কুড়িগ্রামে প্রথমবারের মতো চালু হয়েছে ‘রেডি টু কুক’ বা রান্না উপযোগী দেশীয় মাছের দোকান। জেলার রাজারহাট উপজেলার রেলস্টেশন এলাকায় ‘জান্নাতি ফ্রেশ অ্যান্ড ফ্রোজেন মৎস্য পণ্য বিক্রয় কেন্দ্রে’ বাজারদরেই পরিষ্কার, প্যাকেটজাত ও হিমায়িত দেশীয় মাছ বিক্রি করা হচ্ছে।
আরডিআরএস বাংলাদেশের সহায়তায় স্থানীয় বাসিন্দা বাবলু মিয়া ও তার স্ত্রী পেয়ারা বেগম প্রায় দুই মাস আগে উদ্যোগটি শুরু করেন। দোকানে মলা, দারকিনা, পুঁটি, ট্যাংরা, শিং, মাগুর, চাপিলা, খলিসা ও টাকিসহ বিভিন্ন দেশীয় মাছ কেটে, পরিষ্কার করে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে প্যাকেটজাত করে সংরক্ষণ করা হয়। অনলাইন ও হোম ডেলিভারির ব্যবস্থাও রয়েছে।
উদ্যোক্তা বাবলু মিয়া জানান, আগে তিনি খাদ্যগুদামে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
বয়সজনিত কারণে ভারী কাজ করতে না পারায় আরডিআরএস বাংলাদেশের সহায়তায় এ উদ্যোগ গ্রহণ করেন। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ কেজি মাছ বিক্রি হচ্ছে।
পেয়ারা বেগম বলেন, প্রতিদিন বাজার থেকে মাছ সংগ্রহ করে পরিষ্কার ও প্যাকেটজাত করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়। সীমিত লাভে বাজারদরেই মাছ বিক্রি করা হচ্ছে।
প্রতিবেশিরা জানান, ছোট মাছ পরিষ্কার ও প্রস্তুত করতে সময় বেশি লাগায় অনেকেই তা কিনতে অনাগ্রহী হন। এ উদ্যোগের ফলে ঝামেলামুক্তভাবে দেশীয় মাছ কিনে সরাসরি রান্না করা সম্ভব হচ্ছে।
আরডিআরএস বাংলাদেশের মৎস্য টেকনিক্যাল অফিসার মোজাম্মেল হক বলেন, সংস্থাটি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) সহায়তায় নতুন উদ্যোক্তা ও নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করছে। ভবিষ্যতে জেলার অন্য উপজেলাতেও এ কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
রাজারহাট উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এমদাদুল হক বলেন, উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ ও বাজার ব্যবস্থাপনায় মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
কুড়িগ্রামে প্রথমবারের মতো চালু হয়েছে ‘রেডি টু কুক’ বা রান্না উপযোগী দেশীয় মাছের দোকান। জেলার রাজারহাট উপজেলার রেলস্টেশন এলাকায় ‘জান্নাতি ফ্রেশ অ্যান্ড ফ্রোজেন মৎস্য পণ্য বিক্রয় কেন্দ্রে’ বাজারদরেই পরিষ্কার, প্যাকেটজাত ও হিমায়িত দেশীয় মাছ বিক্রি করা হচ্ছে।
আরডিআরএস বাংলাদেশের সহায়তায় স্থানীয় বাসিন্দা বাবলু মিয়া ও তার স্ত্রী পেয়ারা বেগম প্রায় দুই মাস আগে উদ্যোগটি শুরু করেন। দোকানে মলা, দারকিনা, পুঁটি, ট্যাংরা, শিং, মাগুর, চাপিলা, খলিসা ও টাকিসহ বিভিন্ন দেশীয় মাছ কেটে, পরিষ্কার করে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে প্যাকেটজাত করে সংরক্ষণ করা হয়। অনলাইন ও হোম ডেলিভারির ব্যবস্থাও রয়েছে।
উদ্যোক্তা বাবলু মিয়া জানান, আগে তিনি খাদ্যগুদামে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
বয়সজনিত কারণে ভারী কাজ করতে না পারায় আরডিআরএস বাংলাদেশের সহায়তায় এ উদ্যোগ গ্রহণ করেন। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ কেজি মাছ বিক্রি হচ্ছে।
পেয়ারা বেগম বলেন, প্রতিদিন বাজার থেকে মাছ সংগ্রহ করে পরিষ্কার ও প্যাকেটজাত করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়। সীমিত লাভে বাজারদরেই মাছ বিক্রি করা হচ্ছে।
প্রতিবেশিরা জানান, ছোট মাছ পরিষ্কার ও প্রস্তুত করতে সময় বেশি লাগায় অনেকেই তা কিনতে অনাগ্রহী হন। এ উদ্যোগের ফলে ঝামেলামুক্তভাবে দেশীয় মাছ কিনে সরাসরি রান্না করা সম্ভব হচ্ছে।
আরডিআরএস বাংলাদেশের মৎস্য টেকনিক্যাল অফিসার মোজাম্মেল হক বলেন, সংস্থাটি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) সহায়তায় নতুন উদ্যোক্তা ও নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করছে। ভবিষ্যতে জেলার অন্য উপজেলাতেও এ কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
রাজারহাট উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এমদাদুল হক বলেন, উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ ও বাজার ব্যবস্থাপনায় মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন