শরতের আকাশে সাদা মেঘের ভেলা আর মৃদু বাতাসে দুলছে সারি সারি কাশফুল। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, চরাঞ্চলের সবুজ বুকজুড়ে বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে শুভ্রতার বিশাল চাদর। প্রকৃতির এমন চোখজুড়ানো রূপ উপভোগ করতে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের ধরলার অববাহিকার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রতিদিন ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা।
শরতের স্নিগ্ধ সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে ধরলার পাড়ে ছুটে আসছেন অনেকে। কেউ কাশফুলের বনে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, কেউ ছবি তুলছেন, আবার কেউ নদীর পাড়ে বসে উপভোগ করছেন নির্মল প্রকৃতি। বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের আনাগোনায় মুখর হয়ে উঠছে পুরো এলাকা।
স্থানীয়রা জানান, বর্ষা শেষে ধরলার তীরবর্তী বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে ফুটতে শুরু করেছে কাশফুল। কয়েক সপ্তাহ ধরে সাদা কাশফুলে ছেয়ে গেছে নদীর পাড় ও আশপাশের চরাঞ্চল। শরতের নীল আকাশ, সাদা মেঘ, নদীর ঢেউ আর কাশফুল—সব মিলিয়ে ধরলার তীর এখন প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে আকর্ষণীয় একটি গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।
জেলা সদর থেকে ঘুরতে আসা পারভেজ রিজভী (২৩) বলেন, ‘কাশফুলের এমন সুন্দর দৃশ্য আগে কাছ থেকে দেখা হয়নি। চারদিকে সাদা কাশফুল আর পাশে ধরলা নদী—দৃশ্যটা সত্যিই অসাধারণ। পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে এখানে এসে খুব ভালো লাগছে।
কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী আরমান হক (২১) বলেন, ‘শরতের কাশফুল দেখতে বন্ধুদের সঙ্গে এখানে এসেছি। ধরলার পাড়ের কাশফুল, নদী আর খোলা আকাশ—সব মিলিয়ে পরিবেশটা বেশ সুন্দর। এমন মনোরম পরিবেশে কিছুটা সময় কাটাতে পেরে ভালো লাগছে।’
একই কলেজের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান (১৯) বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখানকার কাশফুলের ছবি দেখে বান্ধবীদের সঙ্গে দেখতে এসেছি। বাস্তবে জায়গাটি আরও সুন্দর। খুব ভালো লাগছে।’
ধরলার পাড়ে বাতাসে দুলতে থাকা কাশফুলের শুভ্রতা আর নদীর নির্মল সৌন্দর্য মিলে যেন তৈরি হয়েছে শরতের এক অপূর্ব ক্যানভাস। আর সেই সৌন্দর্যের টানেই প্রতিদিন দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠছে ধরলার তীরবর্তী চরাঞ্চল।
বিষয় : কুড়িগ্রাম খবর ধরলা ব্রিজ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শরতের আকাশে সাদা মেঘের ভেলা আর মৃদু বাতাসে দুলছে সারি সারি কাশফুল। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, চরাঞ্চলের সবুজ বুকজুড়ে বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে শুভ্রতার বিশাল চাদর। প্রকৃতির এমন চোখজুড়ানো রূপ উপভোগ করতে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের ধরলার অববাহিকার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রতিদিন ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা।
শরতের স্নিগ্ধ সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে ধরলার পাড়ে ছুটে আসছেন অনেকে। কেউ কাশফুলের বনে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, কেউ ছবি তুলছেন, আবার কেউ নদীর পাড়ে বসে উপভোগ করছেন নির্মল প্রকৃতি। বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের আনাগোনায় মুখর হয়ে উঠছে পুরো এলাকা।
স্থানীয়রা জানান, বর্ষা শেষে ধরলার তীরবর্তী বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে ফুটতে শুরু করেছে কাশফুল। কয়েক সপ্তাহ ধরে সাদা কাশফুলে ছেয়ে গেছে নদীর পাড় ও আশপাশের চরাঞ্চল। শরতের নীল আকাশ, সাদা মেঘ, নদীর ঢেউ আর কাশফুল—সব মিলিয়ে ধরলার তীর এখন প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে আকর্ষণীয় একটি গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।
জেলা সদর থেকে ঘুরতে আসা পারভেজ রিজভী (২৩) বলেন, ‘কাশফুলের এমন সুন্দর দৃশ্য আগে কাছ থেকে দেখা হয়নি। চারদিকে সাদা কাশফুল আর পাশে ধরলা নদী—দৃশ্যটা সত্যিই অসাধারণ। পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে এখানে এসে খুব ভালো লাগছে।
কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী আরমান হক (২১) বলেন, ‘শরতের কাশফুল দেখতে বন্ধুদের সঙ্গে এখানে এসেছি। ধরলার পাড়ের কাশফুল, নদী আর খোলা আকাশ—সব মিলিয়ে পরিবেশটা বেশ সুন্দর। এমন মনোরম পরিবেশে কিছুটা সময় কাটাতে পেরে ভালো লাগছে।’
একই কলেজের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান (১৯) বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখানকার কাশফুলের ছবি দেখে বান্ধবীদের সঙ্গে দেখতে এসেছি। বাস্তবে জায়গাটি আরও সুন্দর। খুব ভালো লাগছে।’
ধরলার পাড়ে বাতাসে দুলতে থাকা কাশফুলের শুভ্রতা আর নদীর নির্মল সৌন্দর্য মিলে যেন তৈরি হয়েছে শরতের এক অপূর্ব ক্যানভাস। আর সেই সৌন্দর্যের টানেই প্রতিদিন দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠছে ধরলার তীরবর্তী চরাঞ্চল।

আপনার মতামত লিখুন