রংপুর    শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
জুফাস নিউজ

গভীর রাতে চার নারীসহ ‘আটক’ ইউপি চেয়ারম্যান

গভীর রাতে চার নারীসহ ‘আটক’ ইউপি চেয়ারম্যান
অভিযুক্ত আহসান হাবিব লায়ন

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আহসান হাবিব লায়নকে (৬২) গভীর রাতে নারীসহ আটক করেছেন স্থানীয়রা। এসময় চার নারীসহ সাতজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দিনগত গভীর রাতে সাঘাটা উপজেলার কচুয়া বাজার বাগান বাড়ি থেকে তাদের থানা হেফাজতে নেয় পুলিশ।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ইউপি চেয়ারম্যান আহসান হাবিব দীর্ঘদিন ধরে কচুয়া বাজারের বাগান বাড়িতে নিয়মিত বিভিন্ন স্থান থেকে নারী নিয়ে এসে অনৈতিক কাজ করতেন এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছে সরবরাহ করতেন। বৃহস্পতিবার রাতে চারজন নারী বাগান বাড়ি প্রবেশ করেন। স্থানীয়রা টের পেয়ে ওই বাড়ি ঘিরে রেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে চার নারীসহ সাতজনকে থানায় নিয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী হারুন মিয়া বলেন, রাত সাড়ে ১১টার দিকে একটি মাইক্রোবাসে করে চারজন নারী ওই বাগান বাড়িতে প্রবেশ করে। আধাঘণ্টা পর মাইক্রোবাসটি খালি বের হয়ে গেলে সন্দেহ হয়। পরে আমরা বাড়িটি ঘিরে রেখে ওসিকে ফোন দিই। তিনি পুলিশে পাঠাতে গড়িমসি করেন। পরে আমরা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেই। তার আধাঘণ্টা পর পুলিশ বাগান বাড়িতে প্রবেশ করে। পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়রা প্রবেশ করে চেয়ারম্যানসহ তিন পুরুষ ও চার নারীকে বিবস্ত্র অবস্থায় তিনটি রুমে পড়ে থাকতে দেখেন।

এ বিষয়ে শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুর ১টার দিকে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‌‘চার নারীসহ সাতজন থানা হেফাজতে আছেন। তারা আটকও না গ্রেফতারও না।’

এক প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, ‘বিষয়টি রাজনৈতিক নেতারা হ্যান্ডেল করছেন।’ এ কথা বলেই তিনি ফোনের সংযোগ কেটে দেন।

বিষয় : গাইবান্ধার সংবাদ ইউপি চেয়ারম্যান

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
জুফাস নিউজ

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬


গভীর রাতে চার নারীসহ ‘আটক’ ইউপি চেয়ারম্যান

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আহসান হাবিব লায়নকে (৬২) গভীর রাতে নারীসহ আটক করেছেন স্থানীয়রা। এসময় চার নারীসহ সাতজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দিনগত গভীর রাতে সাঘাটা উপজেলার কচুয়া বাজার বাগান বাড়ি থেকে তাদের থানা হেফাজতে নেয় পুলিশ।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ইউপি চেয়ারম্যান আহসান হাবিব দীর্ঘদিন ধরে কচুয়া বাজারের বাগান বাড়িতে নিয়মিত বিভিন্ন স্থান থেকে নারী নিয়ে এসে অনৈতিক কাজ করতেন এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছে সরবরাহ করতেন। বৃহস্পতিবার রাতে চারজন নারী বাগান বাড়ি প্রবেশ করেন। স্থানীয়রা টের পেয়ে ওই বাড়ি ঘিরে রেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে চার নারীসহ সাতজনকে থানায় নিয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী হারুন মিয়া বলেন, রাত সাড়ে ১১টার দিকে একটি মাইক্রোবাসে করে চারজন নারী ওই বাগান বাড়িতে প্রবেশ করে। আধাঘণ্টা পর মাইক্রোবাসটি খালি বের হয়ে গেলে সন্দেহ হয়। পরে আমরা বাড়িটি ঘিরে রেখে ওসিকে ফোন দিই। তিনি পুলিশে পাঠাতে গড়িমসি করেন। পরে আমরা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেই। তার আধাঘণ্টা পর পুলিশ বাগান বাড়িতে প্রবেশ করে। পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়রা প্রবেশ করে চেয়ারম্যানসহ তিন পুরুষ ও চার নারীকে বিবস্ত্র অবস্থায় তিনটি রুমে পড়ে থাকতে দেখেন।

এ বিষয়ে শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুর ১টার দিকে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‌‘চার নারীসহ সাতজন থানা হেফাজতে আছেন। তারা আটকও না গ্রেফতারও না।’

এক প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, ‘বিষয়টি রাজনৈতিক নেতারা হ্যান্ডেল করছেন।’ এ কথা বলেই তিনি ফোনের সংযোগ কেটে দেন।


জুফাস নিউজ

সম্পাদক ও প্রকাশক: খাদেমুল বাশার রিফাত


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জুফাস নিউজ