রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বড় আলমপুর ইউনিয়নে একটি সেচঘর থেকে মফিজার রহমান নামে এক কৃষকের পা বাঁধা ও রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, গভীর রাতে সেচ পাম্পের ট্রান্সমিটার চুরি করতে আসা দুর্বৃত্তদের বাধা দেওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত মফিজার রহমান বড় আলমপুর ইউনিয়নের উমরপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতে উমরপুর মাঠে নিজেদের বিএডিসির (BADC) সেচ পাম্পের ট্রান্সমিটার পাহারার দায়িত্বে ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে শহিদুল ইসলাম নামের এক কৃষক মাঠে যাওয়ার সময় সেচঘরের দরজা ও ট্রান্সমিটার খোলা অবস্থায় দেখতে পান। পরে ঘরের ভেতরে মফিজারের পা বাঁধা রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে আসেন।
খবর পেয়ে পীরগঞ্জ থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত তথ্য জানানো সম্ভব হবে।
এলাকাবাসীর মতে, রাতের অন্ধকারে দুর্বৃত্তরা ট্রান্সমিটার চুরি করতে এলে মফিজার রহমান তাদের বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে দুর্বৃত্তরা তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে ট্রান্সমিটার নিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বড় আলমপুর ইউনিয়নে একটি সেচঘর থেকে মফিজার রহমান নামে এক কৃষকের পা বাঁধা ও রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, গভীর রাতে সেচ পাম্পের ট্রান্সমিটার চুরি করতে আসা দুর্বৃত্তদের বাধা দেওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত মফিজার রহমান বড় আলমপুর ইউনিয়নের উমরপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতে উমরপুর মাঠে নিজেদের বিএডিসির (BADC) সেচ পাম্পের ট্রান্সমিটার পাহারার দায়িত্বে ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে শহিদুল ইসলাম নামের এক কৃষক মাঠে যাওয়ার সময় সেচঘরের দরজা ও ট্রান্সমিটার খোলা অবস্থায় দেখতে পান। পরে ঘরের ভেতরে মফিজারের পা বাঁধা রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে আসেন।
খবর পেয়ে পীরগঞ্জ থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত তথ্য জানানো সম্ভব হবে।
এলাকাবাসীর মতে, রাতের অন্ধকারে দুর্বৃত্তরা ট্রান্সমিটার চুরি করতে এলে মফিজার রহমান তাদের বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে দুর্বৃত্তরা তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে ট্রান্সমিটার নিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন