ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চুনিহাড়ি কাদশুকা গ্রাম থেকে বালিকা আক্তার (নাম প্রকাশিত) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশ।
নিহত বালিকা আক্তার উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের পুতিলাভাষা গ্রামের সুজন আলীর স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় মাস আগে বালিকা আক্তার স্বামীর বাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়ি চুনিহাড়ি কাদশুকা গ্রামে চলে আসেন। এরপর থেকে তিনি সেখানেই বসবাস করছিলেন।
রোববার ভোরে পরিবারের সদস্যরা তাঁর নিজ শয়নকক্ষের ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তারা বিষয়টি বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়।
পরে মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পুলিশ ঘটনার সব দিক গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চুনিহাড়ি কাদশুকা গ্রাম থেকে বালিকা আক্তার (নাম প্রকাশিত) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশ।
নিহত বালিকা আক্তার উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের পুতিলাভাষা গ্রামের সুজন আলীর স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় মাস আগে বালিকা আক্তার স্বামীর বাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়ি চুনিহাড়ি কাদশুকা গ্রামে চলে আসেন। এরপর থেকে তিনি সেখানেই বসবাস করছিলেন।
রোববার ভোরে পরিবারের সদস্যরা তাঁর নিজ শয়নকক্ষের ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তারা বিষয়টি বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়।
পরে মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পুলিশ ঘটনার সব দিক গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

আপনার মতামত লিখুন