ আহমদ আরও বলেন, আসবাবপত্র সংগ্রহের কাজও এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে জনবল নিয়োগের বিষয়টি অর্থ বিভাগে পাঠানো হয়েছে এবং এ-সংক্রান্ত কার্যক্রমও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
পরে তিনি রংপুর মা ও শিশু হাসপাতাল এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এ সময় বিভাগীয় স্বাস্থ্য উপ-পরিচালক ডা. ওয়াজেদ আলী, সিভিল সার্জন ডা. শাহীন সুলতানাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
হাসপাতালটিতে জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ, চিকিৎসকদের চেম্বার, পরীক্ষাগার, অপারেশন থিয়েটার, বার্ন ইউনিট, ওয়ার্ড ও কেবিনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। চিকিৎসকদের আবাসন, নার্স কোয়ার্টার, বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ও অক্সিজেন প্ল্যান্টও নির্মাণ করা হয়েছে।
হাসপাতালটি চালু হলে রংপুর বিভাগের শিশুদের জটিল অস্ত্রোপচারসহ বিভিন্ন ধরনের বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা স্বল্প খরচে পাওয়া সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন