ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের বারোবিঘায় সার নিতে গিয়ে ডিলার প্রতিষ্ঠানের লোকজনের হাতে মারধরের শিকার হয়েছেন কৃষক রফিকুল ইসলাম। এ ঘটনায় তাঁর মাথায় পাঁচটি সেলাই দিতে হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে হারুন ট্রেডার্সের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান ভুক্তভোগী কৃষক।
কৃষক রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, সার নেওয়ার জন্য তিনি শনিবার কৃষি কার্ড জমা দেন। তাঁর কৃষি কার্ডে সার দেওয়ার জন্য এন্ট্রি করে পরদিন সার নিতে যেতে বলা হয়। রোববার সার নিতে গেলে হারুন ট্রেডার্সের প্রোপ্রাইটর হারুন অর রশীদের ম্যানেজার সাদেকুল ইসলাম ও তাঁর লোকজন তাঁকে সার না দিয়ে মারধর করেন। এতে তাঁর মাথা ফেটে যায় এবং চিকিৎসা নিতে গিয়ে মাথায় পাঁচটি সেলাই দিতে হয়েছে।
রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, “আমি এই ঘটনার বিচার চাই। থানায় অভিযোগ দিলেও অজ্ঞাত কারণে আমার মামলা রেকর্ড হয়নি। বর্তমানে অভিযুক্তরা লাঠিসোঁটা নিয়ে সেখানে অবস্থান করছেন এবং আমাকে পেলে মারধর করার হুমকি দিচ্ছেন।”
এদিকে স্থানীয় কয়েকজন কৃষক অভিযোগ করে বলেন, হারুন ট্রেডার্সের প্রোপ্রাইটর হারুন অর রশীদ নিয়মিত ডিলার পয়েন্টে উপস্থিত না থেকে ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের তৎকালীন সহ-সভাপতি সাদেকুল ইসলামের মাধ্যমে সার বিতরণ করান। তাঁদের অভিযোগ, বরাদ্দের সার যথাযথভাবে বিতরণ না করে একটি অংশ গোপনে রেখে বেশি দামে বিক্রি করা হয়। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় কৃষকদের আরও অভিযোগ, এসব বিষয়ে কেউ প্রতিবাদ করলে সাদেকুল ইসলামের লোকজন তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও মারধর করেন। চলতি মাসে আরও কয়েকজন কৃষককে মারধরের অভিযোগও করেছেন তাঁরা।
কৃষকদের দাবি, অভিযোগগুলো তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ডিলারের লাইসেন্স বাতিলসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। পাশাপাশি কৃষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও দাবি জানান তাঁরা।
এ বিষয়ে হারুন ট্রেডার্সের প্রোপ্রাইটর হারুন অর রশীদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।
বিষয় : বালিয়াডাঙ্গীর খবর ঠাকুরগাঁও সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের বারোবিঘায় সার নিতে গিয়ে ডিলার প্রতিষ্ঠানের লোকজনের হাতে মারধরের শিকার হয়েছেন কৃষক রফিকুল ইসলাম। এ ঘটনায় তাঁর মাথায় পাঁচটি সেলাই দিতে হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে হারুন ট্রেডার্সের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান ভুক্তভোগী কৃষক।
কৃষক রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, সার নেওয়ার জন্য তিনি শনিবার কৃষি কার্ড জমা দেন। তাঁর কৃষি কার্ডে সার দেওয়ার জন্য এন্ট্রি করে পরদিন সার নিতে যেতে বলা হয়। রোববার সার নিতে গেলে হারুন ট্রেডার্সের প্রোপ্রাইটর হারুন অর রশীদের ম্যানেজার সাদেকুল ইসলাম ও তাঁর লোকজন তাঁকে সার না দিয়ে মারধর করেন। এতে তাঁর মাথা ফেটে যায় এবং চিকিৎসা নিতে গিয়ে মাথায় পাঁচটি সেলাই দিতে হয়েছে।
রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, “আমি এই ঘটনার বিচার চাই। থানায় অভিযোগ দিলেও অজ্ঞাত কারণে আমার মামলা রেকর্ড হয়নি। বর্তমানে অভিযুক্তরা লাঠিসোঁটা নিয়ে সেখানে অবস্থান করছেন এবং আমাকে পেলে মারধর করার হুমকি দিচ্ছেন।”
এদিকে স্থানীয় কয়েকজন কৃষক অভিযোগ করে বলেন, হারুন ট্রেডার্সের প্রোপ্রাইটর হারুন অর রশীদ নিয়মিত ডিলার পয়েন্টে উপস্থিত না থেকে ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের তৎকালীন সহ-সভাপতি সাদেকুল ইসলামের মাধ্যমে সার বিতরণ করান। তাঁদের অভিযোগ, বরাদ্দের সার যথাযথভাবে বিতরণ না করে একটি অংশ গোপনে রেখে বেশি দামে বিক্রি করা হয়। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় কৃষকদের আরও অভিযোগ, এসব বিষয়ে কেউ প্রতিবাদ করলে সাদেকুল ইসলামের লোকজন তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও মারধর করেন। চলতি মাসে আরও কয়েকজন কৃষককে মারধরের অভিযোগও করেছেন তাঁরা।
কৃষকদের দাবি, অভিযোগগুলো তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ডিলারের লাইসেন্স বাতিলসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। পাশাপাশি কৃষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও দাবি জানান তাঁরা।
এ বিষয়ে হারুন ট্রেডার্সের প্রোপ্রাইটর হারুন অর রশীদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন