বাড়ির উঠানে অবুঝ পায়ে হাঁটি হাঁটি পা পা করে খেলা করছিল ১৬ মাসের শিশু মুকিত। কিন্তু কে জানত, সেই চপল খেলাই পরিবারটির জন্য বয়ে আনবে আজীবনের কান্না?
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের কাজীপাড়ায় গরুর পানি খাওয়ানোর হাউজে পড়ে প্রাণ হারিয়েছে অবুঝ এই শিশুটি। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ৫ নম্বর সয়ার ইউনিয়নের কলেজপাড়া এলাকায় ঘটে এই হৃদয়বিদারক ঘটনা। নিহত মুকিত কাজীপাড়ার মইনুল ইসলামের একমাত্র ছোট ছেলে।
পরিবারের সদস্যরা যখন দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত, ঠিক তখনই সবার অগোচরে খেলতে খেলতে বাড়ির পাশে থাকা গরুর পানি খাওয়ার চৌবাচ্চা বা হাউজের কাছে চলে যায় মুকিত। সেখানে অসাবধানতাবশত সে পানির হাউজে পড়ে যায়।
কিছুক্ষণ পর তাকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে হাউজের ভেতর থেকে তাকে নিস্তেজ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
ছোট্ট মুকিতের এই মর্মান্তিক বিদায়ে পুরো কাজীপাড়া গ্রামে শোকের স্তব্ধতা নেমে এসেছে। মইনুল ইসলামের বাড়িতে এখন স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠছে।
এ বিষয়ে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মনসুর পাটোয়ারী বলেন:
"এক মুহূর্তের এই দুর্ঘটনা একটি পরিবারকে সারাজীবনের জন্য নিঃস্ব করে দিল। এমন ছোট্ট শিশুর করুণ মৃত্যু পুরো এলাকার মানুষকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।"
এ ঘটনাটি গ্রামীণ জনপদে শিশুদের নিরাপত্তা এবং বাড়ির আশপাশের উন্মুক্ত জলাধার/পানির পাত্র সম্পর্কে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার বড় বার্তা দিয়ে গেল।

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
বাড়ির উঠানে অবুঝ পায়ে হাঁটি হাঁটি পা পা করে খেলা করছিল ১৬ মাসের শিশু মুকিত। কিন্তু কে জানত, সেই চপল খেলাই পরিবারটির জন্য বয়ে আনবে আজীবনের কান্না?
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের কাজীপাড়ায় গরুর পানি খাওয়ানোর হাউজে পড়ে প্রাণ হারিয়েছে অবুঝ এই শিশুটি। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ৫ নম্বর সয়ার ইউনিয়নের কলেজপাড়া এলাকায় ঘটে এই হৃদয়বিদারক ঘটনা। নিহত মুকিত কাজীপাড়ার মইনুল ইসলামের একমাত্র ছোট ছেলে।
পরিবারের সদস্যরা যখন দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত, ঠিক তখনই সবার অগোচরে খেলতে খেলতে বাড়ির পাশে থাকা গরুর পানি খাওয়ার চৌবাচ্চা বা হাউজের কাছে চলে যায় মুকিত। সেখানে অসাবধানতাবশত সে পানির হাউজে পড়ে যায়।
কিছুক্ষণ পর তাকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে হাউজের ভেতর থেকে তাকে নিস্তেজ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
ছোট্ট মুকিতের এই মর্মান্তিক বিদায়ে পুরো কাজীপাড়া গ্রামে শোকের স্তব্ধতা নেমে এসেছে। মইনুল ইসলামের বাড়িতে এখন স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠছে।
এ বিষয়ে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মনসুর পাটোয়ারী বলেন:
"এক মুহূর্তের এই দুর্ঘটনা একটি পরিবারকে সারাজীবনের জন্য নিঃস্ব করে দিল। এমন ছোট্ট শিশুর করুণ মৃত্যু পুরো এলাকার মানুষকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।"
এ ঘটনাটি গ্রামীণ জনপদে শিশুদের নিরাপত্তা এবং বাড়ির আশপাশের উন্মুক্ত জলাধার/পানির পাত্র সম্পর্কে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার বড় বার্তা দিয়ে গেল।

আপনার মতামত লিখুন