পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ১৪ নং চতরা পশুর হাটে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর বেচাকেনা। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই হাটজুড়ে বাড়ছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতি। শেষ মুহূর্তের কেনাবেচায় হাট এখন যেন প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর এক উৎসবমুখর পরিবেশে রূপ নিয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আনা গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়ায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো হাট। বিশেষ করে দেশি জাতের ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো। উক্ত হাঁটে মঙ্গলবার সকাল থেকেই পশু আসা শুরু হয়। মঙ্গলবার সকাল গড়াতেই হাটে নামে মানুষের ঢল। হাটের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখা যায়, সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা শত শত গবাদিপশু ঘিরে চলছে দরদাম আর কেনাবেচা। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পাশাপাশি আশপাশের উপজেলা থেকেও বিক্রেতারা পশু নিয়ে এসেছেন। অন্যদিকে পরিবার-পরিজন নিয়ে পছন্দের পশু কিনতে ভিড় করেছেন অসংখ্য ক্রেতা। ক্রেতাদের মতে, বড় গরুর তুলনায় মাঝারি আকারের দেশি গরু তুলনামূলক সাশ্রয়ী হওয়ায় এসব গরুর চাহিদা বেশি। ফলে এ ধরনের গরুর দামও ছিল বেশ চড়া। তবুও দরদাম শেষে অনেককেই সন্তুষ্ট মনে পশু কিনে বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে। গরু বিক্রেতা মাসুদ মিয়া বলেন, “আমি দুটি গরু হাটে এনেছিলাম। আল্লাহর রহমতে দুটিই ভালো দামে বিক্রি হয়েছে। এবার হাটে ক্রেতার সংখ্যা বেশি, তাই বিক্রিও ভালো হচ্ছে।
হাটের ইজারাদার জানান, পীরগঞ্জের চতরা পশুর হাট অন্যতম বড় ও নিরাপদ পশুর হাট হিসেবে পরিচিত। ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার কারণে প্রতিবছর এখানে ব্যাপক বেচাকেনা হয়। কোরবানির আগে শেষ হাট হওয়ায় এবার পশুর আমদানিও ছিল উল্লেখযোগ্য। এদিকে হাটে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাট ইজারাদার টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। আরও জানান, ক্রেতা-বিক্রেতারা যেন নির্বিঘ্নে পশু কেনাবেচা করতে পারেন এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ১৪ নং চতরা পশুর হাটে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর বেচাকেনা। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই হাটজুড়ে বাড়ছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতি। শেষ মুহূর্তের কেনাবেচায় হাট এখন যেন প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর এক উৎসবমুখর পরিবেশে রূপ নিয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আনা গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়ায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো হাট। বিশেষ করে দেশি জাতের ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো। উক্ত হাঁটে মঙ্গলবার সকাল থেকেই পশু আসা শুরু হয়। মঙ্গলবার সকাল গড়াতেই হাটে নামে মানুষের ঢল। হাটের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখা যায়, সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা শত শত গবাদিপশু ঘিরে চলছে দরদাম আর কেনাবেচা। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পাশাপাশি আশপাশের উপজেলা থেকেও বিক্রেতারা পশু নিয়ে এসেছেন। অন্যদিকে পরিবার-পরিজন নিয়ে পছন্দের পশু কিনতে ভিড় করেছেন অসংখ্য ক্রেতা। ক্রেতাদের মতে, বড় গরুর তুলনায় মাঝারি আকারের দেশি গরু তুলনামূলক সাশ্রয়ী হওয়ায় এসব গরুর চাহিদা বেশি। ফলে এ ধরনের গরুর দামও ছিল বেশ চড়া। তবুও দরদাম শেষে অনেককেই সন্তুষ্ট মনে পশু কিনে বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে। গরু বিক্রেতা মাসুদ মিয়া বলেন, “আমি দুটি গরু হাটে এনেছিলাম। আল্লাহর রহমতে দুটিই ভালো দামে বিক্রি হয়েছে। এবার হাটে ক্রেতার সংখ্যা বেশি, তাই বিক্রিও ভালো হচ্ছে।
হাটের ইজারাদার জানান, পীরগঞ্জের চতরা পশুর হাট অন্যতম বড় ও নিরাপদ পশুর হাট হিসেবে পরিচিত। ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার কারণে প্রতিবছর এখানে ব্যাপক বেচাকেনা হয়। কোরবানির আগে শেষ হাট হওয়ায় এবার পশুর আমদানিও ছিল উল্লেখযোগ্য। এদিকে হাটে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাট ইজারাদার টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। আরও জানান, ক্রেতা-বিক্রেতারা যেন নির্বিঘ্নে পশু কেনাবেচা করতে পারেন এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন