ভারতের পশ্চিমবঙ্গের তিস্তা নদী থেকে চরম ক্লান্ত একটি হাতিশাবককে উদ্ধার করে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে বিরল এক মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সেখানকার স্থানীয় একদল সাহসী মৎস্যজীবী। পরে শাবকটি সুস্থভাবে তার মায়ের সঙ্গে গভীর জঙ্গলে ফিরে গেছে।
গত ২১ সেপ্টেম্বর সকালে জলপাইগুড়ি জেলার বৈকুণ্ঠপুর বনবিভাগের গাজলডোবা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। খবর গাল্ফ নিউজের।
জানা যায়, উত্তরবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের কয়েকজন সদস্য তিস্তা ব্যারাজের কাছে নদীতে শাবকটিকে প্রথমে ভেসে থাকতে দেখেন। এর পরই মৎস্যজীবী মিথু দাস, রাজেশ দাস, বিশ্বনাথ দাস, গোপাল দাস এবং বাবলু দাস নৌকায় করে দ্রুত মাঝনদীতে ছুটে যান। এরপর তারা সবাই মিলে সাবধানে হাতিশাবকটিকে তাদের নৌকায় তুলে নিরাপদেই নদীর তীরে নিয়ে আসেন।
তীরে আনার পর শাবকটিকে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। নদীতে ভেসে থাকায় শাবকটি বেশ ক্লান্ত হয়ে পড়লেও শারীরিকভাবে সুস্থ ছিল।
এদিকে কিছুক্ষণের মধ্যেই শাবকের খোঁজে তার মা নদীর তীরে চলে আসে। অবশেষে বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে মা ও শাবকের একটি আবেগঘন পুনর্মিলন ঘটে এবং তারা নিরাপদে বনের ভেতরে চলে যায়।
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার গাজলডোবা এলাকায় প্রায়ই বন্য হাতির দল যাতায়াত করে। স্থানীয় মৎস্যজীবীদের হাতিশাবকের প্রতি এমন মানবিক উদ্যোগ বন্যপ্রাণী রক্ষায় এক দারুণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
বিষয় : রংপুরের খবর তিস্তা

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের তিস্তা নদী থেকে চরম ক্লান্ত একটি হাতিশাবককে উদ্ধার করে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে বিরল এক মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সেখানকার স্থানীয় একদল সাহসী মৎস্যজীবী। পরে শাবকটি সুস্থভাবে তার মায়ের সঙ্গে গভীর জঙ্গলে ফিরে গেছে।
গত ২১ সেপ্টেম্বর সকালে জলপাইগুড়ি জেলার বৈকুণ্ঠপুর বনবিভাগের গাজলডোবা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। খবর গাল্ফ নিউজের।
জানা যায়, উত্তরবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের কয়েকজন সদস্য তিস্তা ব্যারাজের কাছে নদীতে শাবকটিকে প্রথমে ভেসে থাকতে দেখেন। এর পরই মৎস্যজীবী মিথু দাস, রাজেশ দাস, বিশ্বনাথ দাস, গোপাল দাস এবং বাবলু দাস নৌকায় করে দ্রুত মাঝনদীতে ছুটে যান। এরপর তারা সবাই মিলে সাবধানে হাতিশাবকটিকে তাদের নৌকায় তুলে নিরাপদেই নদীর তীরে নিয়ে আসেন।
তীরে আনার পর শাবকটিকে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। নদীতে ভেসে থাকায় শাবকটি বেশ ক্লান্ত হয়ে পড়লেও শারীরিকভাবে সুস্থ ছিল।
এদিকে কিছুক্ষণের মধ্যেই শাবকের খোঁজে তার মা নদীর তীরে চলে আসে। অবশেষে বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে মা ও শাবকের একটি আবেগঘন পুনর্মিলন ঘটে এবং তারা নিরাপদে বনের ভেতরে চলে যায়।
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার গাজলডোবা এলাকায় প্রায়ই বন্য হাতির দল যাতায়াত করে। স্থানীয় মৎস্যজীবীদের হাতিশাবকের প্রতি এমন মানবিক উদ্যোগ বন্যপ্রাণী রক্ষায় এক দারুণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

আপনার মতামত লিখুন