গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপারের সরকারি বাসভবনের ব্যারাক থেকে হাবিবুর রহমান (৩৩) নামের এক পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে ভিডিও কলে ঝগড়া করার একপর্যায়ে তিনি ওয়াশরুমে ঢুকে গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গতকাল বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জেলা পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনের সরকারি বাসভবনের ব্যারাকের ওয়াশরুম থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত হাবিবুর রহমান নীলফামারী সদর উপজেলার সরদারপাড়া এলাকার মন্টু মিয়ার ছেলে। তিনি স্ত্রী ও ৫-৭ বছরের একটি কন্যাসন্তান/ছেলেসন্তান রেখে গেছেন। গত ১২ আগস্ট তিনি ঢাকা থেকে বদলি হয়ে গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের বাংলোতে গার্ড হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত হাবিবুর রহমান বুধবার রোজা ছিলেন। দুপুরের দিকে তিনি তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে ভিডিও কলে কথা বলার সময় বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি ফোনে কথা বলতে বলতেই ওয়াশরুমে প্রবেশ করেন।
দীর্ঘ সময় ওয়াশরুমের দরজা বন্ধ থাকায় এবং ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় সন্দেহ হয় অন্যান্য ডিউটিরত পুলিশ সদস্যদের। পরবর্তীতে ব্যারাকের গার্ড কমান্ডার সোহেল মিয়ার নেতৃত্বে সদস্যরা ওয়াশরুমের দরজা ধাক্কা দিয়ে খুলে ভেতরে হাবিবুরকে রডের সঙ্গে গামছা পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
পরবর্তীতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির হোসেনের উপস্থিতিতে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে পুলিশ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল জানান:
"দুপুরে মোবাইলে স্ত্রীর সঙ্গে হাবিবুরের ঝগড়া হচ্ছিল। ভিডিও কলে থাকা অবস্থাতেই সে ওয়াশরুমে গিয়ে আত্মহত্যা করে। বিষয় অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। তাঁর পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে।"
গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের কারণেই এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং পুরো বিষয়টি পুলিশি তদন্তের অধীনে রয়েছে।
বিষয় : গাইবান্ধার সংবাদ আত্মহত্যা

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপারের সরকারি বাসভবনের ব্যারাক থেকে হাবিবুর রহমান (৩৩) নামের এক পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে ভিডিও কলে ঝগড়া করার একপর্যায়ে তিনি ওয়াশরুমে ঢুকে গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গতকাল বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জেলা পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনের সরকারি বাসভবনের ব্যারাকের ওয়াশরুম থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত হাবিবুর রহমান নীলফামারী সদর উপজেলার সরদারপাড়া এলাকার মন্টু মিয়ার ছেলে। তিনি স্ত্রী ও ৫-৭ বছরের একটি কন্যাসন্তান/ছেলেসন্তান রেখে গেছেন। গত ১২ আগস্ট তিনি ঢাকা থেকে বদলি হয়ে গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের বাংলোতে গার্ড হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত হাবিবুর রহমান বুধবার রোজা ছিলেন। দুপুরের দিকে তিনি তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে ভিডিও কলে কথা বলার সময় বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি ফোনে কথা বলতে বলতেই ওয়াশরুমে প্রবেশ করেন।
দীর্ঘ সময় ওয়াশরুমের দরজা বন্ধ থাকায় এবং ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় সন্দেহ হয় অন্যান্য ডিউটিরত পুলিশ সদস্যদের। পরবর্তীতে ব্যারাকের গার্ড কমান্ডার সোহেল মিয়ার নেতৃত্বে সদস্যরা ওয়াশরুমের দরজা ধাক্কা দিয়ে খুলে ভেতরে হাবিবুরকে রডের সঙ্গে গামছা পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
পরবর্তীতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির হোসেনের উপস্থিতিতে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে পুলিশ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল জানান:
"দুপুরে মোবাইলে স্ত্রীর সঙ্গে হাবিবুরের ঝগড়া হচ্ছিল। ভিডিও কলে থাকা অবস্থাতেই সে ওয়াশরুমে গিয়ে আত্মহত্যা করে। বিষয় অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। তাঁর পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে।"
গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের কারণেই এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং পুরো বিষয়টি পুলিশি তদন্তের অধীনে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন