রংপুর    শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জুফাস নিউজ
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘হাসিনা নিজেই আজরাইলকে দাওয়াত দিয়ে বাসায় এনেছিলেন’

‘হাসিনা নিজেই আজরাইলকে দাওয়াত দিয়ে বাসায় এনেছিলেন’
ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। ছবি: সংগৃহীত

‘হাসিনা নিজেই আজরাইলটাকে দাওয়াত দিয়া বাসায় খাবারের জন্য ডাইকা নিয়ে আসছে’ বলে মন্তব্য করেছেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালে কোটা সমস্যার যে সমাধান হয়ে গিয়েছিল, ২০২৪ সালে আদালতকে ব্যবহার করে হাসিনা নিজেই সেই ক্ষত আবার খুঁচিয়ে তুলেছেন। জুনে আদালতপাড়ায় এই চ্যাপ্টারটি পুনরায় শুরু করার মাধ্যমে তিনি নিজের পতন নিজেই ডেকে এনেছেন।’

সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ জানান, স্বার্থে সরাসরি আঘাত লাগাই ছিল তরুণদের এই আন্দোলনে অংশগ্রহণের প্রধান কারণ। তাদের কোটা পদ্ধতি সরাসরি মেধাবী তরুণদের চাকরির অধিকার খর্ব করেছিল, যা তাদের ক্ষোভের মূল কারণ।

তারপর যখন এই লড়াইয়ে আবু সাঈদ ও মুগ্ধর মতো শত শত তরুণকে হত্যা করা হলো, তখন সেই স্বার্থের লড়াইটি জেদে রূপান্তরিত হয়। এই জেদ এক পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল।

জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সাধারণ মানুষের দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির ক্ষোভ, ভোটের অধিকার না থাকার যন্ত্রণা এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বঞ্চনা জানিয়ে তিনি বলেন, সবগুলো ধারা এক হয়ে একটি মহাসমুদ্রের সুনামিতে রূপ নিয়েছিল। শেখ হাসিনা নিজের কৃতকর্মের কারণেই এমন এক জনস্রোতের মুখোমুখি হয়েছিলেন, যা ঠেকানোর ক্ষমতা আর কারও ছিল না।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
জুফাস নিউজ

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


‘হাসিনা নিজেই আজরাইলকে দাওয়াত দিয়ে বাসায় এনেছিলেন’

প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

‘হাসিনা নিজেই আজরাইলটাকে দাওয়াত দিয়া বাসায় খাবারের জন্য ডাইকা নিয়ে আসছে’ বলে মন্তব্য করেছেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালে কোটা সমস্যার যে সমাধান হয়ে গিয়েছিল, ২০২৪ সালে আদালতকে ব্যবহার করে হাসিনা নিজেই সেই ক্ষত আবার খুঁচিয়ে তুলেছেন। জুনে আদালতপাড়ায় এই চ্যাপ্টারটি পুনরায় শুরু করার মাধ্যমে তিনি নিজের পতন নিজেই ডেকে এনেছেন।’

সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ জানান, স্বার্থে সরাসরি আঘাত লাগাই ছিল তরুণদের এই আন্দোলনে অংশগ্রহণের প্রধান কারণ। তাদের কোটা পদ্ধতি সরাসরি মেধাবী তরুণদের চাকরির অধিকার খর্ব করেছিল, যা তাদের ক্ষোভের মূল কারণ।

তারপর যখন এই লড়াইয়ে আবু সাঈদ ও মুগ্ধর মতো শত শত তরুণকে হত্যা করা হলো, তখন সেই স্বার্থের লড়াইটি জেদে রূপান্তরিত হয়। এই জেদ এক পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল।

জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সাধারণ মানুষের দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির ক্ষোভ, ভোটের অধিকার না থাকার যন্ত্রণা এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বঞ্চনা জানিয়ে তিনি বলেন, সবগুলো ধারা এক হয়ে একটি মহাসমুদ্রের সুনামিতে রূপ নিয়েছিল। শেখ হাসিনা নিজের কৃতকর্মের কারণেই এমন এক জনস্রোতের মুখোমুখি হয়েছিলেন, যা ঠেকানোর ক্ষমতা আর কারও ছিল না।


জুফাস নিউজ

সম্পাদক ও প্রকাশক: খাদেমুল বাশার রিফাত


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জুফাস নিউজ