করোনা কালে তামাক চাষের বিকল্প হিসেবে মাল্টা চাষ শুরু করেন লালমনিরহাট সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন। ২০২১ সালে আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের তালেরতল গ্রামে দুই একর জমিতে মাত্র আড়াই লাখ টাকা বিনিয়োগে গড়ে তোলেন ফলের বাগান। বর্তমানে মাল্টা, কমলা ও পেঁপে চাষ করে বছরে আয় করছেন ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা।
তাঁর এই উদ্যোগে স্থানীয় চারটি পরিবারের কর্মসংস্থান হয়েছে। বাগান দেখতে ও চাষের পদ্ধতি শিখতে আসছেন বিভিন্ন এলাকার তরুণেরা। তাঁদের অনেকেই নিজের জমিতে ফলের বাগান করার পরিকল্পনা করছেন।
মামুন জানান, তামাক চাষে নিরুৎসাহিত করা এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে মাদকের ঝুঁকি থেকে দূরে রাখার চিন্তা থেকেই তাঁর এই উদ্যোগ।
লালমনিরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. সাইখুল আরিফিন বলেন, পরিকল্পিতভাবে মাল্টা চাষ করলে কৃষকেরা লাভবান হওয়ার পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবেন।
তামাকের বিকল্প হিসেবে আব্দুল্লাহ আল মামুনের এই উদ্যোগ এলাকায় ফল চাষ ও স্বাবলম্বী হওয়ার নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
বিষয় : লালমনিরহাট খবর আদিতমারী কৃষি

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
করোনা কালে তামাক চাষের বিকল্প হিসেবে মাল্টা চাষ শুরু করেন লালমনিরহাট সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন। ২০২১ সালে আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের তালেরতল গ্রামে দুই একর জমিতে মাত্র আড়াই লাখ টাকা বিনিয়োগে গড়ে তোলেন ফলের বাগান। বর্তমানে মাল্টা, কমলা ও পেঁপে চাষ করে বছরে আয় করছেন ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা।
তাঁর এই উদ্যোগে স্থানীয় চারটি পরিবারের কর্মসংস্থান হয়েছে। বাগান দেখতে ও চাষের পদ্ধতি শিখতে আসছেন বিভিন্ন এলাকার তরুণেরা। তাঁদের অনেকেই নিজের জমিতে ফলের বাগান করার পরিকল্পনা করছেন।
মামুন জানান, তামাক চাষে নিরুৎসাহিত করা এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে মাদকের ঝুঁকি থেকে দূরে রাখার চিন্তা থেকেই তাঁর এই উদ্যোগ।
লালমনিরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. সাইখুল আরিফিন বলেন, পরিকল্পিতভাবে মাল্টা চাষ করলে কৃষকেরা লাভবান হওয়ার পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবেন।
তামাকের বিকল্প হিসেবে আব্দুল্লাহ আল মামুনের এই উদ্যোগ এলাকায় ফল চাষ ও স্বাবলম্বী হওয়ার নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন