পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নে পারিবারিক বিরোধের জেরে বাবাকে করাত দিয়ে হত্যার চেষ্টা এবং দীর্ঘদিনের মাদকাসক্তির অভিযোগে এক যুবককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত মিরাজ আলী (২৪)। আদালত তাকে ১০০ টাকা অর্থদণ্ডও দেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা সুলতানার নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে এ দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, বিশমনি গ্রামের বাসিন্দা মো. জাহিদুল ইসলাম তার ছেলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, মিরাজ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। নেশার টাকার জন্য প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের ওপর নির্যাতন চালাত, ঘরের জিনিসপত্র বিক্রি করত এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ত। একাধিকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হলেও তার আচরণে কোনো স্থায়ী পরিবর্তন আসেনি।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২২ জুলাই বাড়িতে পারিবারিক কলহের সময় বাবা প্রতিবাদ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে মিরাজ একটি করাত এনে তার গলায় ধরে হত্যার চেষ্টা করে। ছেলেকে থামাতে এগিয়ে এলে মাকেও আক্রমণের চেষ্টা করা হয়। পরে দুজনই সেখান থেকে পালিয়ে নিজেদের রক্ষা করেন। পরদিন ভুক্তভোগী বাবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
শুনানির সময় মিরাজ মাদক সেবনের বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ, স্বীকারোক্তি এবং উদ্ধার হওয়া আলামত বিবেচনায় আদালত তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক, পারিবারিক সহিংসতা এবং জনশৃঙ্খলা বিনষ্টকারী যেকোনো অপরাধের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নে পারিবারিক বিরোধের জেরে বাবাকে করাত দিয়ে হত্যার চেষ্টা এবং দীর্ঘদিনের মাদকাসক্তির অভিযোগে এক যুবককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত মিরাজ আলী (২৪)। আদালত তাকে ১০০ টাকা অর্থদণ্ডও দেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা সুলতানার নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে এ দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, বিশমনি গ্রামের বাসিন্দা মো. জাহিদুল ইসলাম তার ছেলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, মিরাজ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। নেশার টাকার জন্য প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের ওপর নির্যাতন চালাত, ঘরের জিনিসপত্র বিক্রি করত এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ত। একাধিকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হলেও তার আচরণে কোনো স্থায়ী পরিবর্তন আসেনি।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২২ জুলাই বাড়িতে পারিবারিক কলহের সময় বাবা প্রতিবাদ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে মিরাজ একটি করাত এনে তার গলায় ধরে হত্যার চেষ্টা করে। ছেলেকে থামাতে এগিয়ে এলে মাকেও আক্রমণের চেষ্টা করা হয়। পরে দুজনই সেখান থেকে পালিয়ে নিজেদের রক্ষা করেন। পরদিন ভুক্তভোগী বাবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
শুনানির সময় মিরাজ মাদক সেবনের বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ, স্বীকারোক্তি এবং উদ্ধার হওয়া আলামত বিবেচনায় আদালত তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক, পারিবারিক সহিংসতা এবং জনশৃঙ্খলা বিনষ্টকারী যেকোনো অপরাধের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন