রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর গ্রামে ধর্ষণের পর নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার ৯ বছর বয়সী শিশু সানজিদার পরিবারের খোঁজখবর নিতে তাঁর বাড়িতে গিয়েছেন রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম। আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) তিনি নিহত সানজিদার কবর জিয়ারত করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এ সময় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে পরিবারের হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন।
উল্লেখ্য, গত ১৯ জুন শিশু সানজিদা বাড়ির পাশের শিশুদের সঙ্গে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন ২০ জুন তার বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে একটি ক্যানেলের পাশের পাটক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
শোকার্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা ও ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন,
"জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলমান থাকার কারণে আমি ঘটনার পরপরই সশরীরে আসতে পারিনি, সেজন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত। তবে আমি আমার তারাগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি ও উপজেলা আমিরের মাধ্যমে সার্বক্ষণিকভাবে এই নৃশংস ঘটনার খোঁজখবর নিয়েছি। সানজিদা হত্যাকাণ্ডের শতভাগ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে হবে। এই মামলার তদন্ত বা আইনি প্রক্রিয়ায় যদি কোনো ধরনের প্রশাসনিক গাফিলতি থেকে থাকে, তবে বিষয়টি আমি নিজে কঠোরভাবে দেখব।"
সংসদ সদস্যের আগমন এবং খুনিদের শাস্তির ব্যাপারে এমন জোরালো আশ্বাসে উপস্থিত এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সংসদ সদস্যের এই তদারকি তাঁদের মনে ন্যায়বিচার পাওয়ার আশা জাগিয়েছে। তাঁরা সানজিদা হত্যার দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে এবং অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতে সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সহযোগিতা কামনা করেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ইতিমধ্যে প্রধান আসামি মুজাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত বর্তমানে চলমান রয়েছে এবং পুলিশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিলের জন্য কাজ করছে।
বিষয় : তারাগঞ্জ তারাগঞ্জ উপজেলার খবর হত্যা

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর গ্রামে ধর্ষণের পর নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার ৯ বছর বয়সী শিশু সানজিদার পরিবারের খোঁজখবর নিতে তাঁর বাড়িতে গিয়েছেন রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম। আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) তিনি নিহত সানজিদার কবর জিয়ারত করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এ সময় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে পরিবারের হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন।
উল্লেখ্য, গত ১৯ জুন শিশু সানজিদা বাড়ির পাশের শিশুদের সঙ্গে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন ২০ জুন তার বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে একটি ক্যানেলের পাশের পাটক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
শোকার্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা ও ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন,
"জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলমান থাকার কারণে আমি ঘটনার পরপরই সশরীরে আসতে পারিনি, সেজন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত। তবে আমি আমার তারাগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি ও উপজেলা আমিরের মাধ্যমে সার্বক্ষণিকভাবে এই নৃশংস ঘটনার খোঁজখবর নিয়েছি। সানজিদা হত্যাকাণ্ডের শতভাগ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে হবে। এই মামলার তদন্ত বা আইনি প্রক্রিয়ায় যদি কোনো ধরনের প্রশাসনিক গাফিলতি থেকে থাকে, তবে বিষয়টি আমি নিজে কঠোরভাবে দেখব।"
সংসদ সদস্যের আগমন এবং খুনিদের শাস্তির ব্যাপারে এমন জোরালো আশ্বাসে উপস্থিত এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সংসদ সদস্যের এই তদারকি তাঁদের মনে ন্যায়বিচার পাওয়ার আশা জাগিয়েছে। তাঁরা সানজিদা হত্যার দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে এবং অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতে সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সহযোগিতা কামনা করেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ইতিমধ্যে প্রধান আসামি মুজাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত বর্তমানে চলমান রয়েছে এবং পুলিশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিলের জন্য কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন