নীলফামারীর জলঢাকায় 'এ নিউজ নেটওয়ার্ক'-এর ফরম বিতরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির আসল সত্য প্রকাশ পেয়েছে। নীলফামারী জেলা আহ্বায়ক আবু সাঈদ অপুকে জড়িয়ে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেছিল স্থানীয় কিছু স্বার্থান্বেষী গণমাধ্যমকর্মী। এ ঘটনাকে ঘিরে নীলফামারীর মূলধারার সংবাদকর্মীদের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
তবে মিথ্যা ও অপপ্রচারের সেই ফানুস বেশিদিন টেকেনি। পেশাদার সাংবাদিকতা ও সত্যের অনুসন্ধানে তথাকথিত সেই সংবাদের পেছনের অসৎ উদ্দেশ্য ও চরম বস্তুনিষ্ঠতার অভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। অবশেষে ঘটনার সত্যতা আড়াল করতে না পেরে এবং নিজের ভুল বুঝতে পেরে সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি ফোন কলের মাধ্যমে জেলা আহ্বায়ক আবু সাঈদ অপুর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছেন।
আবু সাঈদ অপু জানান, 'এ নিউজ নেটওয়ার্ক'-এর ফরম বিতরণ কার্যক্রমটি সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে এবং পেশাদারিত্বের সাথে পরিচালনা করা হচ্ছিল। কিন্তু একটি চক্রের ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থে আঘাত লাগায় তারা পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে এবং সংগঠনকে বিতর্কিত করতে মিথ্যা সংবাদের আশ্রয় নিয়েছিল।
এদিকে অপপ্রচারের নেপথ্য কাহিনী উন্মোচিত হওয়া এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ায় জলঢাকার স্থানীয় সাংবাদিক সমাজের মধ্যকার তৈরি হওয়া বিভ্রান্তির অবসান ঘটেছে। এ ধরনের নিকৃষ্ট ও মিথ্যা সাংবাদিকতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন নীলফামারী জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা বলেন, ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটাতে গণমাধ্যমকে ব্যবহার করা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং গণমাধ্যমের পেশাদারিত্ব ও ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে সকলকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নীলফামারীর জলঢাকায় 'এ নিউজ নেটওয়ার্ক'-এর ফরম বিতরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির আসল সত্য প্রকাশ পেয়েছে। নীলফামারী জেলা আহ্বায়ক আবু সাঈদ অপুকে জড়িয়ে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেছিল স্থানীয় কিছু স্বার্থান্বেষী গণমাধ্যমকর্মী। এ ঘটনাকে ঘিরে নীলফামারীর মূলধারার সংবাদকর্মীদের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
তবে মিথ্যা ও অপপ্রচারের সেই ফানুস বেশিদিন টেকেনি। পেশাদার সাংবাদিকতা ও সত্যের অনুসন্ধানে তথাকথিত সেই সংবাদের পেছনের অসৎ উদ্দেশ্য ও চরম বস্তুনিষ্ঠতার অভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। অবশেষে ঘটনার সত্যতা আড়াল করতে না পেরে এবং নিজের ভুল বুঝতে পেরে সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি ফোন কলের মাধ্যমে জেলা আহ্বায়ক আবু সাঈদ অপুর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছেন।
আবু সাঈদ অপু জানান, 'এ নিউজ নেটওয়ার্ক'-এর ফরম বিতরণ কার্যক্রমটি সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে এবং পেশাদারিত্বের সাথে পরিচালনা করা হচ্ছিল। কিন্তু একটি চক্রের ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থে আঘাত লাগায় তারা পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে এবং সংগঠনকে বিতর্কিত করতে মিথ্যা সংবাদের আশ্রয় নিয়েছিল।
এদিকে অপপ্রচারের নেপথ্য কাহিনী উন্মোচিত হওয়া এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ায় জলঢাকার স্থানীয় সাংবাদিক সমাজের মধ্যকার তৈরি হওয়া বিভ্রান্তির অবসান ঘটেছে। এ ধরনের নিকৃষ্ট ও মিথ্যা সাংবাদিকতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন নীলফামারী জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা বলেন, ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটাতে গণমাধ্যমকে ব্যবহার করা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং গণমাধ্যমের পেশাদারিত্ব ও ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে সকলকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন