সামান্য বৃষ্টিতে চলাচলের অযোগ্য হয়ে যায় রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর বন্দরের ২০০ মিটারের সড়কটি। সড়কটি দিয়ে প্রবেশ করতে পারে না জরুরি সেবার কোনো গাড়ি। এমনকি হাসপাতালে যেতেও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় এলাকাবাসীর। কাঁদা মাড়িয়েই স্কুল-কলেজে যেতে হয় শিক্ষার্থীদের।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তাটি মাটি ও বৃষ্টির পানির সংমিশ্রণে কাদার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা সুমন জুফাস নিউজকে বলেন, বেশ দীর্ঘদিন থেকে সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তাটিতে হাঁটু পর্যন্ত কাদা হয়ে যায়। এছাড়াও পাশের মাঠের সব ফসল এই রাস্তা দিয়ে বাড়ি নিতে হয়। এই রাস্তা দিয়েই কৃষি পণ্য বাজারজাত করা হয়। এছাড়াও উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রাচীন ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান রংপুরের শ্যামপুর সুগার মিলস লিমিটেড। সরকারি সিদ্ধান্তে ২০২০ সাল থেকে এর উৎপাদন বন্ধ। দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে থাকা এবং আধুনিকায়নের অভাবের মুখে মিলটির কার্যক্রম স্থগিত। মিলটির যাতায়াতে প্রধান সড়ক এটা। আমাদের এ কষ্ট কবে দূর হবে তার কোনো ঠিক নেই।
স্থানীয় দোকানদার এবং এলাকাবাসী জুফাস নিউজকে বলেন, প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে শতাধিক শিক্ষার্থী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। তাদের চলতে খুবই সমস্যা হয়। জরুরি সেবার কোনো গাড়ি বা যেকোনো গাড়ি গ্রামে প্রবেশ করতে পারে না। হিন্দু বা মুসলিম কেউ মারা গেলে কাঁদার কারণে সৎকার, দাফন-কাফনে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অসুস্থ কোনো ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। অতি প্রাচীন রাস্তাটি পাকাকরণ এখন সময়ের দাবি।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
সামান্য বৃষ্টিতে চলাচলের অযোগ্য হয়ে যায় রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর বন্দরের ২০০ মিটারের সড়কটি। সড়কটি দিয়ে প্রবেশ করতে পারে না জরুরি সেবার কোনো গাড়ি। এমনকি হাসপাতালে যেতেও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় এলাকাবাসীর। কাঁদা মাড়িয়েই স্কুল-কলেজে যেতে হয় শিক্ষার্থীদের।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তাটি মাটি ও বৃষ্টির পানির সংমিশ্রণে কাদার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা সুমন জুফাস নিউজকে বলেন, বেশ দীর্ঘদিন থেকে সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তাটিতে হাঁটু পর্যন্ত কাদা হয়ে যায়। এছাড়াও পাশের মাঠের সব ফসল এই রাস্তা দিয়ে বাড়ি নিতে হয়। এই রাস্তা দিয়েই কৃষি পণ্য বাজারজাত করা হয়। এছাড়াও উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রাচীন ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান রংপুরের শ্যামপুর সুগার মিলস লিমিটেড। সরকারি সিদ্ধান্তে ২০২০ সাল থেকে এর উৎপাদন বন্ধ। দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে থাকা এবং আধুনিকায়নের অভাবের মুখে মিলটির কার্যক্রম স্থগিত। মিলটির যাতায়াতে প্রধান সড়ক এটা। আমাদের এ কষ্ট কবে দূর হবে তার কোনো ঠিক নেই।
স্থানীয় দোকানদার এবং এলাকাবাসী জুফাস নিউজকে বলেন, প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে শতাধিক শিক্ষার্থী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। তাদের চলতে খুবই সমস্যা হয়। জরুরি সেবার কোনো গাড়ি বা যেকোনো গাড়ি গ্রামে প্রবেশ করতে পারে না। হিন্দু বা মুসলিম কেউ মারা গেলে কাঁদার কারণে সৎকার, দাফন-কাফনে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অসুস্থ কোনো ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। অতি প্রাচীন রাস্তাটি পাকাকরণ এখন সময়ের দাবি।

আপনার মতামত লিখুন