প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, নীলফামারী সদর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে ৭০ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ১১৪ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। একই উপজেলার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ট্যালেন্টপুলে ২৭ জন ও সাধারণ গ্রেডে ৪১ জন বৃত্তি অর্জন করেছে।
জলঢাকা উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে ৮৮ জন ও সাধারণ গ্রেডে ১০০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেছে। এছাড়া বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ট্যালেন্টপুলে ২১ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৩১ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।
কিশোরগঞ্জ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে ৪৫ জন ও সাধারণ গ্রেডে ৪৫ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে। একই সঙ্গে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ট্যালেন্টপুলে ২৬ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৩৯ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।
ডিমলা উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে ৬৫ জন ও সাধারণ গ্রেডে ৫০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেছে। অপরদিকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ট্যালেন্টপুলে ২৭ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৪১ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে।
ডোমার উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে ৬৫ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৮৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এছাড়া বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ট্যালেন্টপুলে ১২ জন ও সাধারণ গ্রেডে ১৮ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে।
সৈয়দপুর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে ৪৮ জন ও সাধারণ গ্রেডে ১০০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেছে। একই উপজেলার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ট্যালেন্টপুলে ৩৫ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৫২ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে।
ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষক মহলে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে। অভিভাবকদের মতে, নিয়মিতভাবে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজন করা হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ, সুস্থ প্রতিযোগিতা এবং মেধার বিকাশ আরও বৃদ্ধি পাবে।
এ বিষয়ে জেলার ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীরা সন্তোষজনক ফলাফল উপহার দিয়েছে। তিনি বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
বিষয় : প্রাথমিক শিক্ষা নীলফামারীর খবর

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, নীলফামারী সদর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে ৭০ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ১১৪ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। একই উপজেলার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ট্যালেন্টপুলে ২৭ জন ও সাধারণ গ্রেডে ৪১ জন বৃত্তি অর্জন করেছে।
জলঢাকা উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে ৮৮ জন ও সাধারণ গ্রেডে ১০০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেছে। এছাড়া বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ট্যালেন্টপুলে ২১ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৩১ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।
কিশোরগঞ্জ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে ৪৫ জন ও সাধারণ গ্রেডে ৪৫ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে। একই সঙ্গে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ট্যালেন্টপুলে ২৬ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৩৯ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।
ডিমলা উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে ৬৫ জন ও সাধারণ গ্রেডে ৫০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেছে। অপরদিকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ট্যালেন্টপুলে ২৭ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৪১ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে।
ডোমার উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে ৬৫ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৮৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এছাড়া বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ট্যালেন্টপুলে ১২ জন ও সাধারণ গ্রেডে ১৮ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে।
সৈয়দপুর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে ৪৮ জন ও সাধারণ গ্রেডে ১০০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেছে। একই উপজেলার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ট্যালেন্টপুলে ৩৫ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৫২ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে।
ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষক মহলে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে। অভিভাবকদের মতে, নিয়মিতভাবে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজন করা হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ, সুস্থ প্রতিযোগিতা এবং মেধার বিকাশ আরও বৃদ্ধি পাবে।
এ বিষয়ে জেলার ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীরা সন্তোষজনক ফলাফল উপহার দিয়েছে। তিনি বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

আপনার মতামত লিখুন