ঠাকুরগাঁওয়ে একটি সার্ভিসিং সেন্টারের নিরাপত্তাকর্মী মো. আব্দুর রহমানকে (৫৫) হত্যা করেছে বরখাস্ত হওয়া সাবেক নিরাপত্তাকর্মী জুয়েল রানা (২০)। হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি জানার পরে জুয়েল রানাকে পুলিশে দিয়েছে তার বাবা।
ওই নিরাপত্তারকর্মী একটি সার্ভিসিং সেন্টারে কর্মরত ছিলেন। নিহত আব্দুর রহমান ঠাকুরগাঁও শহরের হাজীপাড়া এলাকার আলিমুদ্দিনের ছেলে। গ্রেফতার জুয়েল রানা শহরের সেনুয়া ব্রিজ এলাকার বউ বাজারের আব্দুল খালেকের ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আশরাফুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জুয়েল রানা ওই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। চলতি মাসের ১ তারিখে ওই কোম্পানির সার্ভিসিং সেন্টারে চুরি হয়। এ ঘটনায় জুুয়েল রানাকে কাজ থেকে বাদ দিয়ে আব্দুর রহমানকে রাখা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জুয়েল রানা আব্দুর রহমানকে হত্যা করে। হত্যার পর জুয়েল বিষয়টি প্রথমে তার মাকে জানায়। পরে জুয়েলের বাবা আব্দুল খালেক জানার পর বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে জুয়েলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সরঞ্জাম উদ্ধার করে পুলিশ। রাতে সার্ভিসিং সেন্টারের ভেতরে আব্দুর রহমানকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি শাহজাহান আলী বলেন, জুয়েল রানা হত্যার দায় স্বীকার করেছে। এ বিষয়ে নিহতের ছেলে মামলা করেছে। আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
বিষয় : ঠাকুরগাঁও সংবাদ হত্যা

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ে একটি সার্ভিসিং সেন্টারের নিরাপত্তাকর্মী মো. আব্দুর রহমানকে (৫৫) হত্যা করেছে বরখাস্ত হওয়া সাবেক নিরাপত্তাকর্মী জুয়েল রানা (২০)। হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি জানার পরে জুয়েল রানাকে পুলিশে দিয়েছে তার বাবা।
ওই নিরাপত্তারকর্মী একটি সার্ভিসিং সেন্টারে কর্মরত ছিলেন। নিহত আব্দুর রহমান ঠাকুরগাঁও শহরের হাজীপাড়া এলাকার আলিমুদ্দিনের ছেলে। গ্রেফতার জুয়েল রানা শহরের সেনুয়া ব্রিজ এলাকার বউ বাজারের আব্দুল খালেকের ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আশরাফুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জুয়েল রানা ওই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। চলতি মাসের ১ তারিখে ওই কোম্পানির সার্ভিসিং সেন্টারে চুরি হয়। এ ঘটনায় জুুয়েল রানাকে কাজ থেকে বাদ দিয়ে আব্দুর রহমানকে রাখা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জুয়েল রানা আব্দুর রহমানকে হত্যা করে। হত্যার পর জুয়েল বিষয়টি প্রথমে তার মাকে জানায়। পরে জুয়েলের বাবা আব্দুল খালেক জানার পর বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে জুয়েলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সরঞ্জাম উদ্ধার করে পুলিশ। রাতে সার্ভিসিং সেন্টারের ভেতরে আব্দুর রহমানকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি শাহজাহান আলী বলেন, জুয়েল রানা হত্যার দায় স্বীকার করেছে। এ বিষয়ে নিহতের ছেলে মামলা করেছে। আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন