ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রায় ৪৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালামের ভাগিনা মাসুদ রানা, যিনি ১৮টি প্রকল্পের মধ্যে ১৬টির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, একাধিক প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার আগেই বরাদ্দের অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রকল্পের সভাপতি দাবি করেছেন, তারা প্রকল্পের কাজ, বরাদ্দ কিংবা অর্থ উত্তোলনের বিষয়ে অবগত ছিলেন না।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, সভাপতিদের নামে চেক ইস্যু করে তাদের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করা হলেও সেই অর্থ প্রকৃতপক্ষে মাসুদ রানার নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। এতে প্রকল্প বাস্তবায়ন ও অর্থ ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তারা অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং দোষী প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম বলেন, "অপরাধকারী যেই হোক না কেন, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।"
তিনি আরও জানান, অভিযোগের বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে উল্লেখ্য, এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাসুদ রানার বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।
বিষয় : অনিয়মের অভিযোগ

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রায় ৪৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালামের ভাগিনা মাসুদ রানা, যিনি ১৮টি প্রকল্পের মধ্যে ১৬টির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, একাধিক প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার আগেই বরাদ্দের অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রকল্পের সভাপতি দাবি করেছেন, তারা প্রকল্পের কাজ, বরাদ্দ কিংবা অর্থ উত্তোলনের বিষয়ে অবগত ছিলেন না।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, সভাপতিদের নামে চেক ইস্যু করে তাদের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করা হলেও সেই অর্থ প্রকৃতপক্ষে মাসুদ রানার নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। এতে প্রকল্প বাস্তবায়ন ও অর্থ ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তারা অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং দোষী প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম বলেন, "অপরাধকারী যেই হোক না কেন, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।"
তিনি আরও জানান, অভিযোগের বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে উল্লেখ্য, এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাসুদ রানার বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন