নীলফামারীর সৈয়দপুরে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত এবং সংরক্ষণের দায়ে দুটি জনপ্রিয় হোটেলকে মোট ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাব্বির হোসেন।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, খাবার তৈরির স্থানে মারাত্মক নোংরা পরিবেশ, দীর্ঘদিন ধরে মানহীন উপায়ে প্রস্তুতকৃত খাদ্য সংরক্ষণ এবং ভোক্তা অধিকার আইন লঙ্ঘনের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯’-এর ৫৩ ধারায় এ জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে 'তাজির উদ্দিন হোটেল'-কে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং অর্থ অনাদায়ে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়। একই ধারায় অভিযুক্ত অপর প্রতিষ্ঠান 'আল সামস হোটেল'-কে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়; যা পরিশোধে ব্যর্থ হলে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ জারি ছিল।
তবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পরপরই উভয় হোটেল কর্তৃপক্ষ ধার্যকৃত জরিমানার পুরো অর্থ নগদে পরিশোধ করায় কারাদণ্ডের দণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয়নি।
অভিযান পরিচালনাকালে নীলফামারী জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. শিহাব উদ্দিন উপস্থিত থেকে কারিগরি পর্যবেক্ষণ ও সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন।
সৈয়দপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাব্বির হোসেন জানান, জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং ভেজাল ও পচা-বাসি খাবার বিক্রি বন্ধে এই ধরণের আকস্মিক অভিযান চালানো হয়েছে। জনস্বার্থে এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যপূরণে আগামী দিনেও উপজেলা প্রশাসনের এমন কঠোর নজরদারি ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।
বিষয় : জরিমনা নীলফামারীর খবর সৈয়দপুরের খবর

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত এবং সংরক্ষণের দায়ে দুটি জনপ্রিয় হোটেলকে মোট ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাব্বির হোসেন।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, খাবার তৈরির স্থানে মারাত্মক নোংরা পরিবেশ, দীর্ঘদিন ধরে মানহীন উপায়ে প্রস্তুতকৃত খাদ্য সংরক্ষণ এবং ভোক্তা অধিকার আইন লঙ্ঘনের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯’-এর ৫৩ ধারায় এ জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে 'তাজির উদ্দিন হোটেল'-কে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং অর্থ অনাদায়ে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়। একই ধারায় অভিযুক্ত অপর প্রতিষ্ঠান 'আল সামস হোটেল'-কে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়; যা পরিশোধে ব্যর্থ হলে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ জারি ছিল।
তবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পরপরই উভয় হোটেল কর্তৃপক্ষ ধার্যকৃত জরিমানার পুরো অর্থ নগদে পরিশোধ করায় কারাদণ্ডের দণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয়নি।
অভিযান পরিচালনাকালে নীলফামারী জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. শিহাব উদ্দিন উপস্থিত থেকে কারিগরি পর্যবেক্ষণ ও সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন।
সৈয়দপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাব্বির হোসেন জানান, জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং ভেজাল ও পচা-বাসি খাবার বিক্রি বন্ধে এই ধরণের আকস্মিক অভিযান চালানো হয়েছে। জনস্বার্থে এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যপূরণে আগামী দিনেও উপজেলা প্রশাসনের এমন কঠোর নজরদারি ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন