কুড়িগ্রামের উলিপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে এক সহকারী শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই শিক্ষকের নাম এনামুল হক সরকার মানিক (৪৫)। তিনি উপজেলার তবকপুর ১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। মামলার বাদী তাঁর স্ত্রী নাসিমা বেগমও একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। গতকাল সোমবার থানায় মামলার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে সহকারী শিক্ষক এনামুল হকের সঙ্গে নাসিমা বেগমের বিবাহ হয়। এর পর থেকে এনামুল হক পাঁচ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে নাসিমাকে নির্যাতন শুরু করেন। পরে নাসিমা বেগম ২০২২ সালে স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে আদালতে মামলা করেন। পরে এনামুল হক মামলাটি আপস করে নেন। এরপর আবারও ১০ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে নাসিমা বেগমকে নির্যাতন শুরু করেন এনামুল হক।
৬ আগস্ট বিদ্যালয়ে বিরতির সময় নাসিমার কাছে যৌতুক দাবি করেন এনামুল হক। এ সময় নাসিমা যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে এলোপাতাড়ি মারধর করেন এবং গলা চেপে হত্যাচেষ্টা করেন এনামুল। ঘটনা দেখে অন্য শিক্ষকেরা ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে নাসিমাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে নাসিমা বেগম কিছুটা সুস্থ হয়ে গতকাল থানায় মামলা করেন।
উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দিক জানান, যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে গতকাল মামলা হলে রাতেই অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ মঙ্গলবার গ্রেপ্তার এনামুলকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
উলিপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নার্গিস ফাতিমা তোগদার বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। খোঁজ নিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বিষয় : কুড়িগ্রাম খবর স্কুল শিক্ষক উলিপুর

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
কুড়িগ্রামের উলিপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে এক সহকারী শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই শিক্ষকের নাম এনামুল হক সরকার মানিক (৪৫)। তিনি উপজেলার তবকপুর ১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। মামলার বাদী তাঁর স্ত্রী নাসিমা বেগমও একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। গতকাল সোমবার থানায় মামলার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে সহকারী শিক্ষক এনামুল হকের সঙ্গে নাসিমা বেগমের বিবাহ হয়। এর পর থেকে এনামুল হক পাঁচ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে নাসিমাকে নির্যাতন শুরু করেন। পরে নাসিমা বেগম ২০২২ সালে স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে আদালতে মামলা করেন। পরে এনামুল হক মামলাটি আপস করে নেন। এরপর আবারও ১০ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে নাসিমা বেগমকে নির্যাতন শুরু করেন এনামুল হক।
৬ আগস্ট বিদ্যালয়ে বিরতির সময় নাসিমার কাছে যৌতুক দাবি করেন এনামুল হক। এ সময় নাসিমা যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে এলোপাতাড়ি মারধর করেন এবং গলা চেপে হত্যাচেষ্টা করেন এনামুল। ঘটনা দেখে অন্য শিক্ষকেরা ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে নাসিমাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে নাসিমা বেগম কিছুটা সুস্থ হয়ে গতকাল থানায় মামলা করেন।
উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দিক জানান, যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে গতকাল মামলা হলে রাতেই অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ মঙ্গলবার গ্রেপ্তার এনামুলকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
উলিপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নার্গিস ফাতিমা তোগদার বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। খোঁজ নিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন