লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাক্প্রতিবন্ধী এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে শহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই রায়ে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাকে।
বুধবার দুপুরে লালমনিরহাটের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিত্যানন্দ সরকার এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার নথি ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৪ আগস্ট শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যান শহিদুল ইসলাম। ওই সময় তিনি মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে বাক্প্রতিবন্ধী তৃতীয় শ্রেণির এক শিশুকে বাড়ির ভেতরে নিয়ে যান। বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
ঘটনার পর শিশুটি বিবস্ত্র অবস্থায় দৌড়ে বাড়িতে ফিরে আসে। তার মা কারণ জানতে চাইলে শিশুটি কথা বলতে না পারায় ইশারার মাধ্যমে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলামের নাম জানায়। পরে শিশুটির বাবা রশিদুল ইসলাম হাতীবান্ধা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
পুলিশের তদন্ত ও আদালতের বিচারিক কার্যক্রম শেষে মামলাটির রায় ঘোষণা করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান বলেন, বাক্প্রতিবন্ধী শিশুটিকে মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। মামলাটি আলোচিত ও ন্যক্কারজনক। আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।
শহিদুল ইসলাম লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার নবিয়ার রহমানের ছেলে।
বিষয় : লালমনিরহাট খবর ধর্ষণ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাক্প্রতিবন্ধী এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে শহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই রায়ে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাকে।
বুধবার দুপুরে লালমনিরহাটের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিত্যানন্দ সরকার এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার নথি ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৪ আগস্ট শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যান শহিদুল ইসলাম। ওই সময় তিনি মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে বাক্প্রতিবন্ধী তৃতীয় শ্রেণির এক শিশুকে বাড়ির ভেতরে নিয়ে যান। বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
ঘটনার পর শিশুটি বিবস্ত্র অবস্থায় দৌড়ে বাড়িতে ফিরে আসে। তার মা কারণ জানতে চাইলে শিশুটি কথা বলতে না পারায় ইশারার মাধ্যমে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলামের নাম জানায়। পরে শিশুটির বাবা রশিদুল ইসলাম হাতীবান্ধা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
পুলিশের তদন্ত ও আদালতের বিচারিক কার্যক্রম শেষে মামলাটির রায় ঘোষণা করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান বলেন, বাক্প্রতিবন্ধী শিশুটিকে মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। মামলাটি আলোচিত ও ন্যক্কারজনক। আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।
শহিদুল ইসলাম লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার নবিয়ার রহমানের ছেলে।

আপনার মতামত লিখুন